corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘ হ্যাকার-হানা ’ নিয়ে এখনও অন্ধকারে বিজ্ঞানী-ইঞ্জিনিয়াররা !

‘ হ্যাকার-হানা ’ নিয়ে এখনও অন্ধকারে বিজ্ঞানী-ইঞ্জিনিয়াররা !

সাইবার ক্রাইম সারা বিশ্বের তেমনই একটা গভীর সমস্যা ৷ কখন, কী ভাবে হ্যাকার-হানা হবে, বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়াররা এখনও তা বুঝে উঠতে পারছেন না !

  • Share this:

#কলকাতা: সারা বিশ্বে প্রযুক্তি যতোই আধুনিক হয়েছে, সমস্যা ততোই বেড়েছে ৷ কোনও ভাল জিনিসের সঙ্গে খারাপ দিকটাও  যে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তা হয়তো আমাদের কারোরই অজানা নয় ৷ সাইবার ক্রাইম সারা বিশ্বের তেমনই একটা গভীর সমস্যা ৷ কখন, কী ভাবে হ্যাকার-হানা হবে, বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়াররা এখনও তা বুঝে উঠতে পারছেন না !

সম্প্রতি বণিকসভা অ্যাসোচ্যাম আয়োজিত একটি আলোচনা সভায়  হ্যাকিং সমস্যার কথাই তুলে ধরা হয়েছে ৷ বিশ্বের বড় বড় সংস্থা তো বটেই আমজনতার সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টাও গুরুত্বপূর্ণ ৷ ব্যাঙ্ক জালিয়াতি থেকে শুরু করে ই-মেল, সোশ্যাল মিডিয়া সাইট হ্যাকিংও সমান হারে চলছে ৷ এর জন্য বিপদের মুখে পড়ছে আমজনতাও ৷  হ্যাকিংয়ের ক্ষেত্রে সুরক্ষা বাড়াতে চালু হচ্ছে সাইবার বিমা ৷

বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলছেন, আমজনতার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক হওয়াটাই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। তাতে ব্যক্তিগত জীবন গোপন রাখতে পারবেন তাঁরা। ব্যাঙ্ক জালিয়াতি-সহ আর্থিক অপরাধের হাত থেকেও নিস্তার পাবেন। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় সাইবার হানা হলে বিপদ ও আর্থিক ক্ষতি হয় অনেক বেশি। বিমা উপদেষ্টা সংস্থা ‘আইডিয়াল ইনসিওরেন্স ব্রোকারস’-এর চিফ অপারেশনস অফিসার রাহুল মোহতা জানাচ্ছেন, হ্যাকারদের দাপটে ইন্টারনেট এবং ক্লাউ়ড ব্যবহারকারী বাণিজ্যিক সংস্থাগুলির ঝুঁকি বেড়েছে। তাই সাইবার বিমা প্রয়োজন ৷ তথ্য-প্রযুক্তি-সহ যে কোনও সংস্থাই হ্যাকিংয়ের কবলে পড়লে তা থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা থাকছে তাতে ৷

Speaker- Prof. Rajat Moona

অ্যাসোচ্যামের সাইবার নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান অমিতকুমার দেব জানান,   ‘‘ যতো দিন যাচ্ছে হ্যাকাররাও তত উন্নতি করছে ৷ যে অ্যাটাক করছে সেটা লুকিয়ে লুকিয়ে করছে ৷  তাতে অনেকদিন পর্যন্ত বোঝাই মুশকিল হচ্ছে ৷ আগেকার দিনে যে সাইবার অ্যাটাক হত তাতে পোর্টালটা ব্রেক হয়ে যেত ৷ কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে গড়ে ২০০ দিন লেগে যাচ্ছে শুধু অ্যাটাকটা ডিটেক্ট করতেই ৷ এতে সমস্যা আরও বাড়ছে ৷ সাইবার সুরক্ষার জন্য প্রযুক্তির মান যতো দ্রুত এগোচ্ছে, তার থেকে হ্যাকারদের গতি বেশি ৷ তাই কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই হ্যাক হয়ে যাচ্ছে সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ নথি ৷ এটা রোধ করতেও খরচ হচ্ছে অনেক বেশি ৷ ’’

তাহলে এই সমস্যার সমাধান কি কোনওদিন হবে না ? উত্তরটা বিশেষজ্ঞদের কাছেও নেই ৷  ফায়ার আইয়ের মতো মার্কিন সংস্থা হ্যাকিং প্রতিরোধে দিন-রাত কাজ করছে ৷ কিন্তু তাদের থেকেও গতি অনেক বেশি হ্যাকারদের ৷ একবার এমন হয়েছিল যে সংস্থার তথ্য যে হ্যাকড হয়েছে, তা ৫০০ দিন ধরে জানাই গেল না ৷ কিন্তু তারপর যখন ধরা পড়ল, তখন জানা গেল ২০০ দিন আগেই ‘হ্যাকড’ হয়ে গিয়েছে ৷ সেটা ধরার পর ৭০ দিন হ্যাকর ডিটেক্ট করতেই কালঘাম ছুটে যায় সংস্থার ৷ এর জন্য খরচও হয় বিপুল ৷

First published: August 13, 2016, 11:14 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर