• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • KOLKATA ALIPORE ZOO IS ADOPTING PRAGUE ZOO MODEL TO BE MODERNIZED SR

Alipore Zoo: প্রাগ চিড়িয়াখানার মডেলে সাজতে চলেছে আলিপুর চিড়িয়াখানা! খরচ কত জানেন?

আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রাগের চিড়িয়াখানাকে যে ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে সেই ভাবেই তৈরি হবে আধুনিক আলিপুর চিড়িয়াখানা (Alipore Zoo)।

আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রাগের চিড়িয়াখানাকে যে ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে সেই ভাবেই তৈরি হবে আধুনিক আলিপুর চিড়িয়াখানা (Alipore Zoo)।

  • Share this:

SOUJAN MONDAL

#কলকাতা: নতুন করে ঢেলে সাজানো হতে চলেছে আলিপুর চিড়িয়াখানা (Alipore Zoo)। চলতি মাসে চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাগ চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে রাজ্যের বন দফতরের। সেই চুক্তি অনুসারে প্রাগের চিড়িয়াখানার মতন আধুনিকীকরণ করা হবে হবে আলিপুর চিড়িয়াখানাকে।

অনেকদিন ধরেই আলিপুর চিড়িয়াখানার আধুনিকীকরণের চিন্তাভাবনা করছিল রাজ্য বন দফতর। প্রায় দেড়শ বছর আগে ১৮৭৫ সালে তৈরি হয়েছিল আলিপুর জুলজিকাল গার্ডেন। বর্তমানে কলকাতা চিড়িয়াখানায় প্রায় এক হাজার পশুপাখি হয়েছে। এর মধ্যে স্তন্যপায়ী প্রাণী রয়েছে ১৫ রকমের, সাপ রয়েছে কুড়ি রকমের আর পাখি রয়েছে প্রায় ৬০ রকমের। কলকাতার বুকে মোট ১৮.১৮ হেক্টর জমির উপর তৈরি এই চিড়িয়াখানা বিশ্বের অন্যতম পুরনো চিড়িয়াখানা হিসেবে পরিচিত।

এরমধ্যে ৭২ হাজার ৪১৬ বর্গমিটার খোলা জায়গা রয়েছে। আর ২৭ হাজার ২১৬ বর্গমিটার এলাকা রয়েছে ওয়াটার বডি। প্রতি বছর গড়ে ৩৫ লক্ষের বেশি মানুষ চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করেন। তার জন্য ২৫ হাজার ৮৪৭ বর্গমিটার চিড়িয়াখানার ভেতরের রাস্তা এবং ১ হাজার ৮৫৮ বর্গমিটার বিনোদনের জন্য বরাদ্দ রয়েছে। এর সঙ্গে কিছুটা প্রশাসনিক কাজকর্ম জন্য বাদ দিলে বাকি সবটাই জন্তু-জানোয়ার পশু পাখিদের জন্য বরাদ্দ।

এই বিরাট জায়গা জুড়ে তৈরি কলকাতার চিড়িয়াখানাকে আধুনিকীকরণ করার জন্য প্রাথমিক ভাবে ৮০ কোটি টাকা খরচ ধরা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রাগের চিড়িয়াখানাকে যে ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে সেই ভাবেই তৈরি হবে আধুনিক আলিপুর চিড়িয়াখানা।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ বার ক্ষমতায় আসার পর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক হন রাজ্যের নতুন বনমন্ত্রী। তিনি আলিপুর চিড়িয়াখানার আধুনিকীকরণের সবুজ সংকেত দেন। তারপর বনদফতর আধিকারিকরা বিভিন্ন দেশের চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার করে শেষ পর্যন্ত প্রাগ চিড়িয়াখানার বৈচিত্র এবং পরিকাঠামো দেখে তাদের সঙ্গে চুক্তি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। কোন কোন বিষয় গুলোর উপর ভিত্তি করে প্রাগ চিড়িয়াখানার সঙ্গে চুক্তি করা হলো? বনমন্ত্রী বলেন, 'প্রাগ চিড়িয়াখানা এমন অনেক প্রজাতির পশুপাখি রয়েছে যা আমাদের এখানের মানুষ দেখেননি। সেগুলো আমরা যেমন আমাদের এখানে আনতে পারব, একই ভাবে ওদের পরিকাঠামো যে সব আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে  তৈরি হয়েছে তা আমরা কাজে লাগাতে পারব।'

Published by:Simli Raha
First published: