corona virus btn
corona virus btn
Loading

শিক্ষামন্ত্রীর বৃক্ষপ্রেম, আমফানে উপড়ে যাওয়া গাছ বাঁচাতে তৎপর পুরসভা

শিক্ষামন্ত্রীর বৃক্ষপ্রেম, আমফানে উপড়ে যাওয়া গাছ বাঁচাতে তৎপর পুরসভা
শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির কাছে উপড়ে যাওয়া একটি গাছ৷

পার্থবাবুর খুব ইচ্ছা যে ভাবেই হোক পুরনো আমলের গাছটিকে বাঁচানো যায় কি না, সেই চেষ্টাটুকু যদি করা যায়।

  • Share this:
 

#কলকাতা: বুধবার বাড়ি থেকে বের হওয়ার তোড়জোড় করছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ এমন সময়ই বিপত্তি। শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ি থেকে বেরিয়েই যে রাস্তা, সেই রাস্তায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বিশাল একটি গাছ। আমফান ঝড়ে আগে থেকেই নড়বড়ে হয়ে পড়েছিল গাছটি। এ দিন হঠাৎই ইলেক্ট্রিকের তারের উপর ভেঙে পড়ে গাছটি। বন্ধ হয়ে যায় যাতায়াতের পথ। বাড়ি থেকে বেরিয়ে গাড়িতে উঠতে যাচ্ছিলেন মন্ত্রী। এমন বিপত্তির জেরে কর্মসূচি পিছিয়ে দিতে বাধ্য হন তিনি।

এতো গেল বুধবার সকালের কথা। কিন্তু বাড়ির সামনের বিশাল বিশাল পুরোনো গাছ নিয়ে বেশ সমস্যায় পড়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। আমফান ঝড়ে পুরনো এই গাছগুলির অবস্থা বেশ নড়বড়ে। ইতিমধ্যেই একটা গাছ মাটি থেকে উপড়ে পড়ে বাড়ির ঠিক সামনের রাস্তায় আরেকটি গাছের উপরে হেলে রয়েছে। অনুগামীরা পরামর্শ দিয়েছিলেন, গাছটি কেটে ফেলার জন্য। কারণ গাছ পড়ে যে কোনও দিন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু সায় দেননি শিক্ষামন্ত্রী। কত পুরানো গাছ। বছরের পর বছর বাড়ির সামনেটুকু ছায়া দিয়ে রাখল। মাটি থেকে উপড়ে গিয়েছে বলেই কি বাঁচানো একেবারে সম্ভব নয়?

পার্থবাবুর খুব ইচ্ছা যে ভাবেই হোক পুরনো আমলের গাছটিকে বাঁচানো যায় কি না, সেই চেষ্টাটুকু যদি করা যায়। ভাবনা মাথায় আসতেই শিক্ষামন্ত্রী ফোন করেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে। বেশ কিছুক্ষণ আলোচনার পর ঠিক হয়, পুরসভার টিম শিক্ষামন্ত্রীর নাকতলার বাড়ি যাবে গাছটির রিপ্ল্যানটেশন করা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখতে। সেই মতো পরিকল্পনাও এগোচ্ছে। এরই মধ্যে বুধবার সকালে আরও একটি গাছ পড়ল রাস্তায়। এক অনুগামী ছুটে এসে শিক্ষামন্ত্রীকে বলেন, 'আর মায়া বাড়াবেন না দাদা, গাছগুলি কেটে দিই।' শিক্ষামন্ত্রী অবশ্য নিজের সিদ্ধান্তেই অনড়৷ তাঁর সাফ কথা, 'অসুবিধা হলে হোক, কিন্তু গাছ কাটা যাবে না। দেখো বাঁচানো যায় কি না।'

সারাদিনের কর্মসূচি থেকে এক ঘণ্টা সময় নষ্ট হলো। এক ঘণ্টার মধ্যে গাছ সরিয়ে রাস্তা সাফ হতেই ঘর থেকে বের হলেন মন্ত্রী। এ দিন একটু অন্য রকম ছিল। আর পাঁচ দিনের চেয়ে আলাদা কর্মসূচি। ঘর থেকে বেরিয়ে পাটুলিতে ওয়ার্ড কো অর্ডিনেটর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তর বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন শিক্ষামন্ত্রী। আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত গাছের পরিপূরক হিসেবে চারা রোপণ। চারা পুঁতেই শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা, নিজের বিধানসভা এলাকায় দশ হাজার গাছের চারা রোপণ করবেন তিনি।

SOURAV GUHA

 
Published by: Debamoy Ghosh
First published: June 3, 2020, 7:40 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर