নৈহাটিতে চটকল কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজে জেপি নাড্ডা, জেনে নিন কী কী থাকবে মেনুতে

নৈহাটিতে চটকল কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজে জেপি নাড্ডা, জেনে নিন কী কী থাকবে মেনুতে

আজ আবার রাজ্যে জে পি নাড্ডা। ফাইল চিত্র

নৈহাটি পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে এক সাধারন বিজেপি কর্মীর বাড়িতে পাত পেড়ে দুপুরের খাবারের পর্ব সারবেন গেরুয়া শিবিরের সর্বভারতীয় সভাপতি।

  • Share this:

কলকাতা: রাজ‍্যের প্রাক-নির্বাচনী পর্বে ফের মধ্যাহ্নভোজ রাজনীতির ছোঁয়া। এবার আবারও আসরে বিজেপির সর্ব-ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি ও মিউজিয়াম দর্শনের পর নৈহাটি পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে এক সাধারন বিজেপি কর্মীর বাড়িতে পাত পেড়ে দুপুরের খাবারের পর্ব সারবেন গেরুয়া শিবিরের সর্বভারতীয় সভাপতি।

নৈহাটির গৌরীপুর কলোনির বাসিন্দা দেবনাথ যাদব পেশায় চটকল কর্মী। স্থানীয় হুকুম চাঁদ জুট মিলের কর্মী দেবনাথ যাদব আবার নৈহাটির ১৩১ নম্বর বুথে গেরুয়া শিবিরের সভাপতিও বটে। পদ্ম শিবিরের সঙ্গে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে যোগাযোগ দেবনাথের।

 লক্ষীবারের দুপুরে তাঁর বাড়িতেই মধ্যাহ্নভোজ পর্ব সারবেন জেপি নাড্ডা। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব শর্মিষ্ঠা দে, অনুপম দত্তর সঙ্গে আলাপ, আলোচনা সারার ফাঁকেই দেবনাথ বলছিলেন, লকডাউনের পর থেকে নিয়মিতভাবে কাজ পান না চটকলে। নুন আনতে পান্তা ফুরোনোর অবস্থা পরিবারে। তবে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির খাতিরদারিতে কোনও রকম খামতি রাখতে রাজি নন বছর চল্লিশের দেবনাথ। বুধবার থেকেই গৌরীপুর কলোনির যাদবদের বাড়িতে সাজ সাজ রব। দেবনাথের ভাইয়ের স্ত্রীরা নিজের হাতেই সব রকম আচার, আয়োজন, জোগাড় সারছেন। কী খাওয়াবেন নাড্ডাজীকে? প্রশ্ন শুনেই হাজার ওয়াটের হাসি যাদব পরিবারের সদস্যদের চোখে-মুখে। বলছিলেন,"যত রকমের পদের ব‍্যবস্থা করা হোক না কেন, মনে হচ্ছে যথেষ্ট নয়! তবু তারই মধ্যে দু'রকম ডাল, পোস্তর বড়া, লাল শাক ভাজা, আলু ভাজা, করলা ভাজা, বেগুন ভাজার পদ থাকছে। থাকবে এঁচোড় ও আলুর তরকারি ও পনিরের পদ। আমের চাটনি ও পাপড় রাখা হবে মেনুতে। শেষ পাতে থাকবে বাঙালির একান্ত নিজস্ব গুড়ের পায়েস ও গুড়ের রসগোল্লা। মাখা সন্দেশ ও মিষ্টি দইয়ের ব‍্যবস্থাও রাখা হবে।"

লক্ষীবারের দুপুরে মধ্যাহ্নভোজ রাজনীতিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির খাবারের আয়োজনে এলাহি ব্যাপার বাংলার এক আম পরিবারে।

-PARADIP GHOSH

Published by:Arka Deb
First published:

লেটেস্ট খবর