Home /News /kolkata /
Kolkata Days: হাত বাড়ালেই বন্ধু: কানাডার প্রবাসীদের সংগঠন 'কলকাতা ডেজ'

Kolkata Days: হাত বাড়ালেই বন্ধু: কানাডার প্রবাসীদের সংগঠন 'কলকাতা ডেজ'

Kolkata Days: মন খারাপ ভুলে পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছে 'কলকাতা ডেজ'

  • Share this:

ছেড়ে আসা চেনা পথ-ঘাট-গলি। রকের আড্ডা বা বন্ধুদের সাথে চুটিয়ে মজা। কর্মসূত্রে কলকাতার সেই সব মধুর স্মৃতিকে পাশে সরিয়ে রেখে যাদের হঠাৎ করেই প্রবাসী হয়ে যেতে হয়, তাদেরকে সেই ফেলে আসা মহানগরের ভালোবাসাটুকু উজাড় করে দেয় কানাডার প্রবাসীদের এই সংগঠন 'কলকাতা ডেজ'। যা জুড়ে আছে পাশে থাকা, ভরসার হাত বাড়ানো আর অগাধ আত্মবিশ্বাস তৈরি করে দেওয়া।

কলকাতা ডেজ কানাডা আর টরেন্টোতে থাকা প্রায় ৮০০ প্রবাসীদের নিয়ে একটা সংস্থা। যেখানে সদস্যদের 'জনগণ' বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। সংগঠনের সদস্য বলেন, "আমরা নিছকই দুর্গাপুজো করি না, কারণ আমরা বিশ্বাস করি পুজোতে বিদেশে  শুধু ২ দিন এর আনন্দ উৎসবের ব্যাপার। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বছরের বাকি ৩৬৩ দিন কী করে জনগণ-এর পাশে থেকে  একে অপরের আনন্দ দুঃখ উপভোগ করা যায়, কী করে একে অপরের সাহায্য করা যায়। আর সেটারই নিরন্তর প্রচেষ্টা করে চলেছে কলকাতা ডেজ।"

আরও পড়ুন- ভাইরাল ভিডিও: দুর্ঘটনায় বাদ গেছে পা, অদম্য জেদে এক পায়ে লাফিয়েই স্কুল পাড়ি সীমার

কী কাজ করে প্রবাসীদের এই সংগঠন? কলকাতা থেকে স্থায়ী চাকরি ছেড়ে বিদেশে কাজ করে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার বাসনা নিয়ে কানাডা তে এসেছেন অনেকেই। সবার আগে যেটা দরকার হচ্ছে একটা চাকরি।  সেই জনগণের কর্মদক্ষতার ওপর নির্ভর করে কলকাতা ডেজ-এর সদস্যরা তাদের চেনা পরিচিত সব কোম্পানি তে নতুন জনগণকে রেফার করে। আর অনেকেই সেই সুযোগ পেয়েছে। নিজের গাড়ি না থাকলে কানাডাতে পরিবার নিয়ে যারা আসেন তাদের দৈনন্দিন জীবনে ঘোরা ফেরা করা খুব মুশকিল। এর জন্য কোথায় কোন ডিলারের থেকে সহজে গাড়ি পেতে পারেন সেটাও এই গ্রুপের 'জনগণ' সাহায্য করেন। নতুন দেশে কী করে ব্যাঙ্ক একাউন্ট খুলবেন বা ক্রেডিট হিস্টোরি না থেকে কি ভাবে ক্রেডিট কার্ড পেতে পারেন সেটাও এই গ্রুপ সাহায্য করে।

আরও পড়ুন- এবার সাভারকারের বায়োপিক! স্বতন্ত্র বীর সাভারকারের ভূমিকায় রণদীপ হুডা!

কানাডাতে ৭-৮ মাস  খুব শীত থাকে। বাইরের কাজ খুব কমে যায়। এই সময় পরিবার, প্রিয়জন ছেড়ে আসা খুব একাকিত্ব তৈরি করে। সেই একাকিত্ব কাটানোর জন্য চিরন্তন আড্ডা চলে। ফিজিক্যাল হোক বা জুম কল এর দ্বারা নির্ভেজাল বাঙালি আড্ডা। আর সেই আড্ডায় যেমন ভুরি ভোজের ব্যবস্থা থাকে। তেমনই বাঙালির উত্তম- সুচিত্রা থেকে মোহনবাগান-ইস্ট বেঙ্গল আপামর বাঙালির অনেক রোমান্টিসিজম এ ভরা স্মৃতি সেই আড্ডা তে উঠে আসে। কোনও সদস্য বা তার পরিবারের যদি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোনও সাহায্য প্রয়োজন হয়। তাহলে এই গ্রুপের সকলে যে কোনও সাহায্য করতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এছাড়া বাঙালি কি আর তার সংস্কৃতি ভুলে যেতে পারে তাই বেশ কিছু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হয়। বিশেষ করে আগামী প্রজন্মের পৃষ্ঠপোষকতায় এটি করা হয়। যেন তারা নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে না যায়।

একই সঙ্গে এই গ্রুপের  USP হচ্ছে -এডমিনস অরূপ ঘোষ এবং লালি ঘোষ সব সময় সকলকে নিয়ে একটি পরিবার তৈরি করে থাকেন। প্রিয় শহর ছেড়ে থাকলেও যেন মিস না হয়ে যায় কলকাতার সেই সব দিনগুলি।

Abir Ghoshal

Published by:Rachana Majumder
First published:

পরবর্তী খবর