অন্ত্যেষ্টির পরেও জীবিত মাম্পি!

অন্ত্যেষ্টির পরেও জীবিত মাম্পি!

শ্রাদ্ধের পর সশরীরে ফিরে এল মাম্পি। মিরাক্যল না রহস্য নাকি পুরো ঘটনাটাই সাজানো।

শ্রাদ্ধের পর সশরীরে ফিরে এল মাম্পি। মিরাক্যল না রহস্য নাকি পুরো ঘটনাটাই সাজানো।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতাঃ অন্ত্যেষ্টির পরে জীবিত। শ্রাদ্ধের পর সশরীরে ফিরে এল মাম্পি। মিরাক্যল না রহস্য নাকি পুরো ঘটনাটাই সাজানো। অবাক পরিবার থেকে পুলিশ। ঝাউবন থেকে দেহ উদ্ধার করে পরিবার। পরে তার শ্রাদ্ধও হয়। কিন্তু তদন্তে নেমে দাসপুর থানার পুলিশ কলকাতার কৈখালি থেকে উদ্ধার করে মাম্পিকে। তবে যাকে ঘিরে এত রহস্য, সে কোনও কথাই বলেনি।

     সত্যি না স্বপ্ন... ভাবছেন মাম্পি দলুইয়ের পরিবার। আট অগাস্ট আগে বাড়ি থেকে একটু আসছি বলে বেরিয়েছিলেন কিশোরী মাম্পি দলুই। সন্ধে গড়িয়ে রাত হয়ে গেলেও ফিরে আসেননি মাম্পি। নিখোঁজ ডায়েরি করেছিল তার পরিবার। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাম্পির নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় জড়িয়ে এলাকার মহিলা টুম্পা পাল। তাকেই শেষবার দেখা গেছিল মাম্পির সঙ্গে। ক্ষিপ্ত জনতা টুম্পাকে মারধর করে তুলে দেয় পুলিশের হাতে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই মৃত মাম্পির খোঁজ পায় পুলিশ।

    কৈখালির একটি বাড়ি থেকে মাম্পিকে উদ্ধার করে। এই ঘটনায় আগে গ্রেফতার করা হয় তিন যুবককে। আজ ওই তিন যুবক ও মাম্পিকে তোলা হয় ঘাটাল আদালতে। সূত্রের খবর, মাম্পির যার সঙ্গে সম্পর্ক সেই বাচ্চু আলিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাম্পিকে পাঠানো হয় একটি সরকারি হাসপাতালে। আর এসব দেখে মাম্পির বাড়ির লোক হতবাক।

    কিন্তু ঠিক কী হয়েছিল... তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশের অনুমান, প্রেম ঘটিত কারণের জন্যই মাম্পি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। আর তাকে সাহায্য করেছিলেন টুম্পা পাল নামে ওই মহিলা। তবে মাম্পি বা টুম্পাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এখন প্রশ্ন উঠছে, মাম্পি যদি বেঁচেই থাকে, তাহলে দিঘার ঝাউবন থেকে যার দেহ উদ্ধার হল সে কে, মাম্পির পোশাক দেখেই প্রাথমিক ভাবে মাম্পির দেহ বলে চিহ্নিত করেছিল তার পরিবার। তাহলে কি সেখানেও অন্য কোনও রহস্য আছে। সন্দেহ দানা বাঁধছে মাম্পির পরিবারের ভূমিকা নিয়েও।
    First published: