• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • JU ENTRANCE EXAM CONTROVERSY CONTINUES REGISTER WANT TO INVESTIGATE THE FULL PROCESS

যাদবপুরে ইতিহাসে প্রবেশিকা বিতর্ক, অধ্যাপকদের মূল্যায়ন নিয়েই প্রশ্ন

ফাইল চিত্র ৷

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস প্রবেশিকার মেধাতালিকা নিয়ে বিতর্ক

  • Share this:

    #কলকাতা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস প্রবেশিকার মেধাতালিকা নিয়ে বিতর্ক। দ্বিতীয়বার মূল্যায়নের পর দেখা যায়, নতুন করে ১৫ জনের নাম যোগ হয়েছে। প্রথমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের মূল্যায়নে প্রশ্ন ওঠায় দ্বিতীয়বার অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের মূল্যায়ন করানো হয়। তাতেই এতটা পার্থক্য! তদন্তের ইঙ্গিত দিয়েছেন রেজিস্ট্রার।

    ইতিমধ্যেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা বিভাগের পাঁচটি বিষয়ে ক্লাস শুরু হয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের প্রবেশিকা পরীক্ষার দ্বিতীয় দফার মেধাতালিকা প্রকাশের পর শুরু বিতর্ক। দেখা যায়,

    -যাদবপুরের ইতিহাসের অধ্যাপকদের মূল্যায়নের সঙ্গে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের মূল্যায়ন আলাদা - আগের মেধাতালিকা থেকে ১৫ পরীক্ষার্থীর নাম বাদ গিয়েছে - নতুন করে ১৫ পরীক্ষার্থীর নাম মেধাতালিকায় ঢুকেছে

    মূলত উচ্চমাধ্যমিকে বেশি নম্বর পেয়েও প্রবেশিকায় অনেক কম নম্বর পাওয়ার অভিযোগ বারবার আসে। শুধু তাই নয়, প্রবেশিকায় শূন্য থেকে নয় পাওয়া পড়ুয়াদের সংখ্যাও অনেক বেশি।

    আরও পড়ুন 

    Atal Bihari Vajpayee : বাংলার সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য যোগ, বাঙালি ছেলের সঙ্গেই একমাত্র মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন ‘অবিবাহিত’ বাজপেয়ী

    এখানেই অভিযোগ ওঠে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসের অধ্যাপকরা উত্তরপত্রের যথাযথ মূল্যায়ন করেননি। এরপরই প্রথম দফার মেধাতালিকা প্রকাশ হলেও ভরতি প্রক্রিয়া স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উত্তরপত্রের ফের মূল্যায়নের জন্য অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছ’জন অধ্যাপককে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁদের মূল্যায়নের পর দেখা যায়, যাঁরা প্রবেশিকায় প্রথম দফার মূল্যায়নে ১০০-তে ৬, ৮, ৯ পেয়েছিলেন দ্বিতীয় দফার মূল্যায়নের পর তাঁদের নম্বর হয়েছে ৩০ বা ৪০। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ঘটনা স্বীকার করেছেন। এবিষয়ে কোনও তদন্ত হবে কি না, তা এক্সজিকিউটিভ কাউন্সিলের উপরেই ছেড়েছেন তিনি।

    সোম ও মঙ্গলবার রয়েছে ইতিহাসের ভর্তি প্রক্রিয়া। তবে বাইরের অধ্যাপকদের মূল্যায়ন বিভাগীয় অধ্যাপকদের খানিকটা অস্বস্তিতে ফেলল বলেই মনে করছে বিশ্ববিদ্যালয়েরই একাংশ।

    রিপোর্টার- সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়

    First published: