• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ফুডপাথ বনাম রেস্তোরাঁ

ফুডপাথ বনাম রেস্তোরাঁ

ফুডপাথের খাবারদাবারকে নাকি দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কলকাতার পথ খাবারে সমীক্ষা চালিয়ে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। দাবি এক ফুডপাথ প্রেমিকের।

ফুডপাথের খাবারদাবারকে নাকি দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কলকাতার পথ খাবারে সমীক্ষা চালিয়ে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। দাবি এক ফুডপাথ প্রেমিকের।

ফুডপাথের খাবারদাবারকে নাকি দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কলকাতার পথ খাবারে সমীক্ষা চালিয়ে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। দাবি এক ফুডপাথ প্রেমিকের।

  • ETV
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: ফুডপাথের খাবারদাবারকে নাকি দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কলকাতার পথ খাবারে সমীক্ষা চালিয়ে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। দাবি এক ফুডপাথ প্রেমিকের। এই খাবার তো রোজই খান। কোনও সমস্যা তো হয় না। দিব্যি আছেন। ভবিষ্যতে খেয়েও যাবেন। জানাচ্ছেন প্রতিদিনের এক খাদ্যরসিক।

    এতো গেল স্বাস্থ্যের দিক। আর পকেট ? দেখে নেওয়া যাক এক ঝলকে। ফুডপাথ বনাম রেস্তোরাঁ

                                                                   ফুডপাথ                                                                      রেস্তোরাঁ ভেজ-ননভেজ চাউমিন        ২০-৪০ টাকা                                                           ১০০ টাকা ধোসা-ইডলি                                     ২০ টাকা                                                                  ৪৫ টাকা মোমো                               ৩০ টাকা                                                                                      ৮০-১০০ পরোটা-আলুরদম/ঘুগনি          ১০ টাকা                                                                ৫০ টাকা এগ রোল/চিকেন রোল        ২০-৩০ টাকা                                                  ৩০-৪০ টাকা বিভিন্ন স্যান্ডউইচ                      ২০-৩০ টাকা                                                ৫০-৬০ টাকা      ভেজ থেকে মিক্সড চাউমিন, সাকুল্যে পকেট থেকে খসবে কুড়ি থেকে চল্লিশ টাকা। যা রেস্টুরেন্টে খেলে ট্যাক্সসহ একশো ছুঁইছুঁই। আনলিমিটেড সম্বর আর চাটনি সহযোগে ধোসার জন্য গুনতে হবে মাত্র কুড়ি টাকা। জায়গাবিশেষে এ শহরেই যার দাম অন্তত চল্লিশ টাকা।

    নামজাদা বহুজাতিক সংস্থার কাউন্টারে সাদা টিস্যুপেপারের আদরে মোড়া মোমো, আশি থেকে একশো টাকা দাম তো হবেই। আর ফুডপাথে লাল চাটনি সহযোগে গরমাগরম পাঁচ পিস মোমো, খুব বেশি হলে খরচ গোটা তিরিশ।

    ঘুগনি বা আলুরদম সহযোগে পরোটা খেতে গেলে মাত্র দশ টাকা খরচ করলেই চলে। রেস্তোরাঁয় যা খেলে দিতে হবে কমপক্ষে পঞ্চাশ টাকার মত।

    এগ রোল বা চিকেন রোলের ক্ষেত্রেও অন্তত দশ থেকে কুড়ি টাকার ফারাক ধরা পড়বেই। হালকা স্যান্ডইউচ খেতে চাইলেও তা পকেট ফ্রেন্ডলি।  এমন কত উদাহরণ যে আছে তার ইয়ত্তা নেই।

    স্বাদে-গন্ধে কোনও অংশে কম নয় ফুডপাথের খাবার। রেস্টুরেন্টে ভেজ বা নন-ভেজ থালি প্রকারভেদে একশো টাকার ধাক্কা। আর এখানে পেটচুক্তি। পরে ভাত নিলে সামান্য টাকা দিতে হলেও ডাল, তরকারি যতখুশি। সব শ্রেণির রোজগেরে মানুষের জন্যে একেবারে মানানসই।

    সারাদিনের বরাদ্দ যাতে কোনওভাবেই ধাক্কা না খায় সেদিকে তাকিয়েই দাম ঠিক করা হয়। না হলে টার্গেট গ্রুপ ধাক্কা খাবে যে। এখানেও অর্থনীতির সেই প্রাথমিক শিক্ষা।

    দিল খুশ কেরানি থেকে হেড আপিসের বড়বাবু সবার। মাস মাইনে যার যাই হোক। ফুডপাথের খাবার নিয়ে তেমন কোনও অভিযোগ নেই কারুর। আর এত ভ্যারাইটি তো বাড়ির হেঁসেলে মেলা দুষ্কর।

    তাই কলকাতার ফুডপাথের খাবার নিয়ে স্বাস্থ্য সচেতন লোকজন যতই হইচই করুন, সমর্থকদের পাল্লা সবসময়ই ভারী।

    First published: