• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • Bengal Coal Scam: ২ বছরে লেনদেন ১, ৩৫২ কোটি! কয়লাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য ইডি'র হাতে

Bengal Coal Scam: ২ বছরে লেনদেন ১, ৩৫২ কোটি! কয়লাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য ইডি'র হাতে

কয়লাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

কয়লাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

২০২০ সালের জুন মাস থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুপ মাঝি (লালা)র থেকে ১৮৬ কোটি টাকা গিয়েছে অশোর মিশ্রের কাছে। আর সেই টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে পাচার করা হয়েছে দিল্লি ও বিদেশে।

  • Share this:

    #কলকাতা: কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Scam) এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য ইডির (Enforcemet Direcrtorate) হাতে। ইতিমধ্যে ওই দুর্নীতিতে বাঁকুড়ার আইসি অশোক মিশ্রকে গ্রেফতার করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, তদন্তে উঠে এসেছে, ২০২০ সালের জুন মাস থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুপ মাঝি (লালা)র থেকে ১৮৬ কোটি টাকা গিয়েছে অশোর মিশ্রের কাছে। আর সেই টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে পাচার করা হয়েছে দিল্লি ও বিদেশে।

    শুধু তাই নয়, ইডি সূত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, কয়লাকাণ্ডে ২ বছরে ১, ৩৫২ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে! গ্রেফতার হওয়ার আগে অশোক মিশ্র তাঁর সমস্ত হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ডিলিট করে দিলেও তা উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছেন তাঁরা। সেই সূত্রেই ওই বিপুল লেনদনের হিসেব সামনে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।

    প্রসঙ্গত, কয়লা কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার সম্পত্তি ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। গত সোমবার সকালে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ডেকেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। তাঁর থেকে কোন কোন প্রভাবশালী কয়লা পাচারের টাকা পেয়েছে, সে বিষয়ে দীর্ঘ জেরা করা হয় তাঁকে। লালাকে আপাতত গ্রেফতার না করার ক্ষেত্রে রক্ষাকবচ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সেই রক্ষাকবচ না তোলা হলে লালাকে ম্যারাথন জেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিবিআই।

    সিবিআই সূত্রে খবর, বারবার হাজিরা দিলেও তদন্তে অসহযোগিতা করছে অনুপ মাঝি। আর সেই কারণে তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে সিবিআই। গত সোমবার লালাকে নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছিল। এ নিয়ে চতুর্থ দফায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই আধিকারিকরা। তারপরই অনুপ মাজি ওরফে লালার ১৬৫.৮৬ কোটি টাকার অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ইডি। মঙ্গলবারই লালার রক্ষাকবচের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

    অপরদিকে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, আসানসোল এবং পশ্চিম বর্ধমানের বিস্তীর্ণ এলাকায় একাধিক স্পঞ্জ আয়রন কারখানা ছিল লালার। ইসিএল থেকে যে কয়লা লালা তুলে আনত, তার একটা অংশ সেই স্পঞ্জ আয়রন কারখানাতেও ব্যবহার করা হত। এই তথ্য হাতে পেয়েই ইডি নতুন করে উদ্যোগ নেয় এবং লালার এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়। এবার টাকা লেনদেনের তথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এল ইডির হাতে।

    Published by:Suman Biswas
    First published: