কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

'দেহ টেনে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় সরকারের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত' ট্যুইটে তোপ রাজ্যপালের

'দেহ টেনে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় সরকারের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত' ট্যুইটে তোপ রাজ্যপালের
Jagdeep Dhankhar

শনিবারই রাজভবনে গিয়ে ঘণ্টা দুয়েক ধরে পুর কমিশনার বিনোদ কুমার রাজ্যপালকে পুরো ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য তুলে ধরেন। পুর কমিশনের থেকে রিপোর্ট পাওয়ার পর রবিবার আবারও কড়াভাষায় রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে পরপর ৩ টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখর।

  • Share this:

#কলকাতা: আবারও রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত চরম পর্যায়ে। শ্মশান কাণ্ডে সরকারের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে শনিবারই ট্যুইট করেছিলেন রাজ্যপাল। শুধু তাই নয় গড়িয়া শশান ঘাটে স্বরাষ্ট্রসচিব ও কলকাতা পুরসভার পুর প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান এবং পুর কমিশনারের থেকে রিপোর্ট চেয়েছিলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রসচিব এবং পুর কমিশনার তাঁকে ব্যাখ্যা দিলেও রাজ্যপাল বিজেপির হয়ে কাজ করছেন বলে শনিবারই মন্তব্য করেছেন ফিরহাদ হাকিম।

শনিবারই রাজভবনে গিয়ে ঘণ্টা দুয়েক ধরে পুর কমিশনার বিনোদ কুমার রাজ্যপালকে পুরো ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য তুলে ধরেন। পুর কমিশনের থেকে রিপোর্ট পাওয়ার পর রবিবার আবারও কড়াভাষায় রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে পরপর ৩ টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখর।এদিন ট্যুইটে তিনি বলেন "দেহ টেনে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা অকল্পনীয়। সরকারের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত। এই বর্বরতা মানবতার কলঙ্ক। ভিডিওগুলিকে ভুয়ো হিসাবে বলা অবর্ণনীয় ভুল। গোটা ঘটনা লজ্জাজনক। সরকারের প্রতিক্রিয়া রিমোট কন্ট্রোলে এসেছে। মানুষের ক্রোধের ধারনা সরকারের নেই। প্রতিক্রিয়া জানানোর আগে সেটা ভাবা দরকার। মৃত ১৪ জনের একজনও আমাদের পরিবারের হতে পারত। স্বরাষ্ট্র দফতরের কাছে জানতে চেয়েছি।"

গড়িয়া শ্মশানে মৃতদেহ সৎকার নিয়ে কার্যত বিতর্ক তুঙ্গে। শুক্রবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখর পুর প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যানক ফিরহাদ হাকিম ডেকে পাঠান। ফিরহাদ জানিয়ে দেন যে তিনি যাবেন না। তবে শনিবার সকাল বেলায় নির্ধারিত সময় পুর কমিশনার বিনোদ কুমার রাজভবনে গিয়ে জানিয়ে আসেন দেহগুলি করোনা আক্রান্তদের নয়। রাজ্যপাল সেকথা বৈঠকের পর ট্যুইট করে জানান। তবে একই সঙ্গে তিনিও ট্যুইট করে পাল্টা ফিরহাদ হাকিমের দিকে তিনি আঙ্গুল তোলেন। শুধু তাই নয়, স্বরাষ্ট্র দফতরের কাছ থেকে এই ঘটনা সম্পর্কে জানতে চান রাজ্যপাল। যার পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে রাজভবনে চিঠি দিয়ে জানানো হয় বেওয়ারিশ দেহ সৎকারের নিয়ম কানুন বদলের কথা ভাবা হচ্ছে। পরে স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে ট্যুইট করে ও শনিবার জানানো হয় সরকার মরদেহের মর্যাদা রক্ষা করতে জানে। করণা মহামারীর সময়ে মৃতদেহের সৎকার আত্মীয়দের শ্রদ্ধা জানানোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নীতি নেওয়া হয়েছে।

তবে শুধু গড়িয়া শ্মশান কাণ্ডে বিতর্ক নয়, তৃণমূল কংগ্রেসের মহুয়া মৈত্র,দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গেও একের পর এক ট্যুইট যুদ্ধে নেমে পড়েছেন রাজ্যপাল। শনিবারই মহুয়া মৈত্রকে কড়া ভাষায় ট্যুইট করেন রাজ্যপাল। যে ট্যুইটের অবশ্য উত্তর দিতে খুব একটা দেরি করেননি মহুয়া মৈত্র। শুধু তাই নয় শ্মশান কাণ্ড নিয়ে রাজ্যপালের একের পর এক মন্তব্য নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতা,মন্ত্রী,সাংসদ রাজ্যপালকে উদ্দেশ্য করে কড়া ভাষায়  ট্যুইট করতে থাকেন। জানিয়েও অবশ্য রাজ্যপাল শনিবার রাতেই কড়া ভাষায় ট্যুইট করে তাঁর প্রতিক্রিয়া দেন। শুধু তাই নয় দীনেশ ত্রিবেদীকে উদ্দেশ্য করে চড়া ভাষায় লেখেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখর। এরপর রবিবার সকালে গড়িয়া শ্মশান কাণ্ড নিয়ে ফের তিনটি ট্যুইট  করে রাজ্যপাল বুঝিয়ে দেন, যে এখানেই তিনি থামবেন না। রাজ্যের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত আরও বাড়তে চলেছে, অন্তত রবিবারের ট্যুইটের পর তাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

 
Published by: Pooja Basu
First published: June 14, 2020, 2:18 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर