পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় হাইকোর্টের, আশায় বুক বাঁধছেন শ্রমিকের দল

পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় হাইকোর্টের, আশায় বুক বাঁধছেন শ্রমিকের দল

করোনা আবহে পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে থাকার বার্তা নিয়ে জুন মাসে আসে কেন্দ্রীয় সরকারের "গরিব কল্যাণ রোজগার অভিযান" প্রকল্প। এই প্রকল্পে রাজ্যের জেলা গুলোর নাম কি এবার অন্তর্ভুক্ত হবে? অন্তত সেই সম্ভাবনা অনেকটাই উজ্জ্বল হয়েছে হাইকোর্টের এক নির্দেশকে ঘিরে

করোনা আবহে পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে থাকার বার্তা নিয়ে জুন মাসে আসে কেন্দ্রীয় সরকারের "গরিব কল্যাণ রোজগার অভিযান" প্রকল্প। এই প্রকল্পে রাজ্যের জেলা গুলোর নাম কি এবার অন্তর্ভুক্ত হবে? অন্তত সেই সম্ভাবনা অনেকটাই উজ্জ্বল হয়েছে হাইকোর্টের এক নির্দেশকে ঘিরে

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা আবহে পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে থাকার বার্তা নিয়ে জুন মাসে আসে কেন্দ্রীয় সরকারের "গরিব কল্যাণ রোজগার অভিযান" প্রকল্প। এই প্রকল্পে রাজ্যের জেলা গুলোর নাম কি এবার অন্তর্ভুক্ত হবে?  অন্তত সেই সম্ভাবনা অনেকটাই  উজ্জ্বল হয়েছে হাইকোর্টের এক নির্দেশকে ঘিরে।

 বাম-ডান সব রাজনীতিবিদদের মুখে প্রকল্প  নিয়ে চর্চা হয়েছে তবে কাজের কাজ সেভাবে কিছুই হচ্ছিল না। কেন্দ্রীয় প্রকল্পে নাম অন্তর্ভুক্ত করার উপায় বাতলে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি টি  বি  রাধাকৃষ্ণণের ডিভিশন বেঞ্চ যে ফরমুলার হদিশ দিয়েছে, তাতে অনেক জেলাই অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। পুরুলিয়ার জেলাশাসককে কেন্দ্রের কাছে প্রকল্পে নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশ প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চের। প্রকল্পের মাপকাঠি অনুযায়ী সব প্যারামিটার ফুলফিল হলেই প্রস্তাব পাঠাবেন জেলাশাসক, নির্দেশে সাফ জানিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। কেন্দ্রীয় প্রকল্পে নাম না পাঠানোয় মামলা  দায়ের করেন পুরুলিয়ার  বাঘমুন্ডির কংগ্রেস বিধায়ক নেপাল মাহাতো। তাঁর করা মামলায় অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষিত " গরিব কল্যাণ রোজগার অভিযান"  প্রকল্পে নাম নেই পুরুলিয়ার। অথচ নাম থাকার সবরকম যোগ্যতামাণ রয়েছে পুরুলিয়া জেলার।  ২০ জুন ২০২০ নিজ নিজ রাজ্যে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য এই প্রকল্পের ঘোষণা করে কেন্দ্র। প্রাথমিকভাবে আগামী ১২৫ দিনের জন্য কাজ হবে এই প্রকল্পের অধীনে। ৫০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয় বলে দাবি। প্রায় ৩৯ হাজার শ্রমিক পুরুলিয়ায় ফিরেছে বলে মামলায় দাবি করেন নেপাল মাহাতর।

এই প্রকল্পে যোগ্যতা অর্জনের জন্য কমপক্ষে ২৫ হাজার ঘরেফেরা শ্রমিক দরকার হয় বলে আইনি যুক্তি দেখান নেপাল মাহাতো। পুরুলিয়া জেলাশাসকের কাছে ২ দফায় আবেদন করেও ফল হয়নি। তাই হাইকোর্টে দায়ের হয় জনস্বার্থ  মামলা। সেই মামলাতেই ৩ সেপ্টেম্বর  এই নির্দেশ জারি করা হয়। মামলায় প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ওয়াই জে দস্তুর হাইকোর্টকে জানান,  "কেন্দ্রীয় সরকারের পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে তৈরি প্রকল্পের সুবিধা সব জেলাই পেতে পারে। তবে সব ধরনের যোগ্যতামাণ থাকা চাই। প্রপার চ্যানেলের মাধ্যমে আবেদন হলে অবশ্যই তা বিবেচনাযোগ্য।"

কেন্দ্রের এমন অবস্থান জানার পরই প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয় পুরুলিয়া জেলাশাসককে। তাতে বলা হয়েছে, ১ সপ্তাহের মধ্যে জেলাশাসকের কাছে আবেদন করতে হাইকোর্টের মামলার নথি-সহ। সেই আবেদন বিবেচনার পর যোগ্য বিবেচিত হলে জেলাশাসক তা প্রপার চ্যানেল মারফত কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠিয়ে দেবেন। হাইকোর্টের এমন নির্দেশে আশায় বুক বাঁধছেন অনেক পরিযায়ী শ্রমিক।

ARNAB HAZRA

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

লেটেস্ট খবর