এবার বর্ষাতেও দুর্ভোগের আশঙ্কা, জমা জল থেকে মুক্তি মিলছে না কলকাতা বিমানবন্দরের

এবার বর্ষাতেও দুর্ভোগের আশঙ্কা, জমা জল থেকে মুক্তি মিলছে না কলকাতা বিমানবন্দরের

চলতি বর্ষাতেও জল জমার হাত থেকে মুক্তি মিলছে না কলকাতা বিমানবন্দরের। নিকাশি ব্যবস্থা যথাযথ না থাকায়, এবারও জল জমায় সমস্যায় পড়তে পারে উত্তর-পূর্ব ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

  • Share this:

#কলকাতা: চলতি বর্ষাতেও জল জমার হাত থেকে মুক্তি মিলছে না কলকাতা বিমানবন্দরের। নিকাশি ব্যবস্থা যথাযথ না থাকায়, এবারও জল জমায় সমস্যায় পড়তে পারে উত্তর-পূর্ব ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। দুর্ভোগ থেকে রেহাই পেতে, বিধাননগর পুরনিগমের সাহায্য চেয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

গত বর্ষায় বেশ কয়েকবার জলের তলায় চলে গিয়েছিল কলকাতা বিমানবন্দরের একাধিক হ্যাঙ্গার। জমা জলে বিপত্তি বাড়ে রানওয়েতেও। তখনই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি লিখে নিকাশি সমস্যা মেটানোর অনুরোধ জানিয়েছিল একাধিক বিমান সংস্থা। সমস্যা সমাধানে গত সেপ্টেম্বরে বৈঠক করে এয়ারপোর্ট অ্যাডভাইজারি কমিটি। জমা জলের সমস্যা মেটানোর জন্য, অ্যাডভাইজারি কমিটির চেয়ারম্যান সৌগত রায়কে অনুরোধ করেন  তৎকালীন বিমানবন্দর অধিকার্তা। তারপর কেটে গিয়েছে প্রায় ন'মাস। কিন্তু ছবিটা এতটুকু বদলায়নি। এখনও বেহাল দশায় বিমানবন্দরের নিকাশি ব্যবস্থা। তাই এবারও ভারী বর্ষায় জলছবি ফিরে আসতে চলেছে কলকাতা বিমানবন্দরে।

বুধবার বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন বিধাননগর পুরনিগমের প্রতিনিধিরা। জল জমার পিছনে একাধিক কারণ চিহ্নিত করেন তাঁরা।

১. বিমানবন্দরের ভিতর থেকে বাইরে জল বের করার ব্যবস্থা পুরোপুরি বিকল

২. নিকাশি নালাগুলি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ

৩. নালাজুড়ে প্লাস্টিক, ডাবের খোল, আবর্জনার স্তূপ

৪. ফলে কোনও অবস্থাতেই জমা জল বেরনোর জায়গা নেই

বিধাননগর পুরনিগমের বক্তব্য, বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকাটি রাজরহাট-গোপালপুর পুরসভার অন্তর্গত ছিল। বার বার নিকাশি ব্যবস্থা তৈরির কথা বলা হলেও, সে বিষয় কোনও গুরুত্বই দেয়নি প্রাক্তন বাম পরিচালিত পুরবোর্ড।

নিকাশি সমস্যা সমাধানে তড়িঘড়ি বিধানসভার পুরনিগমের সঙ্গে বৈঠক করতে চলেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। ডেকে পাঠানো হয়েছে সেচ দফতরকেও।

চলতি বছর জমা জল দ্রুত নামাতে অতিরিক্তি পাম্পিং মেশিনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাতেও ভারী বর্ষায় জলছবির হাত থেকে যে রেহাই মিলবে না, সেবিষয়ে একপ্রচার নিশ্চিত বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

First published: 08:52:29 AM Jun 23, 2016
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर