অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা কেন নয় পুলিশের, জাগুয়ার দুর্ঘটনা কাণ্ডে উঠছে নানা প্রশ্ন

অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা কেন নয় পুলিশের, জাগুয়ার দুর্ঘটনা কাণ্ডে উঠছে নানা প্রশ্ন
Photo- Video Grab

জাগুয়ার ছুটছে। গতিবেগ ঘণ্টায় একশো থেকে একশো দশ কিলোমিটার।

  • Share this:

#কলকাতা: পর পর ভাঙল তিনটি সিগনাল। বৃষ্টির রাতে শহরের এক উচ্চবিত্তের ছেলের শখের গাড়ি চালানোয় প্রাণ হারালেন দুই বিদেশি। এরপরেও জাগুয়ার দুর্ঘটনায় গ্রেফতার আরসালান পারভেজের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করল না পুলিশ। কেন ? পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন।

জাগুয়ার ছুটছে। গতিবেগ ঘণ্টায় একশো থেকে একশো দশ কিলোমিটার।প্রথমে জহওরলাল নেহরু রোড। তারপর থিয়েটর রোড ধরে পর পর সিগনাল ভাঙল মিডলটন স্ট্রিট এবং রাসেল স্ট্রিটে। শুক্রবার রাত পৌনে দুটো থেকে একটা পঞ্চাশের মধ্যে পরপর চারটি সিগনাল ভেঙে ধাক্কা লাউডন স্ট্রিটে।

জাগুয়ারের প্রবল ধাক্কায় ঘটনাস্থল থেকে প্রায় কুড়ি ফিট দূরে ছিটকে পড়ে মার্সিডিজ। ধাক্কা মারে শেক্সপিয়র সরণি থানার উলটোদিক সিমেন্টের তৈরি পুলিশ কিয়স্কে। ওই সময় বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে কিয়স্কের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন তিন বাংলাদেশি পর্যটক। তাঁদের দু’জনের মৃত্যু হয়।

এরপরেও ধৃত আরসালান পারভেজের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা নয় কেন ?বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গতিতে গাড়ি চললে এবং ধাক্কা লাগলে কারও মৃত্য ঘটতে পাের। আর বেপরোয়া গতিতে পরপর সিগনাল ভাঙায় আরসালানের ধারণা এবং প্রবনণতা স্পষ্ট। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, জাগুয়ারের নম্বরে এর আগে আটচল্লিশটি মামলা হয়েছে। যার মধ্যে তেতাল্লিশ বার বেপোয়া গতির জন্য।

এই প্রথমে রাতের কলকাতায় বেপরোয়া গতিতে প্রাণ গেল দুই বিদেশির। স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনায় উঠছে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ। কারণ...

রাত একটা পঁয়তাল্লিশ থেকে একটা পঞ্চাশের মধ্যে তিনটি সিগনাল ভাঙেন আরসালান। চার নম্বর সিগনালে ভেঙে ধাক্কা মারেন মার্সিডিজে। প্রতিটি সিগনালে আছে ক্যামেরা। প্রতিটি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে বেপোয়ারা গতি। এরপরেও কী ভাবে নির্বিকার ছিল পুলিশ? কেন আগেই বাঁধা দেওয়া হয়নি গাড়িটিকে ? কেন সতর্কবার্তা ছিল না কন্ট্রোলরুম থেকে ?

আরও দেখুন

First published: 03:48:36 PM Aug 19, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर