ওড়িশা বনাম বাংলা, রসগোল্লার কী মিল? কী অমিল !

আম বাঙালির কাছে অতি পরিচিত রসগোল্লার সঙ্গে ওড়িশার রসগোল্লার কি পার্থক্য? জেনে নিন।

আম বাঙালির কাছে অতি পরিচিত রসগোল্লার সঙ্গে ওড়িশার রসগোল্লার কি পার্থক্য? জেনে নিন।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতাঃ স্বাদ,রঙ,আকার,মিষ্টতা এমনকি আচরণেও নাকি আলাদা বাংলা আর ওড়িশার রসগোল্লা। এমনটাই জানাচ্ছেন রসগোল্লা তথা মিষ্টি প্রেমিকরা। কিন্তু আম বাঙালির কাছে অতি পরিচিত রসগোল্লার সঙ্গে ওড়িশার রসগোল্লার কি পার্থক্য? জেনে নিন।

    মিষ্টি এক, দাবি দুই রাজ্যের। বাঙালির দিপুদা-র মধ্যমনি পড়শি রাজ্যের পুরী। বাঙালির অন্যতম প্রিয় জায়গা। পুরী গেলে জগন্নাথ দেবের দর্শন আর খাজা মাস্ট। দু রাজ্যের রাজনৈতিক সীমানাও মিলেমিশে এক। রসগোল্লার অধিকার নিয়ে লড়াইয়ে দুই রাজ্যের এই আপাত সখ্য হঠাৎ-ই ব্যাকসিটে।

    কোমর বেঁধে দু রাজ্যের বিশেষজ্ঞ ও মিষ্টিপ্রেমিকরা নেমে পড়েছেন ময়দানে। তথ্যপ্রমাণ যোগাড়ে ইতিহাস-ই ভরসা। আর তাই প্রাচীন পুঁথি থেকে পান্ডুলিপি ঘেঁটে তাঁদের দাবি, রসগোল্লায় তাঁদেরই অধিকার। নামে মিল থাকলেও দুই রাজ্যের রসগোল্লার আকৃতি ও চরিত্রে কিছু অমিলও আছে।

     বাংলার রসগোল্লা -পুরোপুরি ছানা থেকে হয় -রং হয় সাদা - সাধারণত রস হয় পাতলা -মিষ্টি স্বাদ আনতে চিনির ব্যবহার  ওড়িশার রসগোল্লা - ক্ষীর ও সুজি থেকে হয় -রং হয় লাল -রস হয় মোটা -মিষ্টি স্বাদ আনতে গুড়ের ব্যবহার

    এই বাংলায় ১৮৬৪ সালে নবীনচন্দ্র দাস প্রথম রসগোল্লা তৈরি করতে শুরু করেন। ১৮৬৮ সালে বর্তমান রসগোল্লায় আত্মপ্রকাশ। আর ওড়িশায় রসগোল্লার জন্মের দাবি অপেক্ষাকৃত নতুন। তাই ওড়িশার দাবি ধোপে টেকে না। জানিয়েছেন রসগোল্লা বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও তাঁদের বক্তব্য, অবিভক্ত বাংলা-বিহার-ওড়িশায় রসগোল্লার প্রমাণ পাওয়া যায়।

    সেক্ষেত্রে আলাদা করে রসগোল্লা নিয়ে ওড়িশার দাবি কখনই বাস্তবসম্মত নয়। কেউ কেউ তো দাবি করেছেন, রসগোল্লা নাকি প্রথম তৈরি হয়েছিল এই বাংলারই নদিয়ায়। তবে, এ সব দাবির ভিত্তি কতটা তা প্রশ্নাতীত নয়। এখন অপেক্ষা জি-আই আইডেন্টিফিকেশনের চূড়ান্ত রাউন্ডের।

     
    First published: