• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • IRRIGATION DEPARTMENT REPAIRING ALL DAMS BEFORE 26TH JUNE HIGH TIDE SDG

High Tide Alert: ২৬ জুনের ভরা কোটালে মহা বিপদের আশঙ্কা! আগেই সব বাঁধ মেরামতি সারছে রাজ্য

বাঁধ মেরামতি সারছে রাজ্য ।

নবান্ন থেকে সতর্ক করা হয়েছে আগামী ২৬ তারিখের কোটাল। শনিবারই দিঘা থেকে বকখালি পর্যন্ত ভরা কোটালের সময় সমুদ্রের জলস্তর ১৬.৬৩ ফুট হয়েছিল। আগামী ২৬ মে সেই স্তর আরও বাড়তে পারে।

  • Share this:

#কলকাতা: যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে সুন্দরবন-সহ উপকূলবর্তী এলাকায় নদী বাঁধ মেরামতির কাজ। সুন্দরবন-সহ উপকূলবর্তী এলাকায় আছে প্রায় ১৮০ কিমি নদী বাঁধ। ১১ তারিখ কোটাল পেরোলেও প্রশাসনকে চিন্তায় রেখেছে আগামী ২৬ মে-র কোটাল। ফলে কোথাও কোনও ধরণের ফাঁক যাতে না থাকে সেই কাজ অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে শুরু করে দিয়েছে সেচ দফতর।

রাজ্য সেচ দফতর সূত্রে খবর, প্রায় ১৫২ কিমি নদী বাঁধ মেরামতের কাজ শেষ করে ফেলেছে জেলা প্রশাসন। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বাকি কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে জানাচ্ছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই নবান্ন থেকে সতর্ক করা হয়েছে আগামী ২৬ তারিখের কোটাল নিয়ে। শনিবারই দিঘা থেকে বকখালি পর্যন্ত ভরা কোটালের সময় সমুদ্রের জলস্তর ১৬.৬৩ ফুট হয়েছিল। আগামী ২৬ মে সেই স্তর আরও বাড়বে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গোসাবা। সেখানের বাসিন্দাদের সহায়তায় ও সেচ দফতর যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পাখিরালা, কুমিরমারি, রাঙাবেলিয়ায় বাঁধের একাংশের কাজ শেষ করে ফেলেছে। দ্রুততার সাথে কাজ চলছে দুলকি, গোনাগাঁ অঞ্চলে। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সেই কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে জানাচ্ছে সেচ দফতর। কাজ এগিয়ে গিয়েছে কুলতলিতে। কাজ চলছে পাথরপ্রতিমায়। সেখানেও কাজ আগামী সপ্তাহে শেষ হয়ে যাবে বলে জানাচ্ছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। ক্ষতিগ্রস্ত সাগর দ্বীপের ধবলাহাট, মুড়িগঙ্গা সহ একাধিক এলাকায় দ্রুততার সাথে চলছে বাঁধ নির্মাণ। আগামী ২৬ তারিখের মধ্যে সেই কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে জানাচ্ছেন দফতরের আধিকারিকরা। এছাড়াও দক্ষিণ ২৪ পরগণার বজবজ, মহেশতলা এলাকায় নদী তীরবর্তী এলাকায় বাঁধের কাজ শেষ।

১১ জুনের কোটাল পেরিয়ে যেতে পারলেও মানুষকে চিন্তায় রেখেছে আগামী ২৬ তারিখের কোটাল। তার আগে সেচ দফতর যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বাঁধের কাজ শেষ করতে না পারলে সমস্যা বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আগামী ২৬ মে যে কোটাল আসবে তার মাত্রা অনেক বেশি হবে। ফলে একাধিক বাঁধ টপকে গ্রামে জল ঢুকবে। ফলে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কারণে যে সব নদী বাঁধে বা এমব্যাঙ্কমেন্ট ব্রিচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেই সব জায়গা ভাল করে মেরামতি না হলে আগামী কোটালে ফের জল ঢুকে গ্রামগুলি প্লাবিত হবে৷ রাজ্যের সেচ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র জানিয়েছেন, 'দফতরের ইঞ্জিনিয়র ও কর্মীরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন। আশা করছি আগামী ২০ তারিখের মধ্যে উপকূলীয় এলাকায় বাঁধের কাজ শেষ হবে।'

 ABIR GHOSHAL

Published by:Shubhagata Dey
First published: