• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • মা দুর্গা রূপে সন্তান কোলে মা, পরিযায়ী শ্রমিকদের সম্মানে ভাবনা নামী পুজো কমিটির

মা দুর্গা রূপে সন্তান কোলে মা, পরিযায়ী শ্রমিকদের সম্মানে ভাবনা নামী পুজো কমিটির

বড়িশা ক্লাবে এই রূপেই ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে মা দুর্গাকে৷ Photo-Twitter

বড়িশা ক্লাবে এই রূপেই ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে মা দুর্গাকে৷ Photo-Twitter

পরিযায়ী শ্রমিক পরিবারের একজন মা তাঁর সন্তানদের নিয়ে ত্রাণের খোঁজ করছেন, সেই ভাবনাই এবার ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করছে বড়িশা ক্লাব৷

  • Share this:

    #কলকাতা: সন্তান কোলে হেঁটে চলেছেন মা৷ কিলোমিটারের পর কিলোমিটার, লক্ষ্য বাড়ি ফেরা৷ পেটের খিদে, শারীরিক কষ্ট যতই হোক না কেন, তার আঁচ যেন কোলের সন্তানের গায়ে না লাগে৷ কয়েক মাস আগে লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর পরই পরিযায়ী শ্রমিকদের এ ভাবে বাড়ি ফিরতে দেখেছে গোটা দেশ৷ লকডাউন উঠেছে, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়েছে জনজীবন৷ করোনার বিপদ না কাটলেও উৎসবের মরশুম দোরগোড়ায় এসে হাজির৷ কিন্তু কেমন আছেন সন্তান কোলে বাড়ি ফিরে আসা সেই পরিযায়ী শ্রমিক বা মায়েরা? উৎসবের জৌলুসে হয়তো তা ভুলে গিয়েছি আমরা অনেকেই৷

    কলকাতার একটি নামী পুজো কমিটি অবশ্য অভিনব উপায়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের সম্মান জানানোর উদ্যোগ নিল৷ বেহালার বড়িশা ক্লাবের পুজো মণ্ডপে এবার মা দুর্গা রূপে দেখা যাবে সন্তান কোলে এক মাকে৷ আদতে যাঁকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে একজন পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে৷ একা মা দুর্গা নয়, তার সঙ্গে থাকা লক্ষ্মী, গণেশ, কার্তিক, সরস্বতী- প্রতিটি মূর্তিই একই আদলে গড়ে তোলা হচ্ছে৷

    পরিযায়ী শ্রমিক পরিবারের একজন মা তাঁর সন্তানদের নিয়ে ত্রাণের খোঁজ করছেন, সেই ভাবনাই এবার ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করছে বড়িশা ক্লাব৷ শিল্পী রিন্টু দাস 'দ্য টেলিগ্রাফ'- সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন, তাঁদের মণ্ডপে থাকা মা দুর্গার মূর্তি আসলে সেই মায়েরই রূপ যিনি সূর্যের তেজ, খিদে এবং যাবতীয় কষ্টকে জয় করেই একজন মা কীভাবে তাঁর সন্তানদের জন্য খাবার, পানীয় জল এবং ত্রাণ খোঁজার চেষ্টার করছেন৷

    সেপ্টেম্বর মাসেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়, দেশের প্রায় চার কোটি পরিযায়ী শ্রমিকের মধ্য ২৫ শতাংশ বা ১.০৫ কোটি করোনা অতিমারি এবং লকডাউনের জেরে তাঁদের নিজ নিজ রাজ্যে ফিরে গিয়েছেন৷ সবথেকে বেশি পরিযায়ী শ্রমিক ফিরেছেন উত্তর প্রদেশে (৩২.৫ লক্ষ)৷ এর পরেই রয়েছে বিহার (১৫ লক্ষ)৷ কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ কুমার গাংওয়ারই লোকসভায় এই তথ্য দিয়েছিলেন৷ এর পরিণতিতে সবথেকে বেশি সঙ্কটের মুখে পড়েন মহিলা পরিযায়ী শ্রমিকরাই৷ একদিকে যেমন কাজ হারিয়ে চার দেওয়ালের মধ্যে সম্পূর্ণ আবদ্ধ হয়ে গিয়েছেন তাঁরা, পাশাপাশি অনেকেই গার্হস্থ্য হিংসার শিকার হয়েছেন৷ বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে আসা তথ্যতেও দাবি করা হয়েছে, লকডাউনের সময়ে গার্হস্থ্য হিংসার ঘটনা বেড়েছে৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: