• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • যৌন হেনস্থার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে নয়া আইন তৈরির পথে যাদবপুর

যৌন হেনস্থার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে নয়া আইন তৈরির পথে যাদবপুর

শ্লীলতাহানি, যৌন হেনস্থার অভিযোগে বার বার উত্তপ্ত হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে শহর তোলপাড় করেছে হোক কলরব আন্দোলন।

শ্লীলতাহানি, যৌন হেনস্থার অভিযোগে বার বার উত্তপ্ত হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে শহর তোলপাড় করেছে হোক কলরব আন্দোলন।

শ্লীলতাহানি, যৌন হেনস্থার অভিযোগে বার বার উত্তপ্ত হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে শহর তোলপাড় করেছে হোক কলরব আন্দোলন।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: শ্লীলতাহানি, যৌন হেনস্থার অভিযোগে বার বার উত্তপ্ত হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে শহর তোলপাড় করেছে হোক কলরব আন্দোলন। সম্প্রতি ফেসবুকে যৌন হেসন্থার অভিযোগ নিয়ে পোস্ট ঘিরেও তৈরি হয়েছে বিতর্ক। এবার এ ধরনের ঘটনার জন্য পৃথক আইন করতে চলেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। তৈরি হয়েছে প্রাথমিক খসড়াও। মতামতের জন্য খসড়া পাঠানো হয়েছে অধ্যাপক সংগঠনগুলির কাছে।

    ২০১৪-র সেপ্টেম্বর। এক ছাত্রীর শ্লীলতাহনির অভিযোগ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের উত্তাল হয়ে ওঠে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যাম্পাসে ছাত্রদের ঘেরাও। সেই ঘেরাও তুলতে পুলিশ ঢোকে ক্যাম্পাসে। যেখান থেকে শুরু হোক কলরব আন্দোলনের। সম্প্রতি যৌন হেনস্থার অভিযোগে ফের শিরোনামে আসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। চরম অস্বস্তির মুখে পড়তে হয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। কোনও তদন্ত কমিটি নয়, এ ধরনের ঘটনার জন্য এবার পৃথক আইন তৈরি করতে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয়। ২০১৩ সালের আইন অনুযায়ী রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ইন্টারনাল কমপ্লেন কমিটি দিয়ে যৌন নিগ্রহ, শ্লীলতাহানির মতো ঘটনার তদন্ত করে।

    কেন পৃথক আইন ? -- বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি বর্তমান আইনে ছাত্রীদের বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা নেই -- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রীর সঙ্গে যৌন হেনস্থার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে পৃথক আইনের চিন্তাভাবনা বিশ্ববিদ্যালয়ের -- এ বিষয়ে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলের কাছে আইনি পরামর্শ চাওয়া হয় -- এগজিকিউটিভ কাউন্সিলে নতুন আইনের খসড়া পেশ

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী, অধ্যাপিকা, গবেষক, মহিলা কর্মচারী, মহিলা আধিকারিক সবাই এই নতুন আইনের আওতায় পড়বে। জেন্ডার সেনসিটাইজেশন অ্যান্ড অ্যাকশন এগেনস্ট সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট বা CGSAASH  নামে একটি সেল তৈরি হবে।

    নতুন আইন অনুযায়ী শারীরিকভাবে স্পর্শ বা স্পর্শ করার চেষ্টা, যৌন সম্পর্ক তৈরি করার জন্য চাপ দেওয়া, অশ্লীল কটূক্তি করা, পর্নোগ্রাফি দেখানো বা মৌখিক বা শারীরিকভাবে খারাপ ইঙ্গিত দেওয়ার মতো ঘটনায় এই আইনে তদন্ত হবে।

    নয়া আইন অনুযায়ী সেলের প্রতিনিধিদের নির্বাচনের মাধ্যমে নিয়োগ করতে হবে। এই সেলের মেয়াদ দু বছর। নির্বাচিত মহিলা প্রতিনিধিদের মধ্যে একজনকে চেয়ারপার্সন করা হবে। সেলের সম্পাদক হবেন ডিন অফ স্টুডেন্ট। যদিও, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ।

    ইতিমধ্যেই প্রস্তাবিত আইনের খসড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত অধ্যাপক সংগঠনগুলিকে পাঠানো হবে। এখন তাঁদের মতামতের অপেক্ষা। অধ্যাপকদের একাংশ পৃথক আইন তৈরির প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

    First published: