Home /News /kolkata /
Exclusive: Justice Abhijit Ganguly: 'দিদি কে বলো...' ভরা এজলাসে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখে কেন এই শব্দবন্ধ? শোরগোল আদালতে

Exclusive: Justice Abhijit Ganguly: 'দিদি কে বলো...' ভরা এজলাসে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখে কেন এই শব্দবন্ধ? শোরগোল আদালতে

কলকাতা হাই কোর্ট

কলকাতা হাই কোর্ট

Justice Abhijit Ganguly: দিদি কে বলো...কেন এমনটা বললেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। 

  • Share this:

কলকাতা: 'দিদি কে বলো' - এমন শব্দবন্ধের সঙ্গে পরিচিত নন, এমন ব্যক্তি এ রাজ্যে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। এবার সেই শব্দ বন্ধ খোদ বিচারপতি'র গলায়। দুপুর ২ঃ৪৫, কলকাতা হাই কোর্টের ১৭ নং কক্ষ৷ হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সটান বলে বসলেন, "দিদি কে বলোই না...দেখো কী হয়।"মন্তব্য যার উদ্দেশ্যে তিনি মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের আইনজীবী প্রসেনজিৎ মুখোপাধ্যায়। মাদ্রাসা শিক্ষিকার বদলি নিয়ে সমস্যা। সন্তান বিশেষভাবে অক্ষম। মাদ্রাসা কমিশনের এমন কোনও বদলির উপায় নেই।

তাই বারবার আবেদনের পরেও সন্তানের চিকিৎসাজনিত কারণে বদলি সুবিধা পাচ্ছেন না সাবিনা ইয়াসমিন। হাইকোর্টে তাই মামলা তাঁর। মামলাকারী আইনজীবী এক্রামূল বারি কাছ থেকে পুরো ঘটনা জেনে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভরা এজলাসে  মন্তব্য,"মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ নিয়মে এত বৈষম্য কেন? শিক্ষক-শিক্ষিকাদের  বদলির ক্ষেত্রে বাছবিচার থাকবে কেন? স্কুল সার্ভিস কমিশনে থাকা সুযোগসুবিধা কেন মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনে থাকবে না!  আইন মানুষের জন্য।"

আরও পড়ুন: অবিশ্বাস্য! পৃথিবীর সবচেয়ে দামি এই জিনিসে তৈরি পদ্মা সেতু! জানলে চমকে যাবেন...

বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য,"আইনের দোহাই দিয়ে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন তাদের হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না।" "নিয়ম যদি আগামী ৭০ বছরেও বদল না হয় তার জন্য ফল ভুগবে সাধারণ মানুষ।""নিয়ম না থাকলে হাইকোর্ট নির্দেশ দেবে, সেই মেনে কাজ করবে মাদ্রাসা কমিশন।" এরপরেই তিনি বলেন, "দিদি কে বলো না, দেখো কী হয়।" মাদ্রাসা কমিশনের আইনজীবীর উদ্দেশ্যে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বোঝাতে চান, একই রাজ্য সরকার স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিযুক্ত হওয়া শিক্ষকদের জন্য দেওয়া সুযোগ সুবিধা, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন নিযুক্ত শিক্ষকদের জন্য কেন দেবেনা। এমন বাছবিচার দুই কমিশনের মধ্যে থাকা উচিত নয়। আসলে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে বদলির কোনও নিয়মই নেই মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনে।

আরও পড়ুন: মারাত্মক! পদ্মা সেতু নির্মাণে ষড়যন্ত্র! তোলপাড় পড়ে গেল বাংলাদেশে

শিক্ষিকা সাবিনা ইয়াসমিন, তাঁর সন্তান বিশেষ রোগের শিকার। সন্তানের দেখভালের জন্য মা কে সর্বক্ষণ থাকতে হয়। এই অবস্থায় গত ১১ বছর ৩৭৫ কিমি দূরের জুনিয়র মাদ্রাসা হাইস্কুলে পড়াতে যেতে হয়। কমিশনের নিয়মে এমন বদলির কোনও অপশন না থাকায় দীর্ঘদিন বঞ্চনার স্বীকার। স্কুল সার্ভিস কমিশনের মতনই বেতন কাঠামো, অন্যান্য সুযোগ সুবিধা মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনে থাকলে, বদলির ক্ষেত্রে নিয়ম আলাদা হবে কেন। ২ দিনের মধ্যে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে অবস্থান জানাতে নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের।

Published by:Suman Biswas
First published:

Tags: Calcutta High Court, SSC, West Bengal news

পরবর্তী খবর