অবশেষে কাটছে জট, সর্বদল বৈঠকে গোর্খাল্যান্ড-সিবিআই তদন্ত সহ একাধিক আর্জি জানাল পাহাড়

অবশেষে কাটছে জট, গোর্খাল্যান্ড, সিবিআই তদন্ত সহ একাধিক আর্জি

অবশেষে কাটছে জট, গোর্খাল্যান্ড, সিবিআই তদন্ত সহ একাধিক আর্জি

  • Share this:

     #কলকাতা: অবশেষে ৭৮ দিন পর অচলাবস্থা কাটতে চলেছে পাহাড়ে। আজ নবান্নে সর্বদলীয় বৈঠকে সবপক্ষই ইতিবাচক হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে। ১২ সেপ্টেম্বর শিলিগুড়ির উত্তরকন্যায় পরবর্তী বৈঠক। বনধ প্রত্যাহার নিয়ে এদিন কোনও ঘোষণা না হলেও খুব দ্রুতই পাহাড়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।

    পাহাড়ে বিস্ফোরণের পিছনে কারা জানতে এনআইএ তদন্ত, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহার - এমনই পাঁচ দফা দাবি জানাল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। তবে একইসঙ্গে অচলাবস্থা কাটাতে তাঁরা যে উদ্যোগী হবে, সেকথাও জানালেন মোর্চা নেতা বিনয় তামাং।

    এদিন বৈঠক শেষে বিনয় তামাং বলেন, ‘মোর্চার তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়েছি ৷ আমাদের ৮ কর্মী মারা গেছেন, ৩৫ জন আহত ৷ সিবিআই বা বিচারবিভাগীয় তদন্ত হোক ৷ মৃতদের পরিবার, আহতদের ক্ষতিপূরণের চাই ৷ পাহাড়ে বিস্ফোরণের নিন্দা করছি ৷ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করুক প্রশাসন ৷’

    মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুঙের হুঁশিয়ারি মেনে নিয়ে পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবি জানালেও আজকের বৈঠক যেন মোর্চা নেতাদের কাছে ছিল সম্মানজনক সমাধানে পৌঁছনোর এক পথ। যে কারণে বিনয় তামাং জানিয়েছেন, দার্জিলিঙে ফিরে কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে বনধ প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনা হবে।

    জিএনএলএফ নেতা মহেন্দ্র ছেত্রী বললেন, ‘পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে মুখ্যমন্ত্রী চিঠি দিই ৷ আমরা পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধান চাই ৷ আলোচনা চলতে থাকবে ৷’

    পাহাড় নিয়ে রাজ্যের এই অবস্থান রীতিমতো তাৎপর্যপূর্ণ। পাহাড়ের আবেগ ও দাবির বিষয়টি মাথায় রেখে শান্তি ফেরানোর পথে হাঁটতেই এই বার্তা বলে মনে করা হচ্ছে। পাহাড় আন্দোলনকারীদের বাধ্যবাধকতা বুঝেই যে সমস্যা সমাধানের পথে হাঁটা হচ্ছে, তাও এদিন স্পষ্ট হয়।

    ওঁদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দেওয়া হোক। আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা জোর করে চাপিয়ে দিতে পারি না। তাই কথা চালিয়ে যাওয়া হবে। -- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যমন্ত্রী

    মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে মোর্চাও। বিনয় তামাং বলেন, ‘আমরা পাহাড়ে গিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব ৷’

    First published: