Home /News /kolkata /
Murder: বিছানায় স্বামীর দেহ, ঘরে বন্দি স্ত্রী! পুলিশ গ্রেফতার করল স্ত্রীকেই, মারাত্মক ঘটনা চক্রবেড়িয়ায়

Murder: বিছানায় স্বামীর দেহ, ঘরে বন্দি স্ত্রী! পুলিশ গ্রেফতার করল স্ত্রীকেই, মারাত্মক ঘটনা চক্রবেড়িয়ায়

নিজস্ব চিত্র। প্রয়াত উৎসব মণ্ডলের আধার কার্ড।

নিজস্ব চিত্র। প্রয়াত উৎসব মণ্ডলের আধার কার্ড।

Murder: ময়নাতদন্তের পর পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, উৎসবকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, উৎসব ও রিঙ্কি দু'জনই নেশাড়ু ছিলেন।

  • Share this:

#কলকাতা: ভবানীপুরে চক্রবেড়িয়া রোডে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ স্ত্রী-কে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতের নাম রিঙ্কি পাল। নিহতের নাম উৎসব মন্ডল। পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার রাত ন'টায় খবর পায় পুলিশ।  ৪৮ নম্বর চক্রবেড়িয়া রোডে একটি বাড়িতে কোনও সাড়াশব্দ না মেলায় প্রতিবেশিরা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে দরজা ভাঙে। ঘরে থেকে উদ্ধার হয় উৎসবের দেহ। পুলিশের দাবি, গলায় আঘাতের চিহ্ন মেলে। ময়নাতদন্তের পর পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে উৎসবকে।

পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গ্রেফতার করা হয়েছে স্ত্রীকে। কী কারনে খুন? পুলিশের দাবি, ধৃত স্ত্রী পুলিশকে জানান, স্বামীর মামার থেকে টাকা ধার নিয়েছিলেন তিনি। সেই টাকা ধার দেনা নিয়ে অশান্তি হয় দু'জনের। তবে ঘর থেকে মেলে একটি নাইলনের দড়ি। ছেলেটি আগেও সুইসাইডের চেষ্টা করেছিলেন বলে খবর।  তা হলে কি পুলিশকে বিভ্রান্ত করতে নাইলনের দড়ির ব্যবহার করা হয়েছে?

আরও পড়ুন: নির্দলদের প্রশ্রয় নয়, সাহায্য করলেও কঠোর পদক্ষেপ, নেতাদের কড়া বার্তা মমতার

ময়নাতদন্তের পর পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, উৎসবকে হত্যা করা হয়েছে।  পুলিশ সূত্রে খবর, উৎসব ও রিঙ্কি দু'জনই নেশাড়ু ছিলেন। যদিও উৎসব দুটি নামি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ছাত্র ছিলেন। উৎসবের বাবা একটি ব্যাঙ্কের কর্মী ছিলেন। পুলিশের দাবি, গত নভেম্বর মাসে বিয়ে হয় দু'জনের। তখন গড়িয়া বাঁশদ্রোণী এলাকায় থাকতেন তাঁরা। গত দশ দিন ধরে ভবানীপুরে  ছেলের আত্মীয়র বাড়িতে স্বামী ও স্ত্রী থাকা শুরু করেন। তারপরই কি ঝামেলা বাড়ে অর্থগত কারণে?  স্বামী ও স্ত্রী-র ঝামেলার জন্যই কি খুন?

আরও পড়ুন: চন্দ্রিমাকে অর্থ ছাড়লেন মমতা! অনুমোদন রাজ্যপালের, মন্ত্রিসভায় আর কোন চমক?

পুলিশ সূত্রে খবর, এই  বাড়িতে আগে উৎসবের মা বাবা থাকতেন। পুলিশ গিয়ে ঘরের মধ্যে থেকে স্ত্রীকে আটক করে ও পরে গ্রেফতার করে। ঘরে শোয়ানো অবস্থায়  দেহ উদ্ধার হয় উৎসবের। পুলিশ সূত্রে খবর, দুজনের মধ্যে ব্যক্তিগত সমস্যা ছিল কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, স্ত্রীয়ের আগেও কয়েকটি সম্পর্কে ছিল । ১৬ বছরে এক সন্তান রয়েছে তাঁর। তবে কী কারণে হত্যা? আর্থিক লেনদেন নিয়ে ঝামেলা নাকি অন্য কোনও ব্যক্তিগত সমস্যা ছিল? নাকি নেশার ঘোরে ঝামেলা? নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ? খতিয়ে দেখছেন ভবানীপুর থানা ও হোমিসাইড শাখার আধিকারিকরা।

Arpita Hazra

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Murder

পরবর্তী খবর