• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • করোনা খুলে দিল জামিন মামলার নতুন পথ ! জানুন কি সেই পথ...

করোনা খুলে দিল জামিন মামলার নতুন পথ ! জানুন কি সেই পথ...

এতদিন যা ছিলো চর্চার বিষয় তাই এখন বাস্তব।

এতদিন যা ছিলো চর্চার বিষয় তাই এখন বাস্তব।

এতদিন যা ছিলো চর্চার বিষয় তাই এখন বাস্তব।

  • Share this:

#কলকাতা: এতদিন যা ছিলো চর্চার বিষয় তাই এখন বাস্তব। জামিন চাইতে হাইকোর্টে পৌঁছেই শেষ হতো না লড়াই। জুতোর শুকতলা খুইয়ে আইনজীবীর সাহায্যে মামলার শুনানি করতে কালঘাম ছুটে যেতো বিচারপ্রার্থীর। শুনানি হলেও তারিখ পর তারিখের ছিলো দস্তুর। সেইসব নিয়মের বেড়াজাল ভেঙে জামিন বা আগাম জামিন যখন মিলতো তখন সময় গড়িয়ে যেতো অনেকটাই। বলে রাখা ভালো হাইকোর্ট বা নিম্ন আদালত গুলির সব মামলাতেই এমন অভিজ্ঞতা হয় না।  তবে দীর্ঘসূত্রিতার গেরো থেকেই যেতো। করোনা মোকাবিলায় রাজ্যের আদালতগুলোতে গোষ্ঠী সংক্রমণ আটকাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে একাধিক। হাইকোর্ট,  জেলা আদালত, মহকুমা আদালতে এখন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জরুরি মামলার শুনানি চলছে। কলকাতা হাইকোর্টে ভিডিও কনফারেন্সে মামলা হওয়ার সংখ্যা বেশি। পরিকাঠামোগত সুবিধা থাকায় কলকাতা হাইকোর্টে ভিডিও কনফারেন্সে একাধিক মামলার শুনানি এবং নির্দেশ দান  হয়েছে। ৮ এপ্রিল হাইকোর্টে ৪৫ টি জামিন মামলার শুনানি হয়। হাইকোর্ট জরুরি জামিন মামলার শুনানি জন্য কিছু পদ্ধতি নির্দিষ্ট করে দিয়েছে।

মামলাকারী জরুরি মামলার গুরুত্ব বোঝাতে ই-মেল করবেন আবেদন। আবেদন বিবেচনা করবেন বিচারপতিরা। জরুরি মামলার তকমা পেলেই হাইকোর্টের নোটিশ প্রদানের নির্দেশ। কেস ডায়েরি ছাড়াই অভিনব উপায়ে হচ্ছে জরুরি মামলার শুনানি। জরুরী মামলার নোটিশ রাজ্য পুলিশের ডিজি দফতের  নির্দিষ্ট করা একটি ই-মেলে প্রথম পৌঁছাচ্ছে। ডিজি দফতর সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপারের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে মামলার ই-মেল। এসপি অফিস সংশ্লিষ্ট থানার কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছে জরুরি জামিন মামলার নোটিশ। লকডাউন চলায় কেস ডায়েরি হাইকোর্টে পৌঁছাতে প্রয়োজন পড়ছে না। জামিনের আবেদন খতিয়ে দেখে নোট তৈরি করছেন সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী অফিসার। স্থানীয় থানার অফিসার ইন চার্জের অনুমতিক্রমে জামিনের বিরোধিতা নোট ই-মেল করে সরাসরি পাঠিয়ে রাখছেন হাইকোর্ট ই-মেইল ঠিকানায়। তদন্তকারী অফিসারদের সঙ্গে জুড়তে হচ্ছে একটি কন্টাক্ট নাম্বার। প্রয়োজনে সেই নম্বরে ফোন অথবা ভিডিও কল করে বাকি অনুসন্ধান প্রক্রিয়া সেরে নিচ্ছে হাইকোর্ট প্রশাসন। ফলতঃ মামলার কেস ডায়েরি হাইকোর্টে না পৌঁছালেও শুনানি হচ্ছে। সরকারি আইনজীবী তেমন প্রয়োজন হচ্ছে না। করেনা লকডাউন পরিস্থিতিতে অতিপ্রয়োজনীয় জামিনের মামলার এইভাবেই শুনানি করছে কলকাতা হাইকোর্ট। উপকৃত হচ্ছেন বিচারপ্রার্থীরা। তবে জঘন্যতম অপরাধে অভিযুক্তরা বাড়তি কোনও সুবিধা নিচ্ছে না তো? এমন প্রশ্নও কিছু থাকছে।জেলার আদালতগুলোতে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো না থাকায় ভিডিও কনফারেন্সের তেমন শুনানি হচ্ছেই না। আইনজীবী অনির্বান গুহ ঠাকুরতা কথায়, "লকডাউনে ন্যূনতম কনফারেন্স টুকু করতে পারছিনা। নিম্নআদালতে ভিডিও কনফারেন্সে শুনানির তেমন পরিকাঠামো কই। দিন যত বাড়ছে তৈরি হচ্ছে হতাশা আর বাড়ছে ক্ষতি।"

ARNAB HAZRA 

Published by:Piya Banerjee
First published: