• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • পুজোর বাজেট কমিয়ে, মানুষের পাশে কেষ্টপুর প্রফুল্লকানন পশ্চিম অধিবাসীবৃন্দ ক্লাব !

পুজোর বাজেট কমিয়ে, মানুষের পাশে কেষ্টপুর প্রফুল্লকানন পশ্চিম অধিবাসীবৃন্দ ক্লাব !

এই বছর পুজোর বাজেট কমিয়ে করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিল কেষ্টপুর প্রফুল্ল কানন পশ্চিম অধিবাসীবৃন্দ।

এই বছর পুজোর বাজেট কমিয়ে করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিল কেষ্টপুর প্রফুল্ল কানন পশ্চিম অধিবাসীবৃন্দ।

এই বছর পুজোর বাজেট কমিয়ে করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিল কেষ্টপুর প্রফুল্ল কানন পশ্চিম অধিবাসীবৃন্দ।

  • Share this:

#কলকাতা: পুজো আসবে, পুজো যাবে। করোনা পরিস্থিতি ঠিক হলে আসছে বছর আরও বড় আকারে উৎসব পালন করা যাবে। তাই এই বছর পুজোর বাজেট কমিয়ে করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিল কেষ্টপুর প্রফুল্ল কানন পশ্চিম অধিবাসীবৃন্দ। আসলে রোগের সঙ্গে লড়াই, রোগীর সঙ্গে নয়। সেই বার্তা নিয়েই করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়িয়ে করোনা যুদ্ধে শামিল কেষ্টপুর প্রফুল্ল কানন পশ্চিম অধিবাসীবৃন্দ। প্রতিবছর উত্তর শহরতলির অন্যতম বিগ বাজেটে দুর্গাপুজো করে কেষ্টপুরের প্রফুল্ল কান্নন পশ্চিম অধিবাসীবৃন্দ। কিন্তু যাদের জন্য উৎসব তাদের মনে আনন্দ নেই। করোনাকালে মানুষ বিমর্ষ। এই পরিস্থিতিতে পুজোর বাজেটে  ৫০ শতাংশের বেশি কাটছাঁট করে করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াল কেষ্টপুর প্রফুল্লকানন প্শ্চিম অধিবাসীবৃন্দ। ইতিমধ্যেই অক্সিজেন পরিষেবা চালু হয়েছে। এবার পুজো কমিটির উদ্যোগে এলাকায় হোম আইসোলেশনে থাকা রোগীদের বাড়িতে চিকিৎসক নিয়ে গিয়ে পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করা হল।

করোনা আক্রান্তদের বাড়িতে গিয়ে চিকিৎসক তাদের শারীরিক পরীক্ষা করছেন। ফোনেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। শুধু একবার নয় প্রয়োজন পড়লেই চিকিৎসককে নিয়ে রোগীর বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছেন ক্লাব কর্তারা। ক্লাবের এই অভিনব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ডাক্তার শানদার আলম। তিনি বলেন, "ক্লাবগুলো যদি এইভাবে এগিয়ে আসে তাহলে এই মহামারীর বিরুদ্ধে আমরা জয় পাব। দ্রুত সঠিক পরিষেবা পৌঁছে দিতে পারলেই এই রোগকে হারানো সম্ভব। এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে ভালো লাগছে।"

ক্লাবের দুই করোনা জয়ী সদস্যের ইচ্ছে থেকেই এই ভাবনা। করোনা জয়ী ক্লাব সদস্য কার্তিক রায় জানান, "আমরা প্রথমে স্যানিটাইজার দিয়ে সাহায্য করেছিলাম। তবে আমি নিজে আক্রান্ত হওয়ার পর বুঝলাম শুধু স্যানিটাইজার দিয়ে মোকাবিলা সম্ভব নয়। অক্সিজেন এবং  চিকিৎসকের পরিষেবা খুব প্রয়োজন। এই সময় মানুষ সুচিকিৎসা পাচ্ছেন না। হাসপাতালের বেড নেই। আর মানুষ ভয় পেয়ে নিজেদের লুকিয়েও রাখছেন। বাড়িতে এই পরিষেবা পেয়ে অনেকেই মানসিকভাবে চাঙ্গা থাকবেন। পুজোর বেশিরভাগ খরচে আমরা এই কাজে ব্যবহার করব।"

ইতিমধ্যেই প্রফুল্লকাননের পুজোর গানও গেয়েছেন করোনা যোদ্ধা এক পুলিশ কর্মী।  সম্পাদক রণজিৎ চক্রবর্তী বলেন, শুধু নিয়ম করে এই বছর পুজোটা করব। মহামারী দূর করতে পারলে আগামী বছর ডবল আনন্দ করা যাবে।"বিশ্বজুড়ে এই মহামারী দাপট অব্যাহত। করোনা আতঙ্কে চেনা মানুষগুলো অচেনা হয়ে যাচ্ছে। তখন কেষ্টপুরের এই পুজো কমিটির ভূমিকা যেন দমবন্ধ করা পরিবেশে তাজা বাতাস।

ERON ROY BURMAN 

Published by:Piya Banerjee
First published: