কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

অবসাদে আচ্ছন্ন! ফেসবুকে পোস্টে আত্মহত্যার ইঙ্গিত, কলকাতা পুলিশের তৎপরতায় বাঁচল যুবকের প্রাণ

অবসাদে আচ্ছন্ন! ফেসবুকে পোস্টে আত্মহত্যার ইঙ্গিত, কলকাতা পুলিশের তৎপরতায় বাঁচল যুবকের প্রাণ
প্রতীকী ছবি

যুবকের ফোন বন্ধ থাকার প্রথমে তাঁর খোঁজ মিলছিল না । ফলে তাঁর ফেসবুক পোস্টের টাওয়ার লোকেশন ট্রাক করা হয় । বহু তল্লাশির পর সন্ধান মেলে ।

  • Share this:

#কলকাতা: দিন কয়েক ধরে আনমনা ছিলেন । ঠিক করে কথা বলছিলেন না  কারও সঙ্গেই । তার মধ্যেই প্রেমিকার সঙ্গে মনমালিন্য । সবমিলিয়ে অবসাদে আছন্ন বছর তেত্রিশের যুবক শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন নিজেকে । আর সেই ইঙ্গিতই ছিল তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে । সেই লেখা চোখে পড়ে তাঁর বন্ধুদের । তড়িগড়ি লালবাজারের কন্ট্রোলরুমে ফোন করে তা  জানানো হয় । শুরু হয় খোঁজ । পুলিশের তৎপরতায় বড়ুয়াপাড়া এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে লেখককে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে , যুবকের ফোন বন্ধ থাকার প্রথমে তাঁর খোঁজ মিলছিল না । ফলে তাঁর ফেসবুক পোস্টের টাওয়ার লোকেশন ট্রাক করা হয় । বহু তল্লাশির পর সন্ধান মেলে । কিন্তু ঘরের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে ততক্ষণে তিনি বিষ খেয়ে নিয়েছেন । কোনওরকমে পুলিশ ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার । অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার ক্রে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম   হাসপাতালে । সেখানেই প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় ।

পেশাগত ভাবে স্ক্রিপ্ট রাইটার ওই যুবক টলিউডের সঙ্গে যুক্ত । দক্ষিন কলকাতার রিজেন্ট পার্ক থানা এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকেন । এদিন ফেসবুক পেজে  আত্মহত্যার ইঙ্গিত মিলতেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ । জানতে পারে, তিনি বাজারে কিছু কিনতে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বাড়িয়েছিলেন তিনি, তারপর থেকে অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলে বাড়ি ফেরেনি । এরপর দ্রুততার সঙ্গে লালবাজার থেকে প্রথমে বিষয়টি জানানো হয় রিজেন্ট পার্ক থানায় । সেই খবর পেয়ে পুলিশ থেকে প্রথমে ওই যুবকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু যুবকের মোবাইল বন্ধ ছিল । তারপর ফেসবুকের সূত্র ধরেই তাঁর ওই যুবকের বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন সকলের সঙ্গে কথা বলা শুরু হয় । কিন্তু ওই যুবকের সন্ধান কোথাও মিলছিল না । এরপরেই সম্ভাব্য বেশ কিছু জায়গায় ওই যুবকের খোঁজ চালানো হয় । শেষপর্যন্ত বড়ুয়াপাড়ার একটি ঘরে তাঁর সন্ধান মেলে ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই স্ক্রিপ্ট রাইটার কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন । ইতিমধ্যেই পুলিশ তাঁর কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করেছে । প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, তাঁর সঙ্গে বান্ধবীর মনোমালিন্য হয়েছিল । তার পরেই সে আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয় ।

সম্প্রতি বলিউডের অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যার পর কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা আত্মহত্যা রোখার ব্যাপারে তৎপরতা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন । পাশাপাশি কলকাতার নাগরিকদেরো কোনও সমস্যায় খোলামেলাভাবে কথাবার্তা বলতে ১০০ ডায়ালে ফোন করে নিজেদের মনের কথা শেয়ার করার অনুরোধ জানিয়েছেন । তারপরেই এ দিনেই এই ঘটনায় পুলিশ যেভাবে তৎপর হয়ে উঠল , তাতে কলকাতা পুলিশের প্রশংসা করেছেন শহরের নাগরিকদের অনেকেই ।

Published by: Shubhagata Dey
First published: June 17, 2020, 2:21 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर