• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • KOLKATA POLICE BUSTED DRUG RACKET DETECTIVE DEPARTMENT INVESTIGATING SDG

Kolkata Drug Racket|| পার্কস্ট্রিটের অভিজাত হোটেলের নৈশপার্টিতে মাদক যোগ! গোয়েন্দাদের তদন্তে চাঞ্চল্যকর মোড়

পার্কস্ট্রিটের অভিজাত হোটেলের নৈশপার্টিতে মাদক যোগ।

পার্কস্ট্রিটের অভিজাত হোটেলের নৈশ পার্টিতে মাদক যোগ। ওই পার্টিতে মাদক চক্রের হদিশ পেল লালবাজার।

  • Share this:

    #কলকাতা: পার্কস্ট্রিটের অভিজাত হোটেলের নৈশ পার্টিতে মাদক যোগ। ওই পার্টিতে মাদক চক্রের হদিশ পেল লালবাজার। চক্রীদের খোঁজ চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। করোনা পরিস্থিতিতে বিপর্যয় মোকাবিলা আইন ভেঙে কীভাবে হোটেলের ঘর ও কোরিডর ব্যবহার করে শনিবার মধ্য রাত পর্যন্ত পার্টি হল, তা নিয়ে ইতিমধ্যে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করছে। তদন্তেই মাদক চক্রের যোগ উঠে এসেছে বলে পুলিশ সূত্রে দাবি।

    তবে কে বা কারা মাদক সরবরাহ করত, তা নিয়ে এখনই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে নারাজ পুলিশ কর্তারা। তদন্তকারীদের মতে, পানীয়র সঙ্গে মিশিয়ে মাদক নিয়ে থাকতে পারে ধৃতেরা। এ ক্ষেত্রে ইয়াবা ট্যাবলেট জাতীয় মাদকের ব্যবহারের কথা উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যে ওই হোটেলের কোরিডরের যেখানে পার্টি হয়েছিল, সেখান থেকে পানীয়র অবশিষ্ট অংশ নমুনা হিসেবে সংগ্রহ করেছে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। তা পাঠানো হয়েছে পরীক্ষাগারে।পাশাপাশি, পুলিশ হেফাজতে থাকা অভিযুক্তদের জেরা করেও মাদক ব্যবহার সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য হাতে এসেছে। সেই তথ্যের সূত্র ধরেই পার্টিতে যারা মাদক সরবরাহ করেছে, তাদের খোঁজ শুরু হয়েছে।

    পুলিশ ইতিমধ্যে জানতে পেরেছে ওই দিন রাতের জন্য হোটেলের তিন ও চার তলায় মোট দশটি রুম বুক করা হয়েছিল। যারা এই রুম গুলি বুক করেছিলেন তাদের নামও ইতিমধ্যে পুলিশের হাতে এসে  পৌঁছেছে। হোটেলের রেজিস্ট্রেশন খাতা থেকে সেই তালিকা পেয়েছে পুলিশ। শুধু গত শনিবার নয়, বেশ কিছু দিন ধরেই ১২-১৫টি রুম বুক করে দেদার পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার কারা পার্টির আয়োজন করেছিলেন তাদের চিহ্নিত করার কাজ শেষ। এ বারে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিস পাঠাবে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। তদন্তকারীরা মনে করছেন এদের জিজ্ঞাসাবাদের পর মাদক চক্রের সদস্যদের সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে।

    পুলিশের দাবি, গত শনিবার যে দশটি রুম বুক হয়েছিল, তারমধ্যে অধিকাংশ রুম বুক হয়েছিল মেয়েদের নামে। এর পিছনেও একটা চক্র কাজ করেছে বলে মনে করছে লালবাজার। এই চক্রের সঙ্গে হোটেল কর্মীদের যোগ থাকতে পারে বলে অনুমান। ইতিমধ্যে হোটেলের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। হোটেলের কর্মকর্তাদের বুধবার তলব করা হয়েছে লালবাজারে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ আরও স্পষ্ট হতে চাইছে পার্টির আয়োজকদের সঙ্গে হোটেল কর্মকর্তাদের কতখানি যোগসাজস রয়েছে। কারণ তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে পার্টি আবহ তৈরিতে সরাসরি হোটেলের যোগ রয়েছে। করোনা আবহে কেন হোটেলের তরফে বাধা দেওয়া হল না, তা নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়তে চলেছে হোটেলের কর্তারা।

    AMIT SARKAR

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: