corona virus btn
corona virus btn
Loading

জামিন পেয়েও স্বস্তি নেই মদনের

জামিন পেয়েও স্বস্তি নেই মদনের

জামিনের আদেশনামায় গেরো। ২১ মাসের বন্দিদশা কাটলেও এখনই বাড়ি ফেরা হচ্ছে না মদন মিত্রের।

  • Share this:

#কলকাতা: জামিনের আদেশনামায় গেরো। ২১ মাসের বন্দিদশা কাটলেও এখনই বাড়ি ফেরা হচ্ছে না মদন মিত্রের। জামিনের শর্তানুযায়ী থাকতে হবে থাকতে হবে ভবানীপুর এলাকায়। তাই আলিপুর জেল থেকে বেরিয়ে সোজা এলগিন রোডের হোটেলে উঠলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী।

হোটেলে মদনের সঙ্গেই রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু ভক্তদের আর সংবাদ মাধ্যমের ভিড়ে অসুবিধায় পড়ছেন হোটেল কর্তৃপক্ষ ৷ ভিড়ে অন্য অতিথিদের সমস্যা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ ৷ সূত্রের খবর, হোটেল পরিবর্তন করতে পারেন মদন মিত্র ৷

আলিপুর জেলের শেষ রাতটা যেন কাটতেই চাইছিল না। রাতভর অপেক্ষা। অন্যান্য দিনের চেয়ে অনেক আগেই উঠে পড়েন তিনি। মন্দির ওয়ার্ডে পুজো দিয়ে, চা-বিস্কুটও খান। ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ জেলে ঢোকে কালো স্করপিও।

সকাল ৬.৫০

- ২১ মাসের বন্দিদশা কাটিয়ে অবশেষে জেল থেকে বেরোন মদনগোপাল মিত্র - পরণে দক্ষিণেশ্বরে মায়ের পায়ে ছোঁয়ানো সাদা পাঞ্জাবি - তাঁকে নিতে জেলে আসেন দুই ছেলে এবং আইনজীবীরা -

জেলের বাইরে পা রেখেই দল ও দলনেত্রীর প্রশংসা মদনের ৷ শাসকদলের প্রাক্তন মন্ত্রী বলেন,  ‘মুখ্যমন্ত্রী কোটি কোটি মানুষের নয়নের মণি ৷ দলের উপর পূর্ণ আস্থা আছে ৷ দল সবসময় আমার পাশে ছিল ৷’

প্রকৃত ঠিকানা ভাবনীপুর থানা এলাকা। কিন্তু বেল অর্ডারে তা লেখা রয়েছে কালীঘাট থানা এলাকা। আদেশনামার এই গেরোতেই এখনই বাড়ি ফেরা হল না মদন মিত্রের। জেল থেকে বেরিয়ে সোজা এলগিন রোডের হোটেলে ওঠেন তিনি।

সকাল ৭.১০

- এলগিন রোডের হোটেলে পৌঁছন মদন - সেখানেই হালকা ব্রেকফাস্ট - দেখা করেন ভবানীপুর থেকে আসা কয়েকজন যুবকের সঙ্গেও

সকাল ৮টা

- প্রাক্তন মন্ত্রীর আসার খবর পেয়েই হোটেলে পুলিশি নিরাপত্তা

দুপুর ১.৩৫

- মদনের সঙ্গে দেখা করতে হোটেলে স্ত্রী, পুত্রবধূ ও নাতি

আইন অনুযায়ী, নির্দেশনামা সংশোধন না হলে, বাড়ি ফেরা হবে না। তাই আপাতত দিনচারেক হোটেলই ভরসা মদনগোপাল মিত্রের।

First published: September 10, 2016, 5:01 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर