Kolkata BusinessMan Missing: দ্বিতীয় হুগলি সেতুর উপর ফাঁকা গাড়ি, ঝুলছে চাবি! ব্যবসায়ী নিখোঁজে তোলপাড়

কোথায় গেলেন ব্যবসায়ী?

রবিবার সকালে সেকেন্ড ব্রিজের ওপর গাড়িটিকে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে পুলিশ। তারপরই খোঁজ করতে গিয়ে দেখা যায়, গাড়ির দরজা খোলা, গাড়িতে ঝুলছে চাবি। কিন্তু শ্রবণকুমার বিড়লা নেই।

  • Share this:

    হাওড়া: দিন কয়েক আগেই করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। কিন্তু রবিবার, রাজ্যে কার্যত লকডাউন শুরুর দিনই উধাও হয়ে গেলেন এক ব্যবসায়ী। তাঁর নাম শ্রবণকুমার বিড়লা। বাড়ি কড়েয়ায়। দ্বিতীয় হুগলি সেতুর হাওড়াগামী লেন থেকে উদ্ধার হয়েছে তাঁর গাড়ি। রবিবার সকালে সেকেন্ড ব্রিজের ওপর গাড়িটিকে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে পুলিশ। তারপরই খোঁজ করতে গিয়ে দেখা যায়, গাড়ির দরজা খোলা, গাড়িতে ঝুলছে চাবি। কিন্তু শ্রবণকুমার বিড়লা নেই।

    সেতুর ওপর গাড়ি দাঁড় করিয়ে কোথায় উধাও গেলেন ৬৬ বছরের ওই ব্যবসায়ী, তা নিয়ে আশঙ্কা দানা বাঁধছে। দ্বিতীয় হুগলি সেতু থেকে গঙ্গায় তিনি ঝাঁপ দিতে পারেন, এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ইতিমধ্যেই গঙ্গায় ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর সম্প্রতি সুস্থ হয়েছিলেন ওই ব্যবসায়ী। তবে, পুলিশের অনুমান, মানসিক অবসাদের জেরে ওই ব্যবসায়ী গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে থাকতে পারেন।

    সেতুর উপর ব্যবসায়ীর গাড়ির খোঁজ মিলতেই পুলিশ অবশ্য ওই ব্যবসায়ীর পরিবারের যোগাযোগ করে। খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন পরিবার-আত্মীয়রা। পরিবারের সদস্যরাই জানিয়েছেন, প্রতিদিন সকালে ওই ব্যবসায়ী সাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেরোতেন। কিন্তু আজই তিনি গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছিলেন। কেন হঠাৎ আজ এমন সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    দিন কুড়ি আগে সস্ত্রীক করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন শ্রবণকুমার বিড়লা। ভর্তি ছিলেন হাসপাতালেও। কিন্তু করোনাকে জয় করে বাড়ি ফিরে এসেছেন তিনি। তারপরও করোনার কারণেই তাঁর মধ্যে মানসিক অবসাদ কাজ করছিল কিনা, তা ভাবাচ্ছে পুলিশকে। যদিও ওই ব্যবসায়ী কি নিখোঁজ হয়েছেন, নাকি আত্মহত্যা করেছেন, না কি ঘটনার পিছনে অন্য রহস্য আছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তাঁর বাড়ি থেকে দ্বিতীয় হুগলি সেতু পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর।

    Published by:Suman Biswas
    First published: