corona virus btn
corona virus btn
Loading

পরিচিতরা জানতেন, ঋষিক তো মেধাবী ছেলে, ভাল ফল করবেই, কিন্তু...

পরিচিতরা জানতেন, ঋষিক তো মেধাবী ছেলে, ভাল ফল করবেই, কিন্তু...

ঋষিকের সুইসাইড নোটের ছত্রে ছত্রে ফুটে উঠেছে সেই মানসিক চাপ আর ভয়।

  • Share this:

#সিঙ্গুর: সিঙ্গুরের কিসমত অপূর্বপুরের বাসিন্দা ঋষিক কোলে। পরিবার-পাড়ার লোক সবাই জানে ঋষিক ছোট থেকেই মেধাবী। এবার উচ্চমাধ্যমিকে পদার্থবিদ্যায় তিরানব্বই শতাংশ নম্বর। পরিচিতরা জানতেন, ঋষিক তো মেধাবী ছেলে। ভাল ফল করবেই। এরপর শ্রীরামপুর কলেজে ভরতি হয়েও জেভিয়ার্সের মত নামকরা কলেজে আবেদন করেন ঋষিক। জেভিয়ার্সে চান্স পেয়ে আবার পরিচয় দেন মেধাবী ছাত্র হওয়ার। প্রত্যেকের প্রত্যাশা আরও বেড়েছিল, তাঁদের ঘরের ছেলে, পাশের বাড়ির ছেলে ঋষিক অনেক দূর এগোবে। কিন্তু, সেন্ট জেভিয়ার্সে পড়তে গিয়ে যে মানসিক চাপ তৈরি হয়েছিল প্রথম বর্ষের ছাত্রের, তা কেউই বোঝেননি।

ঋষিকের সুইসাইড নোটের ছত্রে ছত্রে ফুটে উঠেছে সেই মানসিক চাপ আর ভয়। ঋষিক লিখে গিয়েছেন, টিচারদের ইংলিশে পড়ানোটা আমার মাথার উপর দিয়ে চলে যাচ্ছে। কম্পিউটার ক্লাসে তো একদমই বুঝতে পারছি না। কলেজে পড়াশোনার লেভেল খুব হাই। নিজে থেকেই এতো টাকা দিয়ে ভরতি হলাম। কিন্তু চাপ নিতে পারছি না। বাপি তো বকবে। আমার ওখানে ভরতি হওয়াটাই ভুল ছিল। পড়াশোনার চাপ নিতে না পারায় আমি আত্মহত্যা করছি।ঋষিকের শিক্ষক বলছেন, তাঁর ছাত্র ইংরেজিতেও ভাল নম্বর পেয়েছিল। কিন্তু, ইংরেজি লিখতে পারলেও ঝরঝরিয়ে বলতে না পারার সমস্যায় হীনমন্যতায় ভুগছিলেন ঋষিক। তা সুইসাইড নোট থেকেই স্পষ্ট{

পরিবার ও প্রতিবেশীরাও জানত, মেধাবী ঋষিকের পড়াশোনায় কোনও সমস্যাই হতে পারে না। তাই দিন দিন বেড়েছে প্রত্যাশ্যার চাপ। ব্যর্থ হওয়ার ভয়। ঋষিক ছিলেন হাসিখুশি। পরিবার-পরিজনদের কখনও নিরাশ করেননি। বারবার নিজেকে প্রমাণ দিয়েছেন সফল হিসেবে। জেভিয়ার্সের নতুন আদব কায়দা দেখে কি হেরে যাওয়ার ভয় তৈরি হয়েছিল? অনেক টাকা দিয়েও ভরতি হয়ে পিছিয়ে পড়ার ভয় তৈরি হয়েছিল ছাত্রের মনে? সঙ্গে বাবার বকুনির চিন্তা। মুখে বলতে পারেননি। তাই জীবনের শেষ লেখায় লিখে গিয়েছেন মানসিক চাপের কথা।

First published: August 4, 2019, 5:29 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर