• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • বিদ্যুৎমন্ত্রীর ঘোষণায় সিঙ্গুরে জোরালো হচ্ছে শিল্প সম্ভাবনা

বিদ্যুৎমন্ত্রীর ঘোষণায় সিঙ্গুরে জোরালো হচ্ছে শিল্প সম্ভাবনা

সিঙ্গুরে শিল্প সম্ভাবনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। বিদ্যুতের সাবস্টেশন ও ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার দুটি সরানোর কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

সিঙ্গুরে শিল্প সম্ভাবনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। বিদ্যুতের সাবস্টেশন ও ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার দুটি সরানোর কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

সিঙ্গুরে শিল্প সম্ভাবনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। বিদ্যুতের সাবস্টেশন ও ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার দুটি সরানোর কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: সিঙ্গুরে শিল্প সম্ভাবনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। বিদ্যুতের সাবস্টেশন ও ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার দুটি সরানোর কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সিঙ্গুরে গিয়ে ওই সাব স্টেশন দুটির জন্য উপযুক্ত জমির খোঁজ করেন তিনি। ওই স্টেশন দুটি বর্তমানে অন্যের জমিতে রয়েছে। বিদ্যুৎমন্ত্রীর এই উদ্যোগে সিঙ্গুরে শিল্পে নির্মাণের জল্পনা বাড়ছে।

    সিঙ্গুরে জমি পরিষ্কার চললেও, আপাতত সরছে না পাওয়ার স্টেশন। ২২০ কেভি-র সাব স্টেশন ৩৩ কেভি-র ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার খোলার কাজ আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাতেই সিঙ্গুরে শিল্পস্থাপনের জল্পনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

    বৃহস্পতিবারই, এলাকা পরিদর্শন করেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ওই সাবস্টেশন দুটি ভিন্ন মালিকানার জমিতে রয়েছে। ব্যবস্থা পাকা করতে, ওই স্টেশন দুটি বিদ্যুৎ দফতরের নিজস্ব জমিতে সরিয়ে আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তার জন্য জমিও এদিন দেখেন বিদ্যুৎমন্ত্রী। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘সিঙ্গুরে বিদ্যুতের ২২০ কেজি সাব স্টেশন আছে ৷ সেখান থেকে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ বণ্টন হয় ৷ হিমাদ্রী কেমিক্যালস প্রস্তাব দিয়েছে। বিদ্যুৎ দফতরের নিজের জমিও রয়েছে। সেখানে নতুন সাব স্টেশন তৈরি হতে পারে ৷’

    সিঙ্গুরের কৃষকদের একাংশ মুখিয়ে রয়েছেন শিল্পের জন্য। সেই সম্ভাবনার জল্পনা জোরালো করে দিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রীও। তিনি বলেন, ‘শিল্প চাইলে মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন ৷ মানুষের দাবি নিয়েই লড়াই করেছেন তিনি ৷ মুখ্যমন্ত্রী সারা দেশ, বিশ্ব ঘুরছেন ৷ শিল্পসম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন ৷ এখানে লোডশেডিং হয় না ৷ বিদ্যুৎ, জল, রাস্তা পরিকাঠামো প্রস্তুত ৷ সিঙ্গুরে শিল্প হবে কিনা ৷ তা মুখ্যমন্ত্রী ও শিল্পপতিরা বিচার করবেন ৷’

    বুধবার মিউনিখের বণিকসভায় এরাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের জন্য সওয়াল করেছিলেন খোদ টাটার প্রতিনিধিরা। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও বারবার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন টাটাকে। আগের মতোই ফসল বোনা, নাকি উৎপাগনশীল কোনও শিল্প? শেষপর্যন্ত অবশ্য সিদ্ধান্ত নেবে সিঙ্গুর।

    First published: