• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • লকডাউনে নিঃশব্দ বিপ্লব ভারতীয় ডাকঘরের! বাংলায় দায়িত্বে এলেন নতুন প্রধানও 

লকডাউনে নিঃশব্দ বিপ্লব ভারতীয় ডাকঘরের! বাংলায় দায়িত্বে এলেন নতুন প্রধানও 

বৈদেশিক বিভাগে এক ডাক বিভাগের কর্মীকে হারাতে হয়। তারপরও দমে থাকেননি তাঁরা। বায়ুসেনার বিমানে কিট, করোনার বিভিন্ন মেডিকেল সরঞ্জাম, পিপিই বিমানবন্দর ছুঁলেই পরের কাজ ছিল ডাকবিভাগের। নির্দিষ্ট গন্তব্যে তা পৌঁছে দিয়েছেন ডাককর্মীরা।

বৈদেশিক বিভাগে এক ডাক বিভাগের কর্মীকে হারাতে হয়। তারপরও দমে থাকেননি তাঁরা। বায়ুসেনার বিমানে কিট, করোনার বিভিন্ন মেডিকেল সরঞ্জাম, পিপিই বিমানবন্দর ছুঁলেই পরের কাজ ছিল ডাকবিভাগের। নির্দিষ্ট গন্তব্যে তা পৌঁছে দিয়েছেন ডাককর্মীরা।

বৈদেশিক বিভাগে এক ডাক বিভাগের কর্মীকে হারাতে হয়। তারপরও দমে থাকেননি তাঁরা। বায়ুসেনার বিমানে কিট, করোনার বিভিন্ন মেডিকেল সরঞ্জাম, পিপিই বিমানবন্দর ছুঁলেই পরের কাজ ছিল ডাকবিভাগের। নির্দিষ্ট গন্তব্যে তা পৌঁছে দিয়েছেন ডাককর্মীরা।

  • Share this:

করোনা এবং লকডাউনে যখন থরহরিকম্প গোটা দেশ তখন নিঃশব্দে বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলল ভারতীয় ডাক বিভাগ। বাস, ট্রেন, অন্যান্য যান বন্ধ। আপনি গৃহবন্দি। বাজার-ঘাট শুনশান। এমন কঠিন সময়ে মার্চের মাঝামাঝি থেকে নাগাড়ে পরিষেবা দিয়ে গিয়েছেন ডাক বিভাগের কর্মীরা।

পশ্চিমবঙ্গ সার্কেলের প্রায় ২৯০০০ কর্মীর কাজ ছিল আরও চ্যালেঞ্জিং। ধরুন রাজ্যে পৌঁছলো প্রথম টেস্টিং কিট সরাসরি বিমান বন্দরে। এরপর সেই কিট নাইসেড হোক কী অন্য জায়গা, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিখুঁত টাইমিং-এ তা যথাস্থানে পৌঁছে দিয়েছেন ডাক বিভাগের কর্মীরা। করোনা ইনিংসের শুরুতে খুব মনমরা খবরও ছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ডাকবিভাগের জন্য।

বৈদেশিক বিভাগে এক ডাক বিভাগের কর্মীকে হারাতে হয়। তারপরও দমে থাকেননি তাঁরা। বায়ুসেনার বিমানে কিট, করোনার বিভিন্ন মেডিকেল সরঞ্জাম, পিপিই বিমানবন্দর ছুঁলেই পরের কাজ ছিল ডাকবিভাগের। নির্দিষ্ট গন্তব্যে তা পৌঁছে দিয়েছেন ডাককর্মীরা।

এ ছাড়া স্যানিটাইজার পিপিই কিট-সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম পোস্টাল অর্ডার দেওয়ার পর তা নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছে দিয়েছে ডাক বিভাগের কর্মীরা। ৮০ লক্ষ মানুষের কাছে আধার লিঙ্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে বাড়িতেই এটিএম-এ টাকা তোলার মতো সুবিধা দিয়েছেন পোস্টম্যান। লকডাউনের ৪ দফা এবং আনলক মিলিয়ে ৫.৩১ কোটি পরিষেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে ডাকবিভাগ।

যদিও প্রথম পর্যায়ে এক কর্মীর মৃত্যু হলেও, পরের দীর্ঘ করোনা ইনিংসে সুস্থ থেকেই পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছে ডাক বিভাগ। সোমবার ডাক বিভাগের পশ্চিমবঙ্গ সার্কেলের চিপ পোস্টমাস্টার জেনারেল পদে দায়িত্ব নিলেন এস মার্ভিন আলেকজান্ডার। ইন্ডিয়ান পোস্টাল সার্ভিস ১৯৮৭ ব্যাচের অফিসার তিনি। দায়িত্ব নিয়েই জানিয়েছেন, 'করোনা মধ্যগগনে রয়েছে এই মুহূর্তে দেশে। জীবন ও পরিষেবা টিকিয়ে রাখা এই মুহূর্তে চ্যালেঞ্জিং এবং ঝুঁকিপ্রবণ।"

অ্যাটমিক এনার্জি বিভাগের যুগ্মসচিব পদে আগে কর্মরত ছিলেন মারভিন আলেকজান্ডার। রাজ্যের পাশাপাশি আন্দামান এবং সিকিমের ডাক পরিষেবা দেখার দায়িত্ব তার কাঁধে। করোনা-কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়ে কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করতে তিনি হাতিয়ার করেছেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। প্রথম দিনই তাঁর সকলের উদ্দেশ্যে  বার্তা, 'চিত্ত যেথা ভয় শূণ্য...।'

ARNAB HAZRA

Published by:Arindam Gupta
First published: