• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • করোনায় মৃত্যু পুলিশ কনস্টেবলের, কলকাতা পুলিশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯৫ জন

করোনায় মৃত্যু পুলিশ কনস্টেবলের, কলকাতা পুলিশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯৫ জন

করোনা মহামারি প্রতিদিনই আরও মারাত্মক আকার ধারণ করছে মহারাষ্ট্রে৷ এবার আক্রান্তের নিরিখে চিনকে ছাপিয়ে গেল মহারাষ্ট্র৷ শুধু তাই নয়, করোনায় মৃত্যুর সংখ্যার দিক দিয়ে পাকিস্তানকে টপকে গিয়েছে এই রাজ্য৷

করোনা মহামারি প্রতিদিনই আরও মারাত্মক আকার ধারণ করছে মহারাষ্ট্রে৷ এবার আক্রান্তের নিরিখে চিনকে ছাপিয়ে গেল মহারাষ্ট্র৷ শুধু তাই নয়, করোনায় মৃত্যুর সংখ্যার দিক দিয়ে পাকিস্তানকে টপকে গিয়েছে এই রাজ্য৷

করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল কলকাতা পুলিশের এক কনস্টেবলের। শনিবার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় মাঝবয়সী ওই পুলিশ কনস্টেবলের।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল কলকাতা পুলিশের এক কনস্টেবলের। শনিবার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় মাঝবয়সী ওই পুলিশ কনস্টেবলের। পরিসংখ্যান বলছে, এই প্রথম করোনা আক্রান্ত হয়ে কলকাতা পুলিশের কোনও কর্মীর মৃত্যু হল। লালবাজার সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের মোট ১৯৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। যাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন ৯০ জন। লালবাজার সূত্রের খবর, ওই পুলিশ কনস্টেবল সাউথ ডিভিশনের রিজার্ভ অফিসে পোস্টিং ছিলেন। সেখান থেকে তাকে ডেপুটেশনে শেক্সপিয়ার সরণি থানায় ডিউটি দেওয়া হয়েছিল। কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (সদর) শুভঙ্কর সিনহা সরকার ওই কনস্টেবলের করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছেন। যদিও শেক্সপিয়ার সরণি থানার ওসি অমিতের সরকারের দাবি, ওই কনস্টেবল তার থানায় ডিউটি করতেন না। শিলিগুড়ির ফাসিঁদেওয়া থানা এলাকায় বাড়ি ওই পুলিশ কনস্টেবলের। স্ত্রী অসুস্থ থাকার জন্য গত ২৮ মে কলকাতা থেকে বাসে করে বাড়ি যান। ১ জুন শিলিগুড়ি থেকে ফিরে ডিউটিতে যোগ দেন। সেদিন তাঁর শরীরে কোনও উপসর্গ না থাকলেও থানার অন্যান্য পুলিশকর্মীদের সঙ্গেই তার কোভিড-১৯ টেস্ট হয়। পরদিনই কিছু উপসর্গ দেখা দেয় তার। টেস্টের পর দিনই জ্বর আসায় তাঁকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৩ জুন টেস্ট রিপোর্ট এলে জানা যায় ওই পুলিশ কনস্টেবল করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসা শুরু হয় তার। কিন্তু শনিবার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান। এদিকে, শনিবার পর্যন্ত কলকাতা পুলিশে মোট করোনা আক্রান্ত কর্মীর সংখ্যা ডাবল সেঞ্চুরির পথে পৌঁছলেও প্রায় ৯০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলে জানা গিয়েছে। বেশিরভাগই ডিউটিতেও যোগ দিয়েছেন। ফলে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়তে থাকলেও সুস্থতার পরিসংখ্যান স্বস্তিতে রেখেছে লালবাজারকে। তবে কনস্টেবলের মৃত্যুতে নতুন করে লালবাজার কিছুটা চাপে পড়ল বলেই মনে করছে পুলিশকর্মীদের একাংশ। কারণ, সম্প্রতি পুলিশ ট্রেনিং স্কুল, গড়ফা থানা ও চতুর্থ ব্যাটেলিয়ানে যে নজিরবিহীন কর্মী বিক্ষোভ দেখা গিয়েছিল তার কারণও ছিল করোনা সংক্রান্ত বিষয়। সুরক্ষা সামগ্রী ও চিকিৎসা ঠিকমতো মিলছিল না, সেই অভিযোগে বিক্ষোভ দেখায় কর্মীদের একাংশ। যদিও তারপর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে লালবাজার। পুলিশকর্মীদের মধ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় উদ্বিগ্ন খোদ পুলিশ কমিশনার। তিনি প্রত্যেক পুলিশকর্মীকে কোভিড প্রটোকল মেনে ডিউটি করার পরামর্শ দিয়েছেন। মাস্ক, গ্লাভস, স্যানিটাইজার নিয়ে ডিউটি করতে বলা হয়েছে।

Published by:Akash Misra
First published: