corona virus btn
corona virus btn
Loading

কমিশনের সুপারিশে সিপিএম রাজ্য কমিটি থেকে সাসপেন্ড ঋতব্রত

কমিশনের সুপারিশে সিপিএম রাজ্য কমিটি থেকে সাসপেন্ড ঋতব্রত

কমরেড ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্য কমিটি থেকে ছেঁটে ফেলল সিপিএম।

  • Share this:

#কলকাতা: কমরেড ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্য কমিটি থেকে ছেঁটে ফেলল সিপিএম। ঋতব্রতর ব্যক্তিগত জীবনযাপন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দলে প্রশ্ন উঠেছিল। শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে তিন মাস সাসপেন্ডও ছিলেন কমরেড। তাঁকে রাজ্য কমিটি থেকে সরানো হবে কিনা, এই সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসেছিল সিপিএম। যুক্তি পালটা যুক্তিতে আজ দু’ভাগ হয়ে যায় রাজ্য কমিটি। সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা ঋতব্রতর বিরুদ্ধে মত দিয়েছেন।

সুবক্তা। বাংলা তো বটেই, ইংরেজি ও হিন্দিতেও দখল। শিক্ষিত। পড়াশোনাও আছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যসভায় পাঠানোর সময় এসব গুণই তুলে ধরেছিল সিপিএম। কিন্তু, কিছুদিন যেতে না যেতেই শুরু হয় অভিযোগের পালা। আলিমুদ্দিন তো বটেই, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ ওই সিপিএম নেতার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গিয়ে পৌঁছয় গোপালন ভবনের টেবিলে।

ঋতব্রত বিরুদ্ধে কী অভিযোগ?

- বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন ঋতব্রত - দাবি মোবাইল ও দামি ঘড়ি ব্যবহার করেন - এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এক দলীয় কর্মী - ক্ষুব্ধ সাংসদ নিজের প্যাডেই ওই কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র লেখেন - ওই কর্মী যে সংস্থায় চাকরি করেন সেখানে অভিযোগপত্র পাঠিয়ে দেন - ঋতব্রত দলের খবর সংবাদমাধ্যমে ফাঁস করে দেন - বেহিসেবী ও অংসযমী জীবনযাপন করেন - ঋতব্রতর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তাঁর স্ত্রী - অভিযোগ করেন একাধিক মহিলাও

অভিযোগের সুর চড়া হতেই ঋতব্রতকে সতর্ক করে দল। মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে গঠন করা হয় একটি তদন্ত কমিশন। তাঁকে তিন মাসের জন্য সাসপেন্ড করা হয়। মঙ্গলবার রাজ্য কমিটির বৈঠকে ঋতব্রতকে শাস্তি দেওয়ার সুপারিশ করে ওই কমিশন। তবে ঋতব্রত পাশেও দাঁড়ান রাজ্য কমিটির একাংশ। শেষপর্যন্ত, সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতেই ঠিক হয়, কমরেডকে শাস্তি দেওয়া হবে।

রাজ্য কমিটির এই সিদ্ধান্ত পাঠানো হবে সিপিএম পলিটবুরোয়। তারপর, তা অনুমোদনের জন্য যাবে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। কিন্তু, ঋতব্রতকে ঘিরে এদিন দু’ভাগ হয়ে যায় রাজ্য কমিটি।

First published: August 8, 2017, 8:38 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर