এবার ডেঙ্গু হলেই মশারি ফ্রি ! নয়া উদ্যোগ কলকাতা পুরসভার

এবার ডেঙ্গু হলেই মশারি ফ্রি ! নয়া উদ্যোগ কলকাতা পুরসভার

ডেঙ্গু আক্রান্তের বাড়িতে মশারি নিয়ে পৌছে যাবেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। ডেঙ্গু প্রতিরোধে কলকাতা পুরসভার নয়া উদ্যোগ। এতদিন মশা মারার

  • Share this:

#কলকাতা: ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেই বিনামূল্যে মশারি দেবে কলকাতা পুরসভা। এতদিন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর জন্য এলাকায় মশা মারার ওষুধ স্প্রে সহ নানা কর্মসূচি নিত কলকাতা পুরসভা।

এবার কলকাতা পুরসভার নয়া উদ্যোগ। ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে মশারি নিয়ে পুরসভার স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা পৌঁছে যাবে আক্রান্তের বাড়ি। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী যাতে মশারির মধ্যে থাকেন তা সুনিশ্চিত করবেন স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা। তাহলেই ডেঙ্গু আর ছড়াবে না। এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে এই নয়া উদ্যোগ কলকাতা পুরসভার।

গতবছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী কলকাতা পুরসভা আক্রান্তের সংখ্যা তিন হাজারের বেশি। পুরসভার স্বাস্থ্য দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী ২০১৯ এ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন কলকাতা শহরে মাত্র ৬ জন। যদিও বেসরকারি মতে এই হিসাব ১২ বেশি।মশাবাহিত রোগ বিশেষ করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কলকাতা পুরসভার নানা রকম উদ্যোগ নিয়েছে।সেই উদ্যোগে এই বিনামূল্যে মশারি বিতরণ নতুন সংযোজন।

কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র ও মেয়র পরিষদ স্বাস্থ্য বলেন,ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এই খবর কলকাতা পৌরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আক্রান্তের বাড়িতে পৌঁছে যাবেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। শুধুমাত্র ওষুধ স্প্রে বা এলাকা পরিষ্কার নয়। পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা মশারি হাতে পৌঁছে যাবেন সেই বাড়িতে।

আক্রান্তের বাড়ির লোককে বোঝানো হবে এই মশারির মধ্যে যদি ডেঙ্গু আক্রান্ত থাকেন তাহলে পরিবারের বাকিরা যেমন সুরক্ষিত তিনি এলাকায় সুরক্ষিত থাকবে। ডেঙ্গু আক্রান্ত কে কোন মশা কামড়ালে সেই মশা আবার অন্য কাউকে কামড়ালে ডেঙ্গু ছড়ায় এলাকায়। এই পদ্ধতিতে জাতি আর ডেঙ্গু না ছড়ায় সেই ব্যবস্থা করতেই কলকাতা পৌরসভার নয়া উদ্যোগ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু এর পরামর্শ মেনে কলকাতা পুরসভা ডেঙ্গু প্রতিরোধে নানান কর্মসূচি নিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাড়ি বাড়ি গিয়েজমা জল আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা এবং কেউ জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন কিনা সেই তথ্য সংগ্রহ করা।পুরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডের স্বাস্থ্যকর্মীরা এই কাজ করেন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত।

একইভাবে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য ক্লিনিক ছাড়াও অন্যান্য যে সমস্ত বেসরকারি ক্লিনিক রয়েছে সেখানেও খোঁজখবর নেওয়ার জন্য জান পুরো স্বাস্থ্যকর্মীরা।কেউ জ্বরে আক্রান্ত হলে তার রক্তের নমুনা পরীক্ষা কোথায় হচ্ছে তাও খতিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। সেই রিপোর্ট পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এবং পৌরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে তা পৌরসভার হেডকোয়ার্টারে আসে।

প্রতিদিন শহরের রক্ত পরীক্ষার নমুনা রিপোর্ট নিয়ে তথ্য যাচাই করা হয় কলকাতা পুরসভায়। এভাবেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনে বড় সাফল্য পেয়েছে কলকাতা পুরসভা। এবার সেই সাফল্যের নতুন পালক নতুন উদ্যোগ।

First published: February 11, 2020, 8:29 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर