corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে বন্ধ হয়েছে ফুচকা বিক্রি, তাই বাধ্য হয়ে এখন সবজি বিক্রিই ভরসা  

লকডাউনে বন্ধ হয়েছে ফুচকা বিক্রি, তাই বাধ্য হয়ে এখন সবজি বিক্রিই ভরসা  

লক ডাউনের বাজারে বাধ্য হয়ে অনেকেই বেছে নিয়েছেন উপার্জনের বিকল্প রাস্তা।

  • Share this:

#কলকাতা: লকডাউন চলছে। তাই ফুচকা ছেড়ে সবজি বিক্রি শুরু করেছেন বাগুইআটির সুখদেব পাণ্ডা।

করোনাভাইরাস  রুখতে টানা ২১ দিন লকডাউন  ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তারপর থেকেই স্তব্ধ জনজীবন। তবে অত্যাবশ্যকীয় জিনিসপত্রের বাজার খোলা রয়েছে। কিন্তু তার বাইরে বন্ধ রয়েছে সবকিছুই। তার প্রভাব পড়েছে সমাজের সর্বস্তরে।  বিশেষ করে যে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষদের টান পড়েছে রুজি রোজগারে। তাই লক ডাউনের বাজারে বাধ্য হয়ে অনেকেই বেছে নিয়েছেন উপার্জনের বিকল্প রাস্তা।

যেমন বাগুইহাটি জ্যাংড়া বাজারে ফুচকা বিক্রি করতেন সুখদেব পান্ডা। দীর্ঘদিন ধরে তার হাতের বানানো ফুচকা খেয়ে আসছে এলাকা বাসী। কিন্তু করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় লকডাউন ঘোষণার পর বন্ধ করতে হয়েছে ফুচকা বিক্রি। কারণ লকডাউনের ছাড় পাওয়ার তালিকায় নেই ফুচকা। স্বাভাবিক ভাবেই উপার্জন বন্ধ হয়ে যায় সুখদেবের। পূর্ব মেদিনীপুরের  দীঘার  কাছে  বাড়িতে  ফিরে যাওয়ার কোন উপায় ছিল না লক ডাউনের জন্য। একইসঙ্গে এতগুলো দিন কলকাতায় থাকার মত অর্থ ছিল না তার কাছে। কি করবেন কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলেন না। চারিদিকে সবকিছু বন্ধ। এই অবস্থায় কোথাও কাজ পাওয়াও সম্ভব নয়। একমাত্র সবজি মাছ-মাংসের বাজার খোলা রয়েছে।

তাই সাত পাঁচ ভেবে ঠিক করেন সবজি বিক্রি করবেন বাজারে। সামান্য কিছু পুঁজি ওপর ভর করে নেমে পড়েন শাক সবজি নিয়ে। যে ঠেলা গাড়িতে করে এতদিন ফুচকা বিক্রি করতেন সেই গাড়িতে সবজি নিয়ে বিক্রি শুরু করেন লক ডাউন পাঁচ দিন অতিক্রম করার পর থেকে।

কিন্তু সবজির ব্যবসায়ী কোনও অভিজ্ঞতা না থাকায় শুরুতে দুদিন কিছুটা অসুবিধায় পড়তে হয়েছিল। সুখদেব পাণ্ডা বলেন, 'কি করব, কোনও উপায় নেই। পরিস্থিতি যেমন সেই রকম করতে হবে।' লকডাউন শেষ হলে আবার কি ফুচকা বিক্রি করবেন ? তিনি বলেন, ' ফুচকা তো ১৫ বছর ধরে বিক্রি করে আসছি। এইসব ঝামেলা মিটে গেল আবার ফুচকা নিয়ে বসব।'

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: April 2, 2020, 8:29 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर