• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে যায় না: অমর্ত্য সেন

'জয় শ্রীরাম' স্লোগান বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে যায় না: অমর্ত্য সেন

অমর্ত্য সেন

অমর্ত্য সেন

Amartya Sen: অমর্ত্যের কথায়, 'আমি একদিন আমার ৪ বছরের নাতনিকে জিগ্গেস করলাম, তোমার প্রিয় দেবতা কে? ও উত্তর দিল, মা দুর্গা৷ আমাদের জীবনের সঙ্গে মা দুর্গা শব্দবন্ধটি প্রবল ভাবে জড়িয়ে৷ আমার মনে হয়েছে, জয় শ্রীরাম স্লোগান ব্যবহার করা হয়, মানুষকে গণপিটুনি দেওয়ার জন্য৷'

  • Share this:

    #কলকাতা: ধর্মীয় স্লোগান ও সাম্প্রদায়িক হিংসার বিরুদ্ধে ফের সরব হয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন৷ ধর্মীয় স্লোগান জোর করে দেওয়ানো হচ্ছে, না হলে মারধর করার ঘটনা ঘটছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি৷ অমর্ত্যের মতে, 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়৷

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বলেন, 'মা দুর্গা শব্দবন্ধটি বাঙালি জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গে যেমন ওতপ্রোত ভাবে জড়িত, জয় শ্রীরাম কিন্তু তা নয়৷ জয় শ্রীরাম স্লোগান বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে যায় না৷ ইদানিং দেখছি রাম নবমী বেশ জনপ্রিয় হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে৷ আগে কখনও শুনিনি৷'

    অমর্ত্যের কথায়, 'আমি একদিন আমার ৪ বছরের নাতনিকে জিগ্গেস করলাম, তোমার প্রিয় দেবতা কে? ও উত্তর দিল, মা দুর্গা৷ আমাদের জীবনের সঙ্গে মা দুর্গা শব্দবন্ধটি প্রবল ভাবে জড়িয়ে৷ আমার মনে হয়েছে, জয় শ্রীরাম স্লোগান ব্যবহার করা হয়, মানুষকে গণপিটুনি দেওয়ার জন্য৷'

    দেশের ধর্মীয় হিংসা ও অসহিষ্ণুতা নিয়ে এর আগেও একাধিক বার মুখ খুলেছেন অমর্ত্য সেন৷ লোকসভা ভোটের দেশে গেরুয়া ব্রিগেড যখন রাম মন্দির তৈরি নিয়ে হাওয়া গরম করছিল, তখন ধর্মীয় ইস্যুতে মাতামাতিতে রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ৷ তাঁর মত ছিল, বেকারত্ব, দেশের আর্থিক বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি থেকে নজর ঘোরাতেই রাম মন্দির নিয়ে মাতামাতি করছে বিজেপি সরকার৷

    অমর্ত্য সেন বলেছিলেন, 'একজন সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে আমার মনে হয়, বেকারত্ব, আর্থিক বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি থেকে নজর ঘোরাতেই রাম মন্দির, গোরক্ষা, শবরীমালা-সহ ধর্মীয় বিষয় গুলি নিয়ে মাতামাতি করা হচ্ছে৷ আর্থিক বৃদ্ধির হার যদিও বেশি, কিন্তু‌ তাতে গরিবের জীবনযাত্রার মানোন্নতি হয়নি৷ ঠিক এই জায়গাতেই, গোরক্ষা বা মন্দিরে নজর ঘোরানো প্রয়োজন হয়ে পড়েছে৷'

    First published: