• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • মণ্ডপ নাকি মৌচাক? উত্তর দেবে কিশোর সঙ্ঘ

মণ্ডপ নাকি মৌচাক? উত্তর দেবে কিশোর সঙ্ঘ

মৌচাকের বিন-বিন আওয়াজটাও শুনতে পাবেন। মনে হতে পারে। ঢুকে পরেছেন এমন এক মেট্রোপলিসে। যেখানে ভাষা শব্দ স্পষ্ট

মৌচাকের বিন-বিন আওয়াজটাও শুনতে পাবেন। মনে হতে পারে। ঢুকে পরেছেন এমন এক মেট্রোপলিসে। যেখানে ভাষা শব্দ স্পষ্ট

মৌচাকের বিন-বিন আওয়াজটাও শুনতে পাবেন। মনে হতে পারে। ঢুকে পরেছেন এমন এক মেট্রোপলিসে। যেখানে ভাষা শব্দ স্পষ্ট

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: মৌচাকের বিন-বিন আওয়াজটাও শুনতে পাবেন। মনে হতে পারে। ঢুকে পরেছেন এমন এক মেট্রোপলিসে। যেখানে ভাষা শব্দ স্পষ্ট করে কানে আসছে না। কিন্তু সারাক্ষণ মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে একটা গুণ-গুণানি। ঠিক যে রকম অবস্থা হয় পিক আওয়ারের অফিস-পাড়ায়। তবে অতটা অসহ্য নয়।

    সে এক সময় ছিল। বাড়ির সামনে নিকনো উঠোন থাকতো। উঠোনের মাঝখানে থাকতো তুলসীতলা। সাঁঝবেলায় দিতে হতো প্রদীপ। সে এক সময় ছিল। দিনভর হাড়ভাঙা খাটুনির পর থাকতো অখন্ড অবসর। দাওয়ার আড্ডা ছিল। ধামা ভরা মুড়ি থাকতো। পাড়াময় একটা হৈ হৈ রৈ রৈ চলতো। এখন আর সে নিকনো উঠোনও নেই। ভরসন্ধেয় দাওয়া বসে আড্ডার সময়ও নেই। এখন শুধু দৌড় দৌড় আর দৌড়।

    দৌড় শেষে একটু জিরিয়ে নেওয়ার জন্য দু কামরার ফ্ল্যাটবাড়িতে রাতটুকুর আশ্রয়। পরদিন সকাল থেকে আবার দৌড়। জীবনযুদ্ধে টিকে থাকার লড়াই। সেই লড়াই শেষে সবাই যখন যে যার ফ্ল্যাটে। দূর থেকে কি ফ্ল্যাটবাড়িটা মৌচাকের মতো লাগে?

    জানালায় জানালায় আলো। অনেকটা মৌচাকের একেকটা প্রকোষ্ঠের মতো। এভাবে ভাবেননি হয়তো কখনও। এ ভাবনা ভাবানোর দায়িত্ব তুলে নিয়েছে কিশোর সঙ্ঘ। কিশোর সঙ্ঘের এবারের থিম মৌচাক। আর মৌচাক বানানোর উপকরণেও রয়েছে চমক। শহরের গতিময় জীবনের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত যান মোটর সাইকেলের যন্ত্রাংশ দিয়ে বানানো হচ্ছে মৌচাক।

    ফ্ল্যাটবাড়ি মানে না কি নিজের সঙ্গে একা একা থাকা। যে যার মতো। কেউ কারও খোঁজ রাখে না। তাই কি? উদ্যোক্তারা সে ভাবে ভাবতে নারাজ। তাঁদের দাবী, একা কেন? এক হাঁড়ি না ই বা হলো। একসঙ্গে অনেকে মিলে থাকা তো। এ ওর বিপদে আপদে। সুখদুখ ভাহ করে বেঁচে থাকা। এ দর্শন তো মৌমাছির। তাইই শহরের এত এত ফ্ল্যাটবাড়িকে মৌচাকের সঙ্গে তুলনা করতে চাইছেন তাঁরা। আর সেই বার্তাই দিতে চাইছেন তাঁদের এবারের থিমের মধ্যে দিয়ে।

    রোজকার ইঁদুর দৌড় থেকে কটা দিন অবসরের নামই তো শারদীয়ার আমেজে গা ভাসানো। সারা বছরের রসদ তুলে নিতে হয় এই এ কদিনের মধ্যে দিয়েই। সেই সে কদিনের মধ্যে কোনও একদিন যদি কেউ কিশোর সঙ্ঘের পুজো দেখতে আসেন, তাহলে সারা বছর অন্য রকম ভাবে ভেবে বেঁচে থাকার তাগিদটা অন্তত পেয়ে যাবেন। অন্ত যাঁরা ভাবেন, পেটের টানে চড়কি পাক আমরা, সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছি। এ বারের পুজোয় তাঁদের ধারণা বদলে দিতে চায় কিশোর সঙ্ঘ।

    রিপোর্ট: বিশ্বজিৎ সাহা

    First published: