ফের সল্টলেকে কাউন্সিলরের দৌরাত্ম্য

ফের সল্টলেকে কাউন্সিলরের দৌরাত্ম্য

ফের সল্টলেকে কাউন্সিলরের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ।

ফের সল্টলেকে কাউন্সিলরের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

     #কলকাতাঃ  ফের সল্টলেকে কাউন্সিলরের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ। এবার এক মহিলাকে মারধরের অভিযোগ উঠল ৩৩ নম্বরর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। এফডি ব্লকের আবাসনে এক বৃদ্ধার মৃত্যুর পর তাঁর দেহ রাখা নিয়ে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। মৃতার ছেলে এসে না পৌঁছনোয় আবাসনের নীচেই রাখা হয় দেহ। তাতেই আপত্তি কাউন্সিলরের। প্রতিবাদ করলে মার খেতে হয় আবাসনেরই এক মহিলাকে। কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, জয়দেব নস্করের পর এবার নীলাঞ্জনা মান্না। ফের সল্টলেকে কাউন্সিলর দৌরাত্মের অভিযোগ। এবার এক আবাসনের বাসিন্দাকে মারধরের অভিযোগ উঠল ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর নীলাঞ্জনা মান্নার বিরুদ্ধে।

    ৪৫১, এফ ডি ব্লক।মা সাবিত্রী মোরের সঙ্গে এই আবাসনেই থাকেন বিনয় কৃষ্ণ মোর। বুধবার সকাল ছটায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় ৮০ বছরের সাবিত্রী মোরের। হায়দরাবাদে থাকা ছেলের ফেরার অপেক্ষায় আবাসনেরই নীচে পাখা, বরফ দিয়ে বৃদ্ধার দেহ রেখে দেন আত্মীয়, প্রতিবেশীরা। আর তাই নিয়েই যত অশান্তি।

    বেলা ১২টা।আচমকাই আবাসনে আসেন ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নীলাঞ্জনা মান্না। এসেই তাঁর প্রশ্ন.--- --এখানে কি পিকনিক হচ্ছে? চেয়ার , টেবিল পাতা। জল দেওয়া হচ্ছে। ব্যাপার কী? বৃদ্ধার মৃত্যুর কথা তাঁকে জানান আবাসনের বাসিন্দারা। কিন্তু রেগে যান কাউন্সিলর। উদ্ধত ভঙ্গিতে সকলের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন। শুরু হয় বচসা। প্রতিবাদ করতে এগিয়ে আসেন আবাসনেরই বাসিন্দা হামিদা বেগম। অভিযোগ, তাঁকে চড়, থাপ্পড় মেরে কানের দুল ছিঁড়ে দেন নীলাঞ্জনা।আবাসনের অন্য বাসিন্দাদের সঙ্গেও গণ্ডগোলে জড়িয়ে পড়েন কাউন্সিলর।

    বিধাননগর থানার পুলিশ আসে আবাসনে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, নীলাঞ্জনাই খবর দেন পুলিশে। পরে থানায় গিয়ে কাউন্সিলরের নামে অভিযোগ দায়ের করেন আক্রান্ত মহিলা। থানায় আসেন অভিযুক্ত কাউন্সিলরও। মিটমাটের জন্য তাঁদের জোর করা হয় বলে অভিযোগ।

    এর আগেও একবার হামিদার স্বামী মণিরুল মোল্লাকে চড় মারেন নীলাঞ্জনা। তখনকার মত মিটমাট হয়েছিল। এবার আক্রান্ত স্ত্রী। এবার আর মিটমাট নয়। বিচার চান হামিদা ও মণিরুল।

    First published: