শহর সেজেছে ক্রিসমাসের আলোয়, তিলোত্তমা তৈরি বড়দিন উদযাপনে !

শহর সেজেছে ক্রিসমাসের আলোয়, তিলোত্তমা তৈরি বড়দিন উদযাপনে !

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। বাঙালির সব থেকে বড় উৎসব দুর্গাপুজো শেষ হতে না হতেই চলে আসে কালীপুজো বা দিওয়ালি।

  • Share this:

SREEPARNA DASGUPTA

#কলকাতা: বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। বাঙালির সব থেকে বড় উৎসব দুর্গাপুজো শেষ হতে না হতেই চলে আসে কালীপুজো বা দিওয়ালি। সেই আনন্দ শেষ হওয়ার আগেই বাঙালি প্ল্যান করতে শুরু করে বড়দিনের জন্য। বাঙালির কাছে দূর্গা পুজো যতটা বড় উৎসব , অতটা যাক জমক পূর্ণ না হলেও,বড়দিনের জন্য সারা বছর অপেক্ষা করে থাকে সকলেই। ভোজন রসিক বাঙালির বড়দিনের কেক প্যাস্ট্রি ছাড়া আবার কিসের ক্রিসমাস? সান্তাবুড়ো ক্রিসমাস ট্রির সামনে রেখে সুন্দর করে বাড়ি সাজিয়ে চলে দেদার আনন্দ আর তার সঙ্গে ফ্রুট কেক বা বাড়িতে বানানো গরম গরম প্লেইন কেক । সবেতেই খুশি বাঙালি ।

বড়দিনের সময়টা বাড়িতে একটা ক্রিসমাস ট্রি থাকবেনা তাই আবার হয়ে নাকি? ছোটবেলা থেকেই আমরা কম বেশি এই গাছ সুন্দর করে সাজিয়ে রেখেছি আমাদের ঘরের কোনে।আর যারা নিয়মিত প্রতি বছর এই ক্রিসমাস ট্রি সাজিয়ে এসেছেন বা আলাদা আগ্রহ আছে তারা অব্যশই জানেন যে নিউ মার্কেটের একটা বড় অংশ জুড়ে বছরের এই সময়টা হরেক রকমের ক্রিসমাস ট্রি এবং গাছ সাজানোর সরঞ্জাম পাওয়া যায় । প্রতি বছরই থাকে নতুন কিছু আইটেম। এবছর ও ঢুঁ মারলাম দেখার জন্য যে বাজারে নতুন কি এসেছে।

এ বছরের নতুন চমক হলো ক্রিসমাস সাজানোর হরেক রকমের এলইডি লাইট। সেই আলোর ফুলঝুরি দেখলে রীতি মতন চোখে তারা লাগার জোগাড়। কথা বললাম এক বিক্রেতার সঙ্গে। জানতে চাইলাম এলইডি আলো তো আগে দেখিনি । এগুলো কোথা থেকে এসেছে? হেসে ভদ্রলোক জানালেন এই এলইডি এই বছর বড়দিনের নতুন চমক। এসেছে মহারাষ্ট্র থেকে দাম আছে একশো টাকা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত।এবারে আপনি যেমন কিনবেন তারপরে নির্ভর করছে কত দাম পরবে সেই আলোর। না,কিছু না কিনলেও বেশ লাগছে তারাবাতির মতন ছয়লাপ হয়ে থাকা আলোর সামনে খানিক দাঁড়িয়ে তা উপোভ করার সুযোগ ছাড়লাম না অবশ্য।

ঔ যে কেক এর কথা বলছিলামনা! হ্যাঁ সেই দারুন নাহুমের কেকের দোকানেও একবার না গিয়ে আর কি ভাবে বাড়ি ফিরে যাই।প্রতি বছরের মতন এ এবছর ও নাহমের স্পেশাল ক্রিসমাস ফ্রুট কেক, প্লাম কেক,চিজ কেক ,প্লেইন কেক সবই সাজানো ছিল থরে থরে।আর লাইনে ক্রেতারা দাঁড়িয়ে ছিলেন প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে। লাইন এ টার্ন আসার আগেই মেনু দেখে ঠিক করে নেওয়া এবারে বাড়ির জন্য কোন কেকটা নিয়ে যাওয়া হবে তার পরেই সোজা দোকানে ঢুকে কেক প্যাক করে বাড়ি গিয়ে সকলে মিলে বড় দিনের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া।

এই না হলে বাঙালির বড়দিন!​

First published: 08:55:57 PM Dec 23, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर