কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

আড়াই মাসে খাবারের বিল দেড় কোটি! খরচ কমাতে কড়া পদক্ষেপ কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে

আড়াই মাসে খাবারের বিল দেড় কোটি! খরচ কমাতে কড়া পদক্ষেপ কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে
কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল৷

এই ঘটনার পরই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এবার থেকে প্রতিদিন একশোর বেশি খাবারের প্লেট সরবরাহ করা হবে না।

  • Share this:

#কলকাতা: গত ৭ মে করোনার চিকিৎসার জন্য কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালকে চিহ্নিত করে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। প্রথমে সীমিত আকারে হলেও ধীরে ধীরে করোনা রোগীদের বেডের সংখ্যা বাড়ানো হয়। করোনার চিকিৎসায় নাওয়া-খাওয়া ভুলেছিলেন সেখানকার চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। চিকিৎসার সুবিধার জন্য স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁরা হাসপাতালে বা কাছাকাছি কোনও জায়গায় থাকছিলেন। এছাড়াও এই সময় করোনা চিকিৎসা মোকাবিলার জন্য কয়েকশো অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক চতুর্থ শ্রেণির কর্মীও নিয়োগ করা হয়। এদের সবার জন্যই দিনরাত দু' বেলা খাবার ব্যবস্থা করা হয় হাসপাতালে তরফ থেকে। সবার খাবারের জন্য কোভিড ফান্ড থেকে খরচের ব্যবস্থা করেছিল মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ।

গত ২৭ জুলাই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের নতুন পদে যোগ দেন মঞ্জু বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, তারপরই খাবারের বিল নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। নতুন অধ্যক্ষ দেখতে পান তাঁর আসার আগে গত ২ মাস ২০ দিনে খাবারের বিল এসেছে দেড় কোটি টাকা। চোখ কপালে ওঠে। প্রথমে বিলে অনুমোদন দিতে না চাইলেও পরে অবশ্য অনুমোদন দেওয়া হয়।

খাবারের পিছনে এই বিপুল খরচের কথা জানতে পারে স্বাস্থ্য দফতর। সেখানকার কার্যনির্বাহী আধিকারিকদেরও চক্ষু চড়কগাছ এই বিলের টাকার অঙ্ক দেখে। তদন্তে দেখা যায়, সকালের ডিউটি বা নাইট শিফটে আসা ডাক্তার-নার্স,স্বাস্থ্যকর্মীরাও দুপুরের বা রাতের খাবারে ভাগ বসিয়েছেন। এসএসকেএম হাসপাতালে উডবার্ন ওয়ার্ডে খাবার সরবরাহকারী একটি বেসরকারি সংস্থা এই খাবারের দায়িত্ব পায়। প্রতিটা খাবারের প্যাকেটের দাম ২২০ টাকা করে। প্রতিদিন হাসপাতালে ৪০০ থেকে ৪৫০ প্লেট খাবার সরবরাহ করেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত এই বেসরকারি সংস্থা। অর্থাৎ প্রতিদিন ৮০০ থেকে ৯০০ প্লেট খাবার দেওয়া হয়েছে। আর তাতেই ২ মাস ২০ দিনের খাবারের বিল দেড় কোটিতে পৌঁছে যায়।

এই ঘটনার পরই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এবার থেকে প্রতিদিন একশোর বেশি খাবারের প্লেট সরবরাহ করা হবে না। আর প্রতি প্লেটের দাম রাখা হবে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকার মধ্যে। কোনওমতেই আগের মতো রাজকীয় আয়োজন দেওয়া হবে না। এমনকি যে চিকিৎসক-নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি থেকে যাতায়াত করছেন, তাঁদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা থাকছে না৷

Avijit Chanda

Published by: Debamoy Ghosh
First published: September 29, 2020, 10:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर