হারের পরেই জোটসঙ্গী আইএসএফ-কে তুলোধনায় সায় নেই সূর্যকান্ত মিশ্রদের

সূর্যকান্ত মিশ্র সীতারাম ইয়েচুরিরা আইএসএফ-কে দুষতে চান না।

সূর্যকান্ত মিশ্র বলছেন, যারা আইএসএফ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ভোটের সময় তাঁরাই আব্বাস সিদ্দিকিকে বক্তা হিসেবে চেয়েছিলেন।

  • Share this:

    #কলকাতা: ভোট মিটতেই শুরু হয়েছে দোষারোপের পালা। সংযুক্ত মোর্চার খারাপ ফলের জন্য অনেকেই দায়ী করছেন আইএসএফ-কে। সিপিএম নেতারাও একই লাইনে হাঁটছেন। তবে রাজ্যকমিটির বৈঠকে আইএসএফ-এর দিকে আঙুল তোলার প্রবণতাকেই বিঁধলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূ্র্যকান্ত মিশ্র।তাঁর বক্তব্য আইএসএফ-এর সঙ্গে জোট পার্টি লাইনের পরিপন্থী নয়। সূর্যকান্ত মিশ্র বলছেন, যারা আইএসএফ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ভোটের সময় তাঁরাই আব্বাস সিদ্দিকিকে বক্তা হিসেবে চেয়েছিলেন।

    বিপর্যয় নিয়ে সিপিএমের প্রথম বৈঠক বসে গত   ২৯ মে। সেখানে দলের একটা বড় অংশই উষ্মা প্রকাশ করে  আইএসএফ-এর সঙ্গে জোট নিয়ে। রাজ্য কমিটির ওই বৈঠকে বলা হয়,  পর্যালোচনা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের বহু নেতারাই জানান, আইএসএফ-এর সঙ্গে জোট সাধারণ মানুষ মেনে নেয়নি বলেই তাঁরা মনে করছেন। এতে দলের ধর্মনিরপেক্ষ যে চেহারা তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

    দু'দিনব্যাপী সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠকে পুনরায় এই বিষয়টি উত্থাপিত হয়। এই বৈঠকে ৫২ জন রাজ্য কমিটির সদস্য আলোচনায় অংশ নেন। অনেকেই লিখিত বক্তব্য প্রকাশ করেন। আইএসএফ নিয়ে যথারীতি প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু সীতারাম ইয়েচুরি হোন বা সূর্যকান্ত মিশ্র. আইএসএফ-এর উপর দায় চাপাতে রাজি নন কেউই।

    উল্লেখ্য ভোটের ফলে সিপিএম কংগ্রেসের ঝুলি শূন্য হলেও আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকি একটি আসন পেয়েছেন। সিপিএম বিষয়টিকে সমীহই করছে। সূর্যকান্ত মিশ্র বারংবারই বলেছেন আগ বাড়িয়ে কুমন্তব্য করে কোনও ভাবেই জোট ভাঙার পক্ষে নন তিনি। আইএসএফ যে ধর্মীয় শক্তি এমনটাও মানতে রাজি নন সূর্যকান্ত-সীতারমরা।

    তাহলে কি কোন পথে আগামীদিনের লড়াই? সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, জনগণের সমস্যা গুলি নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে শ্রেণি আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধি করতে হবে। আদিবাসী তপশিলি জাতির জাতির মানুষের সমস্যায় তাদের পাশে থাকা বৃদ্ধি করতে হবে। শ্রেণি আন্দোলনের প্রশ্ন থেকে সামাজিক প্রশ্ন কে পৃথক করা যাবে না।

    Published by:Arka Deb
    First published: