corona virus btn
corona virus btn
Loading

২০ কিলোমিটার যেতে দুঃস্থ ক্যান্সার রোগীর কাছে ২৫০০ টাকা চাইল অ্যাম্বুলেন্স!

২০ কিলোমিটার যেতে দুঃস্থ ক্যান্সার রোগীর কাছে ২৫০০ টাকা চাইল অ্যাম্বুলেন্স!

হাসপাতালের ইমারজেন্সি গেটের বাইরে অ্যাম্বুলেন্সের চালক ও সাগরেদরা ছিপ ফেলে দাঁড়িয়ে থাকে রোগীর বাড়ির লোকেদের অপেক্ষায়।

  • Share this:

SHANKU SANTRA

#কলকাতা: কলকাতার রাস্তায় অ্যাম্বুলেন্সের দৌরাত্ম্যের দৃশ্যটা উত্তর থেকে দক্ষিণ একইরকম। অ্যাম্বুলেন্সের অবৈধ ব্যবসা, চড়া দাম হাঁকা, নূন্যতম পরিষেবা না দেওয়া, সবটাই যেন লাগামছাড়া হয়ে উঠেছে মহানগরীর বুকে । নীলরতন সরকার হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স ১০ কিলোমিটার রাস্তা যেতে চাইছে ১০০০  টাকা। আরজিকর হাসপাতালের সামনেও একই ধরনের ঘটনা। এমপির দেওয়া অ্যাম্বুলেন্স ১৬০০ টাকা দিয়ে রোগী বহন করছে। এইসব অ্যাম্বুলেন্সের শুধু তেলের খরচ দিলেই রোগী এক স্থান থেকে আরেক স্থান নিয়ে যাওয়ার কথা। কথ্য ভাষায় বলা হয়, পাঁচশো টাকার অ্যাম্বুলেন্স।

এসএসকেএম হাসপাতালের ইমারজেন্সি গেটের বাইরে অ্যাম্বুলেন্সের চালক ও সাগরেদরা ছিপ ফেলে দাঁড়িয়ে থাকে রোগীর বাড়ির লোকেদের অপেক্ষায়। পিজি হাসপাতাল থেকে বারুইপুর পর্যন্ত রোগী নিয়ে যেতে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া চায় হাজার টাকা । যে অ্যাম্বুলেন্সকে শুধু তেলের টাকা দিলেই চলে যাওয়ার কথা। এই কথা ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখানোর পর, ওই ড্রাইভার মোহিত মোহন ঘোষ জানায়, তেলের দাম বেড়েছে। চাকা ঘনঘন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তার জন্য টাকা নেওয়া হচ্ছে।

গন্ডগোল দেখে এলাকার একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট এগিয়ে এসে জানান, একজন ক্যান্সার রোগীর পরিবারের থেকে ওই আম্বুলান্স নাগেরবাজার নিয়ে যাওয়ার জন্য আড়াই হাজার টাকা চেয়েছে কিছুক্ষণ আগেই।এরপরেই অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার নিজের দোষ কবুল করে নেয় । তবে সার্জেন্টের সামনে সম্পূর্ণ দোষ চাপায় পিজি হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের ওপর। তার অভিযোগ, প্রত্যেকটি হাসপাতলেই অ্যাম্বুলেন্সের সিন্ডিকেট রয়েছে, দালাল রয়েছে । সেই দালালরা অনেকটা অংশের টাকা নেয়। যার ফলে চড়া দাম হয়ে যায়।

এরপর মুমূর্ষ ক্যান্সার রোগী প্রদীপ কুমার ভট্টাচার্যকে ন্যায্য ভাড়ায় বাড়ি পাঠানো হয় । অনেকেই বলছেন, রাজ্যের এই সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে এর বিহিত না হলে সরকারের প্রতি রীতিমত মানুষের ক্ষোভের আগুন বাড়ছে।

Published by: Simli Raha
First published: July 29, 2020, 10:24 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर