কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

প্রাক্তন মেয়রের ওয়ার্ডে মশা মারতে ড্রোন ওড়াল কলকাতা পুরসভা, তদারকি করলেন রত্না

প্রাক্তন মেয়রের ওয়ার্ডে মশা মারতে ড্রোন ওড়াল কলকাতা পুরসভা, তদারকি করলেন রত্না
  • Share this:

বিশ্বজিৎ সাহা

#কলকাতা: মশা মারতে ড্রোন। এবার কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মশার লার্ভা নষ্ট করার কাজটা করবে ড্রোন "বিনাশ"। প্রাক্তন মেয়র এর ওয়ার্ডে সেই কাজ নিজে দাঁড়িয়ে থেকে দেখেন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ।

কলকাতা পুরসভার সবথেকে বেশি ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডে। বেহালার সেই ওয়ার্ডে ড্রোন উড়িয়ে মশার লার্ভা নষ্ট করার ওষুধ স্প্রে করা হল।

প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে সেই কাজ দেখলেন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। কলকাতা পুরসভা এর আগেই ১২ টি ওয়ার্ড চিহ্নিত করেছিল। যে ওয়ার্ডগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি। তার মধ্যে অন্যতম ১৩১ নম্বর ওয়ার্ড। ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় আধবোজা অবস্থায় রয়েছে পুকুর, রয়েছে জলা জমি ও জঙ্গলে ঢাকা এলাকা। আর এ জন্যই মশা এবং ডেঙ্গি রোগের বাড়বাড়ন্ত, স্বীকার করলেন প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অবর্তমানে এখন রত্না দেবী ওয়ার্ড দেখাশোনা করেন।

দীর্ঘদিন কাউন্সিলরের অনুপস্থিতিতেই যে ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত কার্যত স্বীকার করে নিলেন মেয়র পারিষদ স্বাস্থ্য অতীন ঘোষ। এবার থেকে যে সমস্ত ওয়ার্ডের কর্মীরা পৌঁছতে পারেন না এমন জায়গাতেই জরুরি এই মশার লার্ভা নষ্ট করবে কলকাতা পুরসভা জানালেন অতীনবাবু। পরীক্ষামূলক ভাবে কলকাতা পুরসভার ছাদে প্রথম ড্রোন উড়িয়ে মশার লার্ভা নষ্ট করার প্রক্রিয়া সরেজমিনে দেখেন ডেপুটি মেয়র ও মেয়র পরিষদ স্বাস্থ্য অতীন ঘোষ। তারপর থেকে আরও কুড়িটি বিভিন্ন জায়গায় ড্রোন উড়ে গিয়ে মশার লার্ভা নষ্ট করেছে। আজ ফের ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডে এসে সেই কাজ সরেজমিনে দেখেন অতীন ঘোষ। জানান, এরপর থেকে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে যে সমস্ত জায়গায় কর্মীরা পৌঁছতে পারবেন না, সেখানে ড্রোন ‘বিনাশ’ পৌঁছে যাবে। ড্রোন উড়িয়ে মশা মারার কাজ দেখতে ভিড় জমান এলাকার সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে অনেকেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন। থাকতে হয়েছিল হাসপাতালেও। বারবার বলেও যখন পুরসভা আসে না তখন এভাবে নতুন প্রযুক্তিতে মশা মারতে দেখে তাঁরাও আশ্বস্ত।

Published by: Simli Raha
First published: December 10, 2019, 10:16 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर