corona virus btn
corona virus btn
Loading

গোড়াতেই গলদ ! কাজেই এবার পুলকারেই বদল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার

গোড়াতেই গলদ ! কাজেই এবার পুলকারেই বদল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার
representative image

কেমন হবে পুল কার ? ইতিমধ্যেই গাইডলাইন তৈরি করে ফেলেছে খড়গপুর আই আই টি

  • Share this:

#কলকাতা: গোড়াতেই গলদ। তাই এবার পুলকারেই বদল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। যে কোনও গাড়িই পুলকার হিসেবে চলাচল করতে পারে। কিন্তু তা আদৌ বাচ্চাদের নিয়ে যাতায়াত করার জন্য উপযুক্ত কিনা, তা খতিয়ে দেখতে চায় রাজ্য সরকার। সেই কারণেই এবার আইআইটি খড়্গপুরের সাহায্যে পুলকারকে আরও সুরক্ষিত করতে চাইছে প্রশাসন।

ইতিমধ্যেই আইআইটি খড়্গপুরের অধ্যাপক ভাগব মৈত্র‍ বেশকিছু গাইডলাইন তৈরি করে দিয়েছেন। তাতে বলা হচ্ছে, গাড়ির নম্বর প্লেট শুধুমাত্র হলুদ হলেই চলবে না। নম্বর প্লেট হতে হবে হাই সিকিউরিটি নম্বর প্লেট। যাতে ওই গাড়ি কখন, কোথায় যাচ্ছে তা জানতে পারা যায়। এছাড়া প্রতিটি গাড়িতে জিপিএস থাকা বাধ্যতামূলক। যাতে ওই গাড়ির লাইভ লোকেশন দেখা যায়। পরামর্শদেওয়া হচ্ছে একটি অ্যাপস ব্যবহার করার  যেখানে ওই গাড়ির সব তথ্য পাওয়া সম্ভব। গাড়ির মধ্যে ক্যামেরা বসানোর কথাও উল্লেখ রয়েছে গাইডলাইনে। যেন প্রতি মুহূর্তে গাড়ির অন্দরের ছবি দেখতে পাওয়া যায়, সেই বিষয়ে স্কুল ও অভিভাবকদের নিশ্চিত করতে হবে।

এতো গেল সুরক্ষা ও গাড়ি কীভাবে চিহ্নিত করা যাবে, সেই বিষয় !  এর পাশাপাশি, গাইডলাইনে উল্লেখিত রয়েছে, গাড়িতে প্রত্যেকের জন্য সিটবেল্ট থাকতে হবে। গাড়িপিছু যা আসন সংখ্যা তার চেয়ে বেশি যেন কেউ না থাকে। এই বিষয়ে পুলকার মালিককে লিখিত ভাবে স্কুল, অভিভাবক ও স্থানীয় প্রশাসনকে জানাতে হবে।  গাড়ি যেন কোনওভাবেই  ওভারলোডিং করা না হয়। প্রত্যেক পুলকারের ফিটনেস সার্টিফিকেট  থাকতে হবে। গাড়ির অবস্থা, টায়ার, ব্রেক, হেডলাইট, টেল লাইট নিয়ে তিন মাস অন্তর রিপোর্ট দিতে হবে। গাড়ি পরীক্ষার সময় যাতে ভিডিওগ্রাফি করে রাখা হয়, সেই বিষয়ে আরটিও-দের নজরদারির কথা বলা হয়েছে গাইডলাইনে।

বহুক্ষেত্রে অভিযোগ, টাকা বাকি থাকার অভিযোগে বা বেশি টাকা ফাইন বাবদ খরচ হবে এই অজুহাতে অনেক গাড়ির মালিক সিএফ বা ফিটনেস সার্টিফিকেট পরীক্ষা করান না। রাজ্যের কাছে অনুরোধ রাখা হয়েছে যাতে তারা গাড়ির পরীক্ষার জন্য যে টাকা লাগে তাতে ছাড়, বা বিশেষ ক্ষেত্রে যেন মকুব করে দেওয়া হয়। তাতে অন্তত গাড়ির নিয়ম মানা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, গাইডলাইনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি ট্রাফিক ইউনিট যেন যথাযথ ভাবে গাড়ি পরীক্ষা করে। প্রয়োজনে স্কুল চলাকালীন যেন চালকদের প্রশিক্ষণ দেয়। এই ব্যপারে স্কুল শিক্ষা দফতরকেও সচেতন হতে বলছে গাইডলাইন। ইতিমধ্যেই রাজ্য পরিবহন দফতর ও পুলিশের কাছে এই সমস্ত গাইডলাইন পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে অভিভাবক ও স্কুল অথোরিটি সচেতন না হলে পুলকার দৌরাত্ম্য মেটানো যাবে না, তা স্বীকার করে নিচ্ছেন আইন প্রণেতারা।

ABIR GHOSHAL

Published by: Rukmini Mazumder
First published: February 20, 2020, 7:09 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर