কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

বুধবার থেকে ফের শুরু বউবাজারে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর কাজ

বুধবার থেকে ফের শুরু বউবাজারে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর কাজ

অত্যন্ত সাবধানে সুড়ঙ্গ খননের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহ ধরে চলবে নজরদারি।

  • Share this:

#কলকাতা: অবশেষে কাজ শুরু বউবাজারের সুড়ঙ্গ তৈরির। সমস্ত ধরণের সাবধানতা অবলম্বন করেই শুরু হয়ে গেল শিয়ালদহ মুখী টানেল তৈরির কাজ। প্রাথমিক ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আপাতত মাত্র ১ মিটার থেকে ৩ মিটার করে টানেল বোরিং করা হবে। তারপর এই অংশ পরীক্ষা করবে কে এম আর সি এলের বিশেষজ্ঞ কমিটি। ৩১ আগষ্ট বউবাজারে মেট্রোর সুড়ঙ্গ খনন করতে গিয়ে বিভিন্ন বাড়িতে ফাটল ধরা পড়ে। তার পরেই আটকে যায় কাজ। ফের সেই কাজ শুরু হল বুধবার থেকে। তবে কাজের গতি অনেক কম। কে এম আর সি এল সূত্রে খবর, আপাতত ১ থেকে ৩ মিটার করে সুড়ঙ্গ খনন করা হবে। এই অবস্থা পরীক্ষা করা হবে প্রায় ৭ দিন। তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রতিদিন কতটা করে সুড়ঙ্গ খনন করা হবে। আপাতত উরবি এই টানেল বোরিং মেশিনের অবস্থান হচ্ছে শিয়ালদহ থেকে ১ কিলোমিটার দুরে। এই অংশে অবশ্য প্রায় ষাট শতাংশ রাস্তা। বাকি ৪০ শতাংশ রয়েছে বাড়ি। চান্ডি, যে টানেল দিয়ে সুড়ঙ্গ খনন করার সময়ে সমস্যা হয় তাতে বউবাজারের একাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরিসংখ্যান বলছে, ৭৩টি বাড়ির বাসিন্দাদের সরানো হয়েছিল। তারমধ্যে ২৩টি বাড়ির কাঠামো বদল করা হয়। ২১টি বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে। ২টি বাড়ি ভাঙার কাজ চলছে। ২৭টি বাড়িতে লোক ফেরত এসেছে। আবারও যাতে নতুন করে সমস্যা তৈরি না হয়, তাই ভরসা রাখা হচ্ছে বিশেষজ্ঞদের ওপর। জন এন্ডিকট, ঘাই ক্রিস্টোফার ব্রিজ ও কে পিছুমণির সহায়তায় গোটা বিষয়টি দেখা হবে।

অন্যদিকে, নতুন করে সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শুরু হতেই বউবাজারের কিছু বাড়ির বাসিন্দাদের সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। আপাতত চারটি পরিবারকে সরানো হয়েছে। তার মধ্যেই দুটি পরিবারকে গত ছয় মাসের মধ্যে দুবার ঘর ছেড়ে হোটেলে এসে থাকতে হল। হোটেলের ঘরে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেলেও, ঘর থেকে সব জিনিসপত্র নিয়ে আসতে পারেননি তারা। বউবাজারের বাসিন্দা সুনীপা রায়। তার ছেলে এবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। যদিও তাদের কেও ঘর ছেড়ে আসতে হল মেট্রোর কাজের জন্য। সুনীপাদেবী অবশ্য আশা প্রকাশ করছেন, আগামী তিন দিনের মধ্যে তারা বাড়ি ফিরবেন। একইসাথে তাদের চিন্তা, আবার কাজ শুরু হলে তাদের মাথার ছাদ চলে যাবে না তো? একই প্রশ্ন তপন দে ও সন্ধ্যা দে'র। ছয় মাস আগেও তাদেরকে ঘর ছাড়া হতে হয়েছিল। তাদের আবার চিন্তা, ৭৪ বছর বয়সে এসে আবার ঘর ছাড়া হতে হবে না তো....হোটেলের ঘরে এসে অবশ্য অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তপনবাবু। সন্ধ্যাদেবী জানাচ্ছেন, ঘর ছেড়ে আসতে হয়েছে তাদের। সব জিনিস ফেলে এসেছেন। সেই সব যথাসময়ে ফেরত পাবেন তো। এই আশংকায় ঘরের এক কোণে সিটিয়ে বসে আছেন তিনি। যদিও ভয় পাওয়ার কিছু নেই বলেই জানাচ্ছেন কে এম আর সি এল আধিকারিকরা। কাজ শুরুর ব্যপারে সাহায্য চেয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার ও কলকাতা পুরসভাকে চিঠি দিয়েছে কে এম আর সি এল।

ABIR GHOSHAL

Published by: Ananya Chakraborty
First published: February 19, 2020, 8:51 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर