কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

আমফান মোকাবিলায় থানার ওসিদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে জরুরি বৈঠক করলেন সিপি

আমফান মোকাবিলায় থানার ওসিদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে জরুরি বৈঠক করলেন সিপি

সুপার সাইক্লোন আমফানে কলকাতা পুলিশের সবথেকে বড় চিন্তা শহরের পুরনো ও বিপজ্জনক বাড়িগুলি। মঙ্গলবার কলকাতার সব থানার ওসি ও ডিসিদের নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে সে কথাই বারবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা

  • Share this:

#কলকাতা: সুপার সাইক্লোন আমফানে কলকাতা পুলিশের সবথেকে বড় চিন্তা শহরের পুরনো ও বিপজ্জনক বাড়িগুলি। মঙ্গলবার কলকাতার সব থানার ওসি ও ডিসিদের নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে সে কথাই বারবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা। সূত্রের খবর, সিপি থানার ওসিদের বলেছেন, প্রত্যেক থানার নিজ নিজ এলাকায় যে সব পুরনো ও বিপজ্জনক বাড়ি আছে সেখান থেকে প্রয়োজন হলে মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরাতে হবে।

ইতিমধ্যেই লালবাজারের তরফে প্রত্যেক থানার কাছে তাদের এলাকায় পুরনো ও বিপজ্জনক বাড়ির তালিকা চাওয়া হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী ঝড় পরবর্তী সময়ে প্রত্যেকটি বাড়িতে নজর রাখতে বলা হয়েছে। প্রত্যেক থানা এলাকাতেই পুরসভার উদ্যোগে কিছু নাইট শেল্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে, বিপজ্জনক বাড়ির বাসিন্দাদের প্রয়োজনে সেখানে সরানো যেতে পারে বলে পরামর্শ লালবাজারের।

সিপির ভিডিও কনফারেন্সে বলা হয়েছে, আমফান ঝড় থেকে মানুষকে বাঁচাতে যদি নাইট শেল্টারে রাখা হয়, তাহলে সেখানেও যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকে সেদিকে নজর রাখতে হবে। নাইট শেল্টারে কেউ যাতে গা ঘেঁষাঘেষি করে আশ্রয় না নেয় তা দেখবে সংশ্লিষ্ট থানা গুলি।

লালবাজারের নির্দেশ পেয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে কলকাতার প্রত্যেক থানার পুলিশ তাদের এলাকায় আমফান নিয়ে মানুষকে সতর্ক করার কাজ শুরু করে দিয়েছে। চলেছে মাইকিং। সুপার সাইক্লোন এলে কী করবেন আর কী করবেন না, তা মাইকে প্রচার করে মানুষদের জানানো হয়। প্রত্যেকটি বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয় তাদের থানার নম্বর। প্রয়োজন হলে সেই নম্বরে ফোন করে যে কোনও ধরনের সাহায্য চাইতে বলা হয়েছে।

এইদিন ভিডিও কনফারেন্সের বৈঠকে পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশের ৯টি ডিভিশনে ডিসিদের নেতৃত্বে থাকবে বাড়তি পুলিশ বাহিনী। থাকবে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বিশেষ দল যাতে কোথাও গাছ পড়লে বা বাড়ি ভাঙলে দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানো যায়। পাশাপাশি প্রত্যেক ডিভিশনে দুটি করে ট্রমা কেয়ার অ্যাম্বুলেন্স রাখতে বলা হয়েছে যাতে কোনও অঘটন ঘটলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া যায়। প্রত্যেক ডিভিশনে চালু করতে বলা হয়েছে বিশেষ কন্ট্রোল রুমও।

পুলিশ কমিশনার ওসিদের জানিয়েছেন, শহরের কোথাও কোনও গাছের নিচে কেউ যাতে গাড়ি পার্ক না করে তা দেখতে হবে সংশ্লিষ্ট থানা ও ট্রাফিক গার্ডকে। এমনকী, পুলিশের গাড়িও কোনও গাছের নিচে পার্ক করা যাবে না। ঝড়ের দাপটে যদি কোনও গাছ ভেঙে গাড়ির উপরে পড়ে তাহলে বিপদ ঘটে যেতে পারে।

SUJOY PAL

Published by: Rukmini Mazumder
First published: May 19, 2020, 8:00 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर