corona virus btn
corona virus btn
Loading

Unlock 1.0-এর দ্বিতীয় দিনে রাস্তায় নেমে চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

Unlock 1.0-এর দ্বিতীয় দিনে রাস্তায় নেমে চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

রাস্তায় এখন যানবাহনের সংখ্যা বেড়েছে অনেকটাই। শুরু হয়েছে সরকারি বাস পরিষেবা। কিন্তু নির্দেশ অনুযায়ী, সিট প্রতি এক জন করে যত গুলো সিট তত জন যাত্রী বাসে উঠতে পারবেন। অর্থাৎ, বাসে দাঁড়িয়ে কেউ আগের মতো সফর করতে পারবেন না

  • Share this:

#কলকাতা: চাকরির আর ৬ মাস বাকি। লকডাউনের পর প্রথম দিন অফিস যাবেন বলে সকাল-সকাল বাড়ি থেকে বেড়িয়েছিলেন তপন কান্তি সেনগুপ্ত। কিন্তু বাড়ি থেকে বেরিয়ে ৩ ঘণ্টাতেও পৌঁছনো গেল না হাওড়া। এরকমই একাধিক দুর্ভোগের চিত্র ধরা পড়ল গোটা শহর জুড়ে।লকডাউনের পঞ্চম পর্বে সরকার বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাড়া দিয়েছে। কয়েক দিন আগের চিত্রটা এখন অনেকটাই বদলে গিয়েছে। রাস্তায় এখন যানবাহনের সংখ্যা বেড়েছে অনেক। শুরু হয়েছে সরকারি বাস পরিষেবা। কিন্তু নির্দেশ অনুযায়ী, সিট প্রতি এক জন করে যত গুলো সিট তত জন যাত্রী বাসে উঠতে পরবে। অর্থাৎ বাসে দাঁড়িয়ে আগের মতো সফর করতে পারবেন না কোনও যাত্রী। ফলে অফিস টাইমে স্ট্যান্ড থেকেই ভর্তি হয়ে যাচ্ছে বাস।

স্বাভাবিক ভাবেই মাঝ রাস্তায় কোনও যাত্রী বাসে ওঠার সুযোগ পাচ্ছেন না। যদি কোথাও কোনও যাত্রী বাস থেকে নামেন, তখন কন্ডাক্টর মাঝ রাস্তায় যাত্রী তুলছেন। সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি-ই বাসে উঠতে সক্ষম হয়েছেন, যিনি দৌঁড়ে বা গায়ের জোরে অন্যদের পিছনে ফেলতে পেরেছেন। ফলে মাঝ রাস্তায় বাস ধরার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে মানুষকে। চরম ভোগান্তিতে বিশেষত  মহিলা এবং বয়স্করা। যেমন, তপন কান্তি সেনগুপ্ত। তিনি থাকেন ভিআইপি বাজারে। এই বছরের শেষে অবসর নেওয়ার কথা তপনবাবুর। লকডাউন শুরু হওয়ার আগে শেষবার হাওড়ায় অফিসে গিয়েছিলেন । তারপর এদিন সকাল ৮.৩০ নাগাদ বাড়ি থেকে বের হন অফিস যাওয়ার জন্য। এক ঘণ্টা ভিআইপি বাজারে বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থেকে পরপর চারটি কামালগাজি থেকে হাওড়া যাওয়ার S24 রুটের  বাসে উঠতে পারেননি তপনবাবু। এরপর ঠিক করেন কোনও ভাবে হাজরা মোড় বা রাসবিহারী পৌঁছতে পারলে তাঁর পক্ষে অফিস পৌঁছনো সহজ হবে। কাজেই উল্টো দিক থেকে টালিগঞ্জ যাওয়ার একটি বাসে উঠে রাসবিহারী পৌঁছন। কিন্তু সেখানেও একই অবস্থা। যে-বাস গুলো আসছে তাতে কোনও আসন ফাঁকা নেই, যদি বা দু-একজন যাত্রী উঠছেন, তাঁও প্রবল ধাক্কাধাক্কি করে ! শেষ পর্যন্ত দু'ঘণ্টা সেখানে দাঁড়িয়ে থেকে একটি E1 রুটের বাসে উঠে হাওড়ার দিকে রওনা দেন প্রৌঢ়।

একই সমস্যায় পড়েন ঢাকুরিয়ার দেবযানী রায়। ডালহৌসিতে একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন তিনি। হাতে বেশ কিছুটা সময় নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছিলেন। কিন্তু বাস স্ট্যান্ডে এসে এক ঘণ্টারও বেশি সময় দাঁড়িয়ে থেকে বাসে উঠতে সক্ষম হননি। শেষ পর্যন্ত ট্যাক্সি ধরে অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দেন ।

Published by: Rukmini Mazumder
First published: June 2, 2020, 11:03 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर