• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • কলকাতার রাস্তার সব আলো পরিবর্তন করতে চলেছে পুরসভা !

কলকাতার রাস্তার সব আলো পরিবর্তন করতে চলেছে পুরসভা !

কলকাতার বিভিন্ন রাস্তা এবং ৩০ টি পার্কের সব আলো এবার পরিবর্তন করতে চলেছে পুরসভা

কলকাতার বিভিন্ন রাস্তা এবং ৩০ টি পার্কের সব আলো এবার পরিবর্তন করতে চলেছে পুরসভা

কলকাতার বিভিন্ন রাস্তা এবং ৩০ টি পার্কের সব আলো এবার পরিবর্তন করতে চলেছে পুরসভা

  • Share this:

    #কলকাতা: মহানগরের সৌন্দর্যায়ন নিয়ে যে কোনওরকম আপোস করতে রাজী নয় কলকাতা পুরসভা, সেটা আরও একবার প্রমাণ পাওয়া গেল ৷  কলকাতার বিভিন্ন রাস্তা এবং ৩০ টি পার্কের সব আলো এবার পরিবর্তন করতে চলেছে পুরসভা। পরিবর্তে কোথাও লাগানো হবে এলইডি আলো, আবার কোথাও ব্যবহার করা হবে সৌরশক্তির।

    নতুন এই উদ্যোগের ফলে এক লাফে পুরসভার মাসে প্রায় আট কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল কমে যাবে বলেই দাবি পুরসভার । পাশাপাশি এই সিদ্ধান্তে পরিবেশের উপরও বড় প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কলকাতাকে গ্রীন সিটিতে পরিনত করতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১৫০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যে ৪০ কোটি টাকা হাতে এসেছে পুরসভার। তা দিয়েই শুরু হয়েছে কাজ।

    শহরে ১৫টি বোরো মিলিয়ে ২৪৬৭০০ কাছাকাছি স্ট্রিট লাইট রয়েছে, যে গুলোর মূলত ভেপার এবং সোডিয়াম আলো। পুরসভার পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এই আলো গুলো বদলে লাগানো হবে প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৩০ হাজার এলইডি আলো। ফলে পুরসভার মাসিক বিল এক ধাপে কমবে প্রায় ৩০ শতাংশ।

    কলকাতা পুরসভার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ বর্তমানে পুরসভা এলাকার মধ্যে রাস্তার ৪৫ ওয়াটের ভেপার এবং সোডিয়াম লাইট ব্যবহার হয়। এতে প্রতি মাসে পুরসভার বিদ্যুৎ বিল হয় ১২ কোটি টাকা। পরিকল্পনা অনুসারে এবার লাগানো হবে ১৮০ ওয়াটের এলইডি লাইট। নতুন এই ব্যবস্থা চালু হলে তা কমে হবে মাত্র চার কোটি।’’

    পাশাপাশি শহরের বেশ কিছু রাস্তা এবং ৩০টি পার্ককে সৌরশক্তির সাহায্যে আলোকিত করার উদ্যোগ নিয়েছে পুরসভা। তার জন্য মডেল হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে দেশপ্রিয় পার্ককে। সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ প্রযুক্তির ।

    এই পরিকল্পনাকে সফল রূপ দিয়েছেন সৌর বিজ্ঞানি এসপি গন চৌধুরী। তিনি জানান, ‘‘ কার্বন নিউটিলিটি ম্যানেজার পদ্ধতিতে স্থানীয় ভাবে গ্রিড তৈরি করা হয়েছে। যার ফলে দিনে সূর্যের আলো থেকে তৈরি বিদ্যুৎ আর ব্যাটারিতে সঞ্চিত রাখতে হয় না। তাই পুর ব্যবস্থাটি আধুনিক এবং ব্যবহার করাও অনেক সহজ । তাঁর আরও দাবি, শুধুমাত্র দেশপ্রিয় পার্ককেই দিনে ৫০ কিলো ওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। তার জন্য প্রয়োজন হয় ৭০০ কেজি কয়লা । সৌরশক্তি ব্যবস্থা চালু হওয়ার ফলে প্রায় ৯০ শতাংশ কয়লা কম প্রয়োজন হচ্ছে। ফলে শুধুমাত্র দেশপ্রিয়পার্কের জন্য মাসে ৩৪ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল হত। যা এখন কমে হয়েছে মাত্র ছয় থেকে সাত হাজার টাকা । প্যারিস চুক্তি অনুসারে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের কার্বন উৎপাদন ৩৩ শতাংশ কমাতে বদ্ধপরিকর ভারত। তার জন্য একাধিক পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই পরিকল্পনার পায়ে পা মিলিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারও। তার প্রাথমিক কাজটা রাজ্য সরকার শুরু করেছে কলকাতা পুরসভা এলাকায়।

    রিপোর্টার: সৌজন মণ্ডল

    First published: