বন্ধন-মৈত্রী বন্ধ, বন্ধ হল বাসও! ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতে গভীর শঙ্কার মেঘ

বন্ধন-মৈত্রী বন্ধ, বন্ধ হল বাসও! ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতে গভীর শঙ্কার মেঘ
  • Share this:

ABIR GHOSHAL

#কলকাতা: মৈত্রীর সঙ্গে আপাতত বন্ধন নেই শ্যামলীর। আগামী এক মাস এই বন্ধন ছিন্ন থাকবে বলেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কবে থেকে আবার ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধন যুক্ত হবে তা নিয়ে সংশয়ে যাত্রী-সহ  বাস মালিক ও ট্রেনের যাত্রীরা।

কলকাতা থেকে আগরতলা পর্যন্ত বাস চলাচল শুরু হয়েছে ২০১৫ সাল থেকে। এর আগে ১৯৯৯ সাল থেকে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বাস চলাচল করছে। বর্তমানে কলকাতা থেকে ঢাকা, খুলনার মধ্যে বাস চলাচল করে। করোনার জেরে আপাতত বন্ধ সেই বাস চলাচল। কলকাতা থেকে ঢাকার মধ্যে বেশি বাস চলে শ্যামলী পরিবহনের। সংস্থার মালিক অবনী ঘোষ বলেন, "পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে সবচেয়ে বেশি মানুষ যাতায়াত করেন। ইতিমধ্যেই দুই দিক থেকে সেই বুকিং হয়ে গিয়েছিল। সব বুকিং বাতিল করে দিতে হল। একইসঙ্গে আগামী এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি থেকে ইদের কেনাকাটার জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রচুর মানুষ কলকাতায় আসেন। বাংলাদেশ থেকে সেই বুকিং বাতিল হয়ে গিয়েছে।"

এত মানুষের বুকিং বাতিল হয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে শ্যামলী পরিবহণ সংস্থা। সপ্তাহে সোম, বুধ ও শুক্র আসা যাওয়া মিলিয়ে প্রায় ২৪ বার বাস যাতায়াত করে। সব মিলিয়ে প্রায় হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন ৪৫ আসনের এই বাসে। শ্যামলী ছাড়াও বেশ কয়েকটি সংস্থা বাস চালায়। আবার অনেকে বনগাঁ সীমান্ত পর্যন্ত বাস চালায়। এ ছাড়া শিলিগুড়ি দিয়েও বাস চলে৷ সব মিলিয়ে প্রায় ২৫০০ যাত্রী এক সপ্তাহে বাস পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত থাকেন। অন্যদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত বন্ধন ও মৈত্রী এক্সপ্রেসের চলাচল আপাতত বন্ধ হয়ে আছে। ফলে যে সমস্ত যাত্রীরা বাংলাদেশ যাওয়ার জন্য বা ভারতে আসার জন্য অপেক্ষা করছেন তাঁদের অসুবিধা এই দুই ট্রেন বন্ধ হওয়ায় চরম। যাঁরা শেষ মৈত্রী এক্সপ্রেসে করে কলকাতায় ফিরে আসতে পেরেছেন তাঁরা ধন্যবাদ জানাচ্ছেন ভগবানকে।

তবে চিকিৎসার জন্য ভারতে আসা ব্যক্তিরা আশা প্রকাশ করছেন, তাঁরা অন্তত দেশে ফিরতে পারবেন। ইতিমধ্যেই কলকাতা স্টেশনে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইমিগ্রেশন বিভাগে থাকা বি এস এফ সদস্যরা মাস্ক পড়ে ডিউটি করছেন। রেল ও বাস দু'ই সংগঠন চাইছে দ্রুত সব সমস্যার সমাধান হোক।

First published: March 15, 2020, 6:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर