• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • AFTER CLASH WITH MADAN MITRA FOLLOWERS CBI RETURNED WITHOUT GIVING THE CASE NOTICE

মদন অনুগামীদের সঙ্গে বচসা, মামলার কপি না দিয়েই ফিরল CBI

হাইকোর্টে মদন মিত্রের জামিন খারিজের আবেদন করল সিবিআই। মদন মিত্র যে এখনও প্রভাবশালী তা বোঝাতে, মদনের জামিনের দিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্যকেও সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

হাইকোর্টে মদন মিত্রের জামিন খারিজের আবেদন করল সিবিআই। মদন মিত্র যে এখনও প্রভাবশালী তা বোঝাতে, মদনের জামিনের দিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্যকেও সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: হাইকোর্টে মদন মিত্রের জামিন খারিজের আবেদন করল সিবিআই। মদন মিত্র যে এখনও প্রভাবশালী তা বোঝাতে, মদনের জামিনের দিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্যকেও সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টে আবেদন নিয়ে আজ নাটকীয়তার অভাব ছিল না। মদন মিত্রের কাছে মামলার নোটিস পৌঁছে দিতে গেলে হোটেলে, মদন অনুগামীদের সঙ্গে বচসা বাধে। শেষপর্যন্ত কপি না দিয়েই ফিরে যান গোয়েন্দারা।

    গত ৯ সেপ্টেম্বর মদন মিত্র জামিন পাওয়ার পর আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের করা এক মন্তব্যকে হাতিয়ার করল সিবিআই ৷ সেদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলছিলেন, ‘যদি কেউ খুনেও অভিযুক্ত থাকে, তিনিও ৩ মাস পর জামিন পান ৷ মদন মিত্রকে ৬২৯ দিন বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে আটকে রাখা হয়েছে ৷ আমরা স্তম্ভিত, দুঃখিত ৷ মদনের মতো সমাজসেবীকে জেলে থাকতে হল৷ দলের নির্বাচনেও নিজে অংশ নিতে পারলেন না ৷ তবুও একজন নেতা হিসেবে দলের পাশে ছিলেন ৷ মদন মিত্র তৃণমূল নেত্রীর পাশে ছিলেন ৷’

    মঙ্গলবার, আলিপুর জেলা ও দায়রা আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মদন মিত্রের জামিন খারিজের আবেদন করে সিবিআই। আবেদনে জুড়ে দেওয়া হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্যও। যদিও, তিনি যে প্রভাবহীন তা বোঝাতে মরিয়া মদন মিত্র। এদিনও কামারহাটির পরাজিত প্রার্থী বলেন, ‘আমি প্রভাবশালী নই, অভাবশালী ৷’

    এর আগে, হাইকোর্টেই মদন মিত্রের জামিন খারিজের আবেদন করে সিবিআই। তাতে সফল হন তদন্তকারী অফিসাররা। ফের একবার একই আবেদন নিয়ে হাইকোর্টে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ২৫ পাতার আবেদনে লেখা হয়েছে, আলিপুর আলিপুর জেলা ও দায়রা আদালতের জামিনের নির্দেশ অবৈধ, অন্যায্য ও খামখেয়ালিতে ভরা। এই নির্দেশ বিচারবিভাগীয় ক্ষমতার অপব্যবহার। বিচারক আসল ঘটনা এড়িয়ে গিয়েছেন।

    মঙ্গলবার জামিন খারিজের আবেদন নিয়ে নাটক কম হয়নি। সিবিআই জামিনের নির্দেশের সার্টিফায়েড কপি পাওয়ার অপেক্ষায় ছিল। তা হাতে পাওয়ার জন্য শেষপর্যন্ত ময়দানে নামতে হয় আলিপুর জেলা ও দায়রা আদালতের রেজিস্ট্রারকে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের ধমক দেন তিনি। কপি পেতেই হাইকোর্টে মামলা করে সিবিআই। বিকেলে নোটিস হোটেলে পৌঁছে দিতে গেলে নতুন নাটক শুরু হয়। মদন অনুগামীদের সঙ্গে বচসা বাধে সিবিআইয়ের অফিসারদের। তাঁরা পাল্টা হুমকি দেন বলেও অভিযোগ। শেষপর্যন্ত মামলার নোটিস না দিয়েই ফিরে যান তদন্তকারীরা।

    তবে এতে সিবিআইয়েরই সুবিধা হল বলে মত বিশেষজ্ঞদের ৷ মদন মিত্র মামলার কপি গ্রহণ না করলে আদালতে নালিশ জানাবে CBI ৷ একইসঙ্গে এদিনের ঘটনায় মদন মিত্রকে প্রভাবশালী প্রমাণ করার একটি হাতিয়ার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিলেন মদনের অনুগামীরা ৷

    First published: