মালদহই মাথাব্যথা তৃণমূলের, শীঘ্রই নেতাদের কলকাতায় ডেকে কথা বলতে পারে শীর্ষ নেতৃত্ব

মালদহই মাথাব্যথা তৃণমূলের, শীঘ্রই নেতাদের কলকাতায় ডেকে কথা বলতে পারে শীর্ষ নেতৃত্ব
প্রতীকী চিত্র

দুই নেতাই জানিয়েছেন, তারা নির্দিষ্ট জায়গায় অভিযোগ জানিয়েছেন। যদিও সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছে না দু'জনের ঘনিষ্ঠ মহল।

  • Share this:

#মালদহ: মালদহ নিয়ে জেরবার তৃণমূল কংগ্রেস। একাধিকবার সাবধান করা হলেও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বন্ধ হচ্ছে না মালদহ জুড়ে। সোমবার রাতে কৃষেন্দু বনাম নীহারের লড়াই ঘিরে আসলে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে বলে মনে করছে দল। তাই ইংরেজবাজারের এই দুই নেতার দ্বন্দ্ব মেটাতে এবার কড়া অবস্থান নিতে পারে দল। দুই নেতাই জানিয়েছেন, তারা নির্দিষ্ট জায়গায় অভিযোগ জানিয়েছেন। যদিও সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছে না দু'জনের ঘনিষ্ঠ মহল।

 শুভেন্দু অধিকারীর দলত্যাগের পরেই মালদহ জেলা নিয়ে বৈঠকে বসেছিল তৃণমূল শিবির। সেখানে গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব এড়াতে যেমন বলা হয় তেমনই শুভেন্দু ছোঁয়াচ এড়িয়ে কী ভাবে এগোনো যায় সেটিও নজর রাখা হয়েছিল। যদিও গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব যে কাটেনি। গতকাল রাতের ঘটনার পরে তা মনে করছে রাজনৈতিক মহল। স্থানীয় বিধায়ক তথা পুর প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারম্যান নীহাররঞ্জন ঘোষ ইতিমধ্যেই মালদার দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতামন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে ফোনে অভিযোগ করেছেন।

অন্য দিকে জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী অভিযোগ জানিয়েছেন দলের শীর্ষ স্তরে। তবে দল মনে করছে যা ঘটেছে তাতে বিধানসভা ভোটের আগে মালদহে চূড়ান্ত অস্বস্তিতে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস।।তবে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মালদহ সফরের কয়েকদিন পরেই দলের অভ্যন্তরে ‘গোষ্ঠীকোন্দলের’ বিষয়টি সামনে আসায় বিড়ম্বনায় পড়েছে ঘাসফুল শিবির।


বিশেষত লোকসভা ভোটে মালদহ থেকে কার্যত খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল তৃণমূলকে। তাই বিধানসভা নির্বাচনে মালদহবাসীর কাছে ভোটের আর্জি জানিয়ে গিয়েছেন মমতা। সেই পরিস্থিতিতে দলের অভ্যন্তরে ‘কোন্দল’-এর ফলে জেলায় তৃণমূলের আরও সমস্যা বাড়ল বলে মত রাজনৈতিক মহলের। অন্যদিকে তৃণমূল সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহেই মালদার এই দুই নেতাকে ডেকে কথা বলতে পারে দলের শীর্ষ নেতারা। একাধিকবার সাবধান করা হলেও বারবার শৃঙ্খলা ভাঙছেন তারা। খোদ দলনেত্রী সাবধান করার পরেও যেভাবে মালদা শহরে প্রকাশ্যে গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব চলল তাতে দল কড়া বার্তা দিতে চলেছে।

Published by:Arka Deb
First published:

লেটেস্ট খবর