• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • উদ্ধার আরও ২টি দেহ, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭

উদ্ধার আরও ২টি দেহ, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭

মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। পোস্তার উড়ালপুলের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হল আরও দু’জনের দেহ ৷ এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭ ৷ প্রতি মূহূর্তেই মনে হয়েছে এই বুঝি শেষ হল। তার পরের মূহূর্তেই আরও একবার ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হচ্ছে দেহ। পোস্তা উড়ালপুলের ধ্বংসাবশেষ থেকে কালীকৃষ্ণ ঠাকুর স্ট্রিটে ছড়িয়েছে তীব্র দুর্গন্ধ। যার জেরে নতুন করে আরও কিছু দেহ থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে ৷ উদ্ধারকারী পুলিশকর্মীদের মতে, মানুষ না হলেও কোনও পশুর দেহও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে থাকতে পারে , যার থেকে ছড়াতে পারে দুর্গন্ধ ৷ এর জেরে নতুন করে জোরকদমে শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ

মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। পোস্তার উড়ালপুলের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হল আরও দু’জনের দেহ ৷ এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭ ৷ প্রতি মূহূর্তেই মনে হয়েছে এই বুঝি শেষ হল। তার পরের মূহূর্তেই আরও একবার ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হচ্ছে দেহ। পোস্তা উড়ালপুলের ধ্বংসাবশেষ থেকে কালীকৃষ্ণ ঠাকুর স্ট্রিটে ছড়িয়েছে তীব্র দুর্গন্ধ। যার জেরে নতুন করে আরও কিছু দেহ থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে ৷ উদ্ধারকারী পুলিশকর্মীদের মতে, মানুষ না হলেও কোনও পশুর দেহও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে থাকতে পারে , যার থেকে ছড়াতে পারে দুর্গন্ধ ৷ এর জেরে নতুন করে জোরকদমে শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ

মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। পোস্তার উড়ালপুলের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হল আরও দু’জনের দেহ ৷ এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭ ৷ প্রতি মূহূর্তেই মনে হয়েছে এই বুঝি শেষ হল। তার পরের মূহূর্তেই আরও একবার ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হচ্ছে দেহ। পোস্তা উড়ালপুলের ধ্বংসাবশেষ থেকে কালীকৃষ্ণ ঠাকুর স্ট্রিটে ছড়িয়েছে তীব্র দুর্গন্ধ। যার জেরে নতুন করে আরও কিছু দেহ থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে ৷ উদ্ধারকারী পুলিশকর্মীদের মতে, মানুষ না হলেও কোনও পশুর দেহও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে থাকতে পারে , যার থেকে ছড়াতে পারে দুর্গন্ধ ৷ এর জেরে নতুন করে জোরকদমে শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। পোস্তার উড়ালপুলের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হল আরও দু’জনের দেহ ৷ এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭ ৷ প্রতি মূহূর্তেই মনে হয়েছে এই বুঝি শেষ হল। তার পরের মূহূর্তেই আরও একবার ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হচ্ছে দেহ। পোস্তা উড়ালপুলের ধ্বংসাবশেষ থেকে কালীকৃষ্ণ ঠাকুর স্ট্রিটে ছড়িয়েছে তীব্র দুর্গন্ধ। যার জেরে নতুন করে আরও কিছু দেহ থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে ৷ উদ্ধারকারী পুলিশকর্মীদের মতে, মানুষ না হলেও কোনও পশুর দেহও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে থাকতে পারে , যার থেকে ছড়াতে পারে দুর্গন্ধ ৷ এর জেরে নতুন করে জোরকদমে শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ

    পি ৪১ সি-পিলারটি এখনও খাঁড়া দাঁড়িয়ে। সেখান থেকে রবীন্দ্র সরণি, বিবেকানন্দ সেতুর মোড় পেরিয়ে প্রায় ৫০০ মিটার জায়গা জুড়ে শনিবারও শুধুই ধ্বংসের ছবি। আশেপাশের বাড়ি, দোকানঘরগুলিতে সেরকম কোনও আঁচ পড়েনি। মাঝের জায়গা যেন কোনও ঝড়ের আঘাতে দুমড়েমুচড়ে গিয়েছে। শুক্রবার মৃতের সংখ্যা ২৩ এসে থেমেছিল। মনে হয়েছিল এই হয়ত শেষ। কিন্তু না, শুক্রবার রাতেও এক খালাসির দেহ উদ্ধার হয়। কালীকৃষ্ণ ঠাকুর স্ট্রিটের কাছে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা দুটি লরির মধ্যে একটি লরিতে আটকে ছিল দেহ। উড়ালপুলের ভাঙা অংশ যাতে না পড়ে যায়, সেজন্য কংক্রিটের স্ল্যাব দিয়ে সাপোর্টও দেওয়া হয়েছিল। প্রায় ৩৭ ঘণ্টার চেষ্টায় ওই খালাসির দেহ উদ্ধার সম্ভব হয়। যদিও খণ্ড খণ্ড করে দেহ বের করতে হয়।

    শনিবার সকাল, পোস্তার সেই দুর্ঘটনাস্থলে একনাগাড়ে হাহুতাশ করে চলেছেন কয়েকজন। দু’দিন ধরে হন্যে হয়ে দেশোওয়ালি বন্ধুকে খুঁজেছেন। কেউ ধারেকাছে ঘেঁষতেও দেননি। শুক্রবার রাতে সেই বন্ধুরই দেহ খণ্ড খণ্ড করে কেটে বের করতে হয়েছে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে থাকা লরি থেকে । এই নিয়ে ক্ষোভ ধরে রাখতে পারছেন না তাঁরা। অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুলের বাসিন্দা আবদুল রেজ্জাকের সঙ্গে কাজের সূত্রেই বন্ধুত্ব হয় অন্ধ্রপ্রদেশেরই আরও কয়েকজনের। কাজের তাগিদে তাঁরা পোস্তায় আসতেন। বৃহস্পতিবার উড়ালপুল দুর্ঘটনার পর থেকেই বন্ধুর খোঁজে ছিলেন তাঁরা। শনিবার সকালে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা। তাঁদের দাবি, দুর্ঘটনার দিন ১ ঘন্টা সময় পেলে আবদুলকে জীবন্ত উদ্ধার করতে পারতেন তাঁরা।

    খালাসি উদ্ধারের পর রাতের মত বন্ধ হয়ে যায় উদ্ধারকাজ। শনিবার সকালে ফের শুরু হয় উদ্ধারকাজ। ততক্ষণে তীব্র দুর্গন্ধে ভরে গেছে চারদিক। মনে করা হয়, হয়ত আরও দেহ আছে কোথাও। ৪০ নম্বর পিলারের পাশের মন্দির লাগোয়া জায়গায় বিশাল চাঙরের নীচ থেকে উদ্ধার হয় আরও দু’জনের দেহ। বলা ভাল দেহাংশ। তাঁদের চিহ্নিত করা যায়নি। মনে করা হচ্ছে, বৃহস্পতিবার মন্দিরে পুজো উপলক্ষে অনেকে এসেছিলেন। অনেক ফুটপাথবাসীও থাকতেন ওখানে। উদ্ধার হওয়া দুজনের দেহ সেরকমই হয়ত কারও।

    First published: